About

.

Tinnitus টিনিটাস (উদ্ভট শব্দ শ্রবণ)

লক্ষণ ও উপসর্গ

১. সংকেত ধ্বনি, গর্জন, গুঞ্জণ ধ্বনি, ফিসফিসানি, ফোস ফোস শব্দ কিংবা শিষ বাজাবার শব্দ ইত্যাদি শুনতে পাওয়া: যেটা কেবল এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিই শ্রবণ করে থাকে।
২. আক্রান্ত ব্যক্তি এই শব্দগুলো ক্ষণিক বিরতি দিয়ে, কিংবা ক্রমাগত শ্রবণ করতে পারেন, এবং শব্দগুলোও তীব্রতা এবং তীক্ষîতায় বিভিন্ন রকম হয়ে উঠতে পারে। শব্দগুলো তখনই সবচে বেশি লক্ষণীয় হয়ে ওঠে যখন আক্রান্ত ব্যক্তির চারপাশের পরিবেশগত আওয়াজটা ক্ষীণ থাকে।
কী করা উচিত

দীর্ঘþহায়ী টিনিটাসের যদিও কোন প্রতিকার নেই, কিন্তু কিছু চিকিৎসা রয়েছে যেগুলো আক্রান্ত ব্যক্তিকে কিছুটা হলেও স্বস্তি যোগাতে সক্ষম:
১. এই সব শব্দের দরূণ যদি আপনার ঘুমাবার ব্যঘাত ঘটে, সেক্ষেত্রে প্রশান্তিকর সূরের গান সমন্বিত একটা ক্যাসেট কিংবা সিডি ছেড়ে ঘুমোতে পারেন।
২. নিয়মিত ব্যায়াম চর্চা করুন। এর ফলে মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ বেড়ে যাবে, এবং ফলত আপনি কিছুটা স্বস্তি পাবেন।
৩. মদ, ধুমপান, এবং ক্যাফেইন সমৃদ্ধ আহার্য্য পরিত্যাগ করুন। এগুলো টিনিটাসকে আরও খারাপ দিকে ঠেলে দেয়।
৪. টিনিটাস মাস্কার ব্যবহার করে দেখতে পারেন। এটা একটা ছোট বৈদ্যুতিক যন্ত্র, যেটা হেয়ারিং এইড-এর মতো কানে ঢুকিয়ে নিতে হয়, এবং এই যন্ত্রটি থেকে একটা মধূর শব্দ নির্গত হয়, যে শব্দ অস্বস্তিকর শব্দগুলোকে ঢেকে দেয়।

কখন ডাক্তার দেখাবেন

জরুরী ভিত্তিতে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন:
১. যদি হঠাৎ করে সাময়িক কিংবা পুরোপুরি শ্রবণক্ষমতা লোপ পায়।
২. আপনার যদি টিনিটাস রোগ থাকে এবং আপনার যদি মাথা ঘোরার সমস্যা তৈরি হয়।
৩. আপনার যদি টিনিটাস থাকে এবং কানে ব্যথা থাকে কিংবা কান থেকে পূজ জাতীয় বস্তু নির্গত হয়।
৪. যদি এই উদ্ভট শব্দগুলো আপনাকে হতাশাগ্রস্ত এবং বিষাদগ্রস্ত করে তোলে।
৫. আপনার যদি মনে হয় এই টিনিটাস অন্য রোগের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া বা লক্ষণ হিসেবে আপনার মধ্যে জন্ম নিয়েছে।
৬. যদি টিনিটাস আপনার মনোসংযোগ, দৈনন্দিন কাজকর্ম কিংবা ঘুমের ব্যঘাত ঘটায়।

 
কীভাবে প্রতিরোধ করবেন

১. যথেষ্ট পরিমাণে বিশ্রাম গ্রহণ করুন, অতিরিক্ত চাপ নেয়া থেকে নিজেকে বিরত রাখুন, এবং শরীর ও মন শীথিলায়নের বিভিন্ন পদ্ধতিগুলো চর্চা করুন।
২. খাবারে লবনের পরিমাণ কমিয়ে দিন, পারলে পুরোপুরি বন্ধ করে দিন। লবণ খাওয়ার কারণে কানের মধ্যাঞ্চলে তরল পদার্থ জমে যেতে পারে, যেটা প্রকারান্তরে টিনিটাসের ঝুকি বাড়িয়ে দেয়।
৩ যদি খুব উঁচু শব্দের মধ্যে পড়ে যান, সেক্ষেত্রে কানে এয়ারপ্লাগ কিংবা এয়ারমাফ ব্যবহার করতে পারেন। (তবে তুলার গোলাকৃতি পিণ্ড যথেষ্ট পরিমাণে শব্দকে বাধাগ্রþহ করতে পারে না, বরং সেগুলো কানের নলের ভেতরে ঢুকে পড়ার ঝূকি রয়েছে)|
৪. কানে এয়ারফোন পড়ে ভলিউম বেশি বাড়াবেন না।
৫. আপনার ছেলেমেয়েদের শেখান যাতে তারা বুঝতে পারে খুব জোড়ে গান-বাজনা শোনার ফলে কী ক্ষতি হতে পারে। 
 
Signs and Symptoms

1. Noise such as ringing, roaring, buzzing, humming, hissing, or whistling that only you can hear.
2. It can be discontinuous or continuous, and can vary in loudness or pitch. It’s most noticeable when background noise is low.

What to do now
Though there’s no cure for some cases of chronic tinnitus, but there are steps you can take to get relief:
1. Cover the unwanted noise with a tape recording of soothing music or sounds, if you have trouble sleeping.
2. Exercise regularly. This may bring some relief by increasing blood circulation to the head.
3. Avoid alcohol, smoking, and caffeine. They can make tinnitus worse.
4. Try a tinnitus masker, a small electronic instrument, wron in the ear like a hearing aid, that produces a contending but pleasant sound.

When to call a doctor
Call for an immediate appointment:
1. If you have sudden or total hearing loss.
2. If you have tinnitus and dizzy feeling.
3. If you have tinnitus and pain or pus in your ear.
4. If the noise distresses you.
5. If you suspect your tinnitus is the symptom of another health problem.
6. If tinnitus interferes with your concentration, daily activities, or sleep.

How to prevent it
1. Get adequate rest, avoid stress, and practice relaxation techniques.
2. Cut down on salt in your diet. Salt can cause fluid to build up in your middle ear, increasing the risk of tinnitus.
3. Wear earplugs or earmuffs if you are exposed to loud noise. (Cotton balls are not sufficient because they don’t block enough sound. They can also become lodged deep in the canal).
4. Don’t turn up the volume when wearing earphones.
5. Teach your children about the potential damage from loud music.

Swimmer’s Ear ashx সাঁতাড়ুর কানে পানি যাওয়া

লক্ষণ ও উপসর্গ

১. কানে ব্যথা এবং থ্যালথ্যালে অনুভব, বিশেষত মাথা এদিক ওদিক ঘোরাবার সময় এবং কানের লতি টানার সময়।
২. কানের ভেতর অস্বস্তিকর বদ্ধতার অনুভব এবং চুলকানি।
৩. কান থেকে তরল, বাজে গন্ধযুক্ত হলুদ পদার্থের নি:স্বরণ|
৪. কানের ফুটোর কাছে নষ্ট ত্বক|
৫. শ্রবণক্ষমতার সাময়িক হন্সাস, কিংবা ভাঙ্গা ভাঙ্গা শ্রবণানুভব।
 
কী করা উচিত
এই সমস্যা প্রায়ই আপনা থেকেই সেরে যায়। যদি সেটা নাও হয়, তবুও চিকিৎসা করলে দ্রুত এই সমস্যা সেরে ওঠে এবং সাধারণত দুই চারদিনের মধ্যেই এটা ঠিক হয়ে যায়। সেরে ওঠাকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে আপনি নিম্নোক্ত কাজগুলো করতে পারেন:
১. আক্রান্ত কানটিকে শুষ্ক রাখার চেষ্টা করুন। গোসলের সময় এবং চুল ধোয়ার সময় আপনার কানকে পানি থেকে ঢেকে রাখুন। সাঁতাড় থেকে বিরত থাকুন।
২. ডিসপেন্সারি থেকে এন্টিসেপটিক এয়ারড্রপ কিনে ব্যবহার করতে পারেন। আপনার কানে এই ড্রপ প্রবেশ করিয়ে কয়েক মিনিট ওভাবে থাকুন, এবং তারপর মাথা ঝুকিয়ে সেটাকে বেরিয়ে যেতে দিন|
৩. ব্যথা নিরোধে একটুকরো উষä কাপড় কানে জড়িয়ে ধরে রাখতে পারেন। এক্ষেত্রে ডিসপেন্সারির কম্পাউন্ডারের কাছ থেকে এ্যাসপিরিণ বা এসিটামিনোফেন ওষুধ সেবন করলেও লাভবান হতে পারবেন। (তবে ১২ বছর বয়সের নিচে কোন শিশুর যদি চিকেন পক্স, ইনফ্লুয়েঞ্জা, কিংবা অন্যান্য কোন রোগ রয়েছে, এবং সেটা ভাইরাস বাহিত বলে আপনি মনে করেন সেক্ষেত্রে তাকে কোনভাবেই এ্যাসপিরিন দেবেন না।)
কখন ডাক্তার দেখাবেন

১. যদি চার-পাঁচ দিনেরও বেশি সময় যাবৎ নিজস্ব যত্ন এবং চিকিৎসা স্বত্তেও লক্ষণগুলো বজায় থাকে সেক্ষেত্রে, যদিও সচরাচর ঘটে না, কিন্তু এই ক্ষত সংক্রামিত হতে পারে।
২. যদি লক্ষণগুলো দেখা যায়, এবং অতীতে কখনও আপনার কানের পর্দায় আঘাত লেগে থাকে, বা ক্ষত থেকে থাকে, কিংবা কানে যদি অতিতে সার্জারি করা হয়ে থাকে।
৩. প্রায়ই যদি আপনার কানে পানি ঢোকার এই সমস্যা ঘটে, কিংবা ইতিমধ্যেই কানে ঘা সংক্রান্ত কোন রোগ আপনার হয়ে থাকে।
৪. যদি আপনার ডায়াবেটিকস হয়ে থাকে, কিংবা আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গিয়ে থাকে।

কিভাবে প্রতিরোধ করবেন

১. আপনার কানদুটোতে যেন পানি জমতে না পারে সেদিকে যত্ন নিন। সাঁতাড় কাটার সময় এয়ারপ্লাগ পড়ে নিন। এবং সাঁতাড় কাটা শেশ হলে সেটা খুলে ফেলতে ভুলবেন না। স্নানের সময়ও শাওয়ার ক্যাপ পড়ে নিতে পারেন। আপনার কানের চারপাশ এবং ভেতরটা শুকনো নরম কাপড় দিয়ে শুষ্ক করে তুলুন, এবং সমস্যা হলে বাফারড এ্যালকোহল এয়ারড্রপ প্রয়োগ করে কানের ভেতর জমে থাকা অবশিষ্ট পানিটুকুও বাস্পায়িত করুন। এই ওষুধ ডিসপেন্সারিতে পাওয়া যায়।
২. সাতাঁর কাটার আগে আপনার কানে ল্যানোলিন এয়ারড্রপ প্রয়োগ করুন যাতে করে কানে পানি ঢুকে পড়তে না পারে। মাথা ঝুকিয়ে কানের তলদেশ পর্যন্ত এই ড্রপটিকে যেতে দিন, এবং তারপর আবার অন্যদিকে মাথা ঝুকিয়ে পানি সহ তরলটিকে বেড়িয়ে যেতে দিন।
৩. এই রোগের লক্ষণগুলো অপসারিত হবার অর্থাৎ রোগ সারার তিন সপ্তাহের মধ্যে আপনার কানে যেন পূনরায় পানি ঢুকতে না পারে সেদিকে যত্নবান হন, এর ফলে সমস্যাটা দ্বিতীয়বার ঘটা থেকে রেহাই পাবেন।
৪. এই রোগে আক্রান্ত হবার প্রবণতা আপনার মধ্যে থাকলে, কিংবা কানে পানি ঢুকে যাবার সমস্যা যদি আপনার প্রায়শই ঘটে সেক্ষেত্রে এন্টিসেপটিক এয়ারড্রপ ব্যবহার করুন।
৫. কানের ময়লা পরিস্কার করার সময় সাবধান থাকবেন। এমন কোন বস্তু দিয়ে কান পরিস্কার করবেন না, যেটা কানের নলকে ক্ষতিগ্রþহ করতে পারে।
 
Signs and Symptoms

1. Pain and tenderness in the ear, especially when moving your head or gently pulling on your earlobe.
2. Itchy or blocked feeling in the ear.
3. Watery, foul-smelling, or yellowish discharge from the ear.
4. Patches of broken, flaky skin surrounding the opening of the ear.
5.Temporary hearing loss or muffled hearing.

What to do now
Swimmer’s ear often clears up on its own. If not, it responds quickly to treatment and usually disappears within a few days. Here’s what you can do to speed recovery:
1. Keep the infected ear dry. Protect your ears when showering or washing your hair. Avoid swimming.
2. Use over-the-counter antiseptic eardrops. Leave the drops in your ear for a couple of minutes, then tilt your head to let them drain out.
3. Hold a warm compress over the ear to relieve pain. Over-the-counter drugs such as aspirin or acetaminophen may help, too. (Never give aspirin to a child under 12 who has chicken pox, flu, any other illness you suspect of being caused by a virus, such as a bad respiratory infection).
When to call a doctor
1. If symptoms persist after more than four or five days of self-care. It’s rare, but the infection can spread.
2. If you have symptoms and your eardrum has ever ruptured or otherwise been injured, or if you’ve had surgery.
3. If you have frequent bouts of swimmer’s ear or already have an ear infection.
4. If you have diabetes or a weakened immune system.
How to prevent it
1. Try to keep your ears moisture-free. Wear earplugs while swimming. Don’t forget to remove them immediately after and pull a shower cap over your ears for showering. Dry the out over parts of your ears after these activities, and use buffered alcohol eardrops, available in drug stores, to help evaporate remaining water.
2. Squirt lanolin eardrops into your ears before you swim to protect them from the water. Tilt you head so the drops get to the bottom of the ear canal, then let the liquid drain out.
3. Don’t get any water in the ear canal for three weeks after symptoms disappear, to keep the problem from coming back.
4. Use antiseptic eardrops if you get water in your ear and you have a tendency to get simmer’s ear.
5. Be careful when cleaning earwax from your ears. Don’t use any objects that could scratch the ear canal.

Earwax কানের খলি বা এয়ারওয়াক্স

  লক্ষণ ও উপসর্গ
১. কানের ভেতর বদ্ধতা, বা কোনকিছু ঢুকে আছে এমন অনুভব|
২. কানে ঝি ঝি শব্দ হওয়া|
৩. কানে ব্যথা কিংবা অস্বস্তি|
৪. ক্ষণিকের জন্যে আংশিক শ্রবণক্ষমতা লোপ|


কী করা উচিত

প্রাপ্তবয়স্করা নিম্নোক্ত প্রতিকারগুলোর সাহায্য নিতে পারে:
১. কম্পাউন্ডারের কাছ থেকে কানের খলিকে নরম করার তরল ওষুধ কিনে ব্যবহার করতে পারে। কিন্তু যদি কানে কোন ক্ষত হয়ে থাকে বা কানের পর্দায় কোন ক্ষত হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে খলি নরম করার ওষুধ ব্যবহার করবেন না।
২. এক টেবিল চামচ হাইড্রোজেন পার ওক্সাইড সমপরিমাণ উষä পানিতে মিশিয়ে নিন। রাবারের নরম একটা সিরিঞ্জ দিয়ে এই মিশ্রণটি সতর্কতার সাথে ধীরে ধীরে কানের খলির উপর ঢেলে দিন। কিন্তু কানে যদি ব্যথা থাকে, জ্বর থাকে, কিংবা কান থেকে যদি তরল নিসৃত হয়, বা কানের পর্দায় ছোট ছিদ্র থাকে, কিংবা যদি অতিতে কানের সার্জারি করা হয়ে থাকে - সেক্ষেত্রে এই তরল মিশ্রণ ব্যবহার করবেন না। (কখনই তুলার কাঠি (কটোন সোয়াব) দিয়ে কানের খলি বের করার চেষ্টা করবেন না, এতে করে আপনার কানের পর্দা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, কিংবা ঘা-এর জন্ম হতে পারে।)
৩. আপনার মাথা ঝুকিয়ে, বদ্ধ কানের ভেতর এক ড্রপ এক ড্রপ করে কয়েক ফোটা তরল মিশ্রণটি ঢেলে দিন। মাথা একই ভাবে ঝুঁকিয়ে রেখে তিন মিনিটের জন্যে মিশ্রণটিকে সেখানেই থাকতে দিন। এবার অন্যদিকে মাথা ঝুকিয়ে কোন তোয়ালে বা টিস্যু পেপারে তরলটিকে নিসৃত হতে দিন। এতক্ষণে কানের খলিটির যথেষ্ট নরম হয়ে ওঠার কথা, এবং কানের বাইরের অংশে এসে পৌছবার কথা, ফলত সহজেই সেটাকে তুলার কাঠির সাহায্যে বের করে আনা সম্ভব হবে।যদি একবারে না হয়, সেক্ষেত্রে কয়েকবার চেষ্টা করে দেখুন।
৪. যদি খলিটি কোনভাবেই গলতে না চায় সেক্ষেত্রে তরল মিশ্রণটি ঢালার আগে, বরং তিন বা চার ফোটা ক্যাস্টর অয়েল গ্লিসারিণ ব্যবহার করে সেটাকে কিছুটা নরম করে নিতে পারেন। এটাও আপনাকে কয়েকবার করতে হতে পারে।
কখন ডাক্তার দেখাবেন

জরুরী ভিত্তিতে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন:

১. যদি আপনার কোন একটি কানে বা দুটি কানেই হঠাৎ করে শ্রবণক্ষমতার বিলোপ দেখা যায়।
২. যদি আপনার কান থেকে পুজ, ঘন তরল, কিংবা রক্ত বের হয়। এর মানে হলো আপনার কানের ভেতরে ঘা হয়েছে কিংবা আপনার কানের পর্দায় কোন ছিদ্র হয়েছে।
৩. যদি নিজস্ব চেষ্টা এবং চিকিৎসাতেও খলিটি না গলে, সেক্ষেত্রে একজন ডাক্তারের মাধ্যমে খলিটি পরিস্কার করে নিতে হবে।
৪. যদি আপনার শিশুর কান খলির মাধ্যমে বদ্ধ হয়ে গিয়ে থাকে সেক্ষেত্রে নিজে সেটা অপসারণের চেষ্টা করবেন না।


কীভাবে প্রতিরোধ করবেন
১. ধুলো ময়লার ভেতর কাজ করলে নিজের কানে কোন কাপড় বা এয়ারপ্লাগ জড়িয়ে নিন, কেননা ময়লা-ধুলো কানে খলির সৃষ্টি করে।
২. আপনার শিশু যেন নিজের কানে কোন বস্তু ঠেলে না দেয় সেদিকে নজর দিন। কেননা এটাও খলির জন্ম দেয়।
 
Signs and Symptoms
1. Blocked or plugged feeling in ear.
2. Ringing in the ear.
3. Ear pain or discomfort.
4. Temporary, partial hearing loss.

What to do now
Adults can try the following remedies:
1. Over-the-counter liquid earwax softeners can help to loosen earwax. But don’t use wax softeners if you suspect you have an ear infection or eardrum rupture.
2. Add one tablespoon of hydrogen peroxide to an equal amount of warm water. Use a soft rubber bulb syringe to dislodge wax by gently rinsing the ear canal with warm water or a mixture of warm water and hydrogen peroxide. Don’t do this if you have an earache, fever, discharge from your ear, or a perforated eardrum, or if you’ve recently and ear surgery. (Never attempt to remove earwax with a cotton-tipped stick or swab. You can damage your eardrum or cause an infection.)
3. Tilt your head, and put a dropperful of the warmed liquid into your blocked ear. Leave it there for three minutes, keeping your head tilted. Let the liquid run out onto a towel or tissue. The wax should be soft enough to be wiped away from the outer ear with a cotton ball. Repeat if necessary.
4. If the wax is particularly stubborn, soften it up beforehand with three or four drops of castor oil glycerin. You may need to do this several times.
When to call a doctor
Call for an immediate appointment:
1. If you have a sudden or total hearing loss in one or both ears.
2. If your ear secretes pus, fluid, or blood. This indicates an ear infection or a perforated eardrum.
3. If the wax becomes so firmly lodged that home care doesn’t work. You may need to have a doctor clean the ear.
4. If your infant or young child has an earwax blockage. Don’t try to remove the wax yourself.

How to prevent it
1. Try wearing earplugs if you work in dusty conditions, which can trigger wax buildup.
2. Don’t let your child push objects into the ear canal. This can pack the wax in.

Airplane Ears প্লেনে ভ্রমণের সময় কানের সমস্যা

লক্ষণ ও উপসর্গ

১. কানদুটোতে তালা লেগে যাওয়া|
২. কানে ঝিম ঝিম অনুভব করা|
৩. মাথা ঘোরা|
৪. কানের ভেতরে মাঝারি কিংবা তীব্র ব্যথা অনুভব করা|
৫. সম্ভবত ক্ষণিকের জন্যে শ্রবণ ক্ষমতা বিলুপ্ত হওয়া|

 কী করা উচিত
১. ঢোক গেলার চেষ্টাই সহজে এই সমস্যার সমাধান করতে পারে। ঢোক গেলার ফলে কানের মধ্যাংশের দিকে ধাবিত নলকে খুলে দেবার জন্যে পেশিগুলো সক্রিয় হয়ে ওঠে। প্লেন অবতরনের ঠিক আগ মুহূর্তে কিংবা অবতরণের সময় এই ঢোক গেলার কাজটি করুন; চুইংগাম চেবানো কিংবা ক্যান্ডি চুষে খেলে বেশি বেশি ঢোক গেলার ব্যাপারটা আপনাতেই ঘটবে। হাম তোলার ব্যাপারটিও একই রকম কাজ করে। কিন্তু অবতরণের সময় ঘুমানো থেকে বিরত থাকুন।
২. যদি ঢোক গেলা কিংবা হাম তোলাতেও কাজ না হয়, সেক্ষেত্রে নিজের কানের তালা খোলার জন্যে নিম্নোক্ত পরামর্শটি কাজে লাগিয়ে দেখতে পারেন।
৩. মুখ দিয়ে বড় করে শ্বাস নিন; এরপর নাক চেপে ধরুন, এবং মুখ বন্ধ রেখেই ধীরে ধীরে শ্বাস ছাড়ুন। এর ফলে আপনার নাক এবং কানের মধ্যে সংযোগকারী নলটিতে বাতাস ঢুকতে বাধ্য হবে। প্লেন অবতরণের সময় এটা আপনাকে বেশ কয়েকবার করতে হতে পারে।
যদি আপনার সাথে নবজাতক শিশু থাকে:

১. প্লেন অবতরণের সময় শিশুটিকে পান করার নিমিত্তে কোন পানিয় দিন। কানে তালা লাগলে বাচ্চারা চাইলেই সে তালা খুলতে পারে না, কিন্তু কোনকিছু চুষে খাওয়া, বা ফিডার খাওয়ার ফলে আপনাতেই সে কৌশলটি তাদের ক্ষেত্রে খেটে যায়।
২. প্লেন অবতরণের আগে আপনার শিশুটিকে জাগিয়ে তুলুন।
কখন ডাক্তার দেখাবেন
১. প্লেন ভ্রমণের কয়েক ঘন্টা পরেও যদি আপনার কান পরিস্কার না হয়, কিংবা কানে বেদনাদায়ক অনুভূতি থেকে যায়।
২. আপনার যদি কিছুদিন পূর্বে কানের সার্জারি করা হয়ে থাকে, এবং আপনি যদি প্লেন ভ্রমণের পরিকল্পনা করে থাকেন। সেক্ষেত্রে ডাক্তারের সাথে আপনার যোগাযোগ করা উচিত। তিনি আপনাকে পরামর্শ দিতে পারবেন যে কত শীঘ্র আপনি প্লেন ভ্রমণ করতে পারবেন।
কীভাবে প্রতিরোধ করবেন
১. আপনি যদি কোন এ্যালার্জিত আক্রান্ত হয়ে থাকেন, কিংবা আপনার ঠাণ্ডা কিংবা সাইনাসের সমস্যা থাকে, সেক্ষেত্রে প্লেন-ভ্রমণের চিন্তা আপনার জন্যে পরিত্যাগ করাই শ্রেয় হবে।
২. যদি সেটা পরিত্যাগ করা আপনার পক্ষে সম্ভব না হয়, সেক্ষেত্রে:
অবতরণের একঘন্টা আগে নাসারন্ধেন্সর বদ্ধতানিরোধক পিল কিংবা নাসারন্ধেন্সর স্প্রে নিয়ে প্লেনে ভ্রমণকারী অনেকেই উপকার পেয়ে থাকেন।
যাদের এ্যালার্জি আছে তারা অবতরণের এক ঘন্টা আগে ওষুধ খেতে পারেন, তবে সে ওষুধ ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খাওয়া উচিত। 
 
Signs and Symptoms

1. Feeling of fullness in the ears.
2. Ringing in the ears.
3. Dizziness.
4. Moderate to acute pain or discomfort inside the ears.
5. Possibly some temporary hearing loss.

What to do now
1. Simply swallowing can help. This makes the muscle active that opens the tube leading to the middle ear. Try this just before and during the plane’s descent; chew gum or suck on candy so you’ll swallow more often. Yawning works the same way. Avoid sleeping during descent.
2. If swallowing and yawning don’t work, try this more active way to unplug your ears:
3. Take a deep breath through your mouth; then hold your nose and try to breathe out gently while keeping your mouth closed. This can help force air through the tubes between your nose and ears. You may have to do this several times during descent.
If you’re flying with an infant:
1. Give your baby something to drink during landing. Babies can’t “Pop” their ears on purpose, but sucking on a bottle may do the trick.
2. Wake your infant prior to descent.
 
When to call a doctor
1. If your ears don’t clear, or if pain persists for several hours after flying.
2. If you’re planning a plane trip and have recently had ear surgery. Consult with your doctor on how soon you may fly safely.

How to prevent it
1. If you have a allergy attack, cold, or sinus infection, it’s best to postpone a plane trip.
2. If you can’t:
Some air travelers find relief by using a decongestant pill or nasal spray about an hour before landing.
People with allergies should take their medication about an hour before landing-but if it’s prescription medicine, follow your
doctor’s directions.