About

.

Thyroid Problems গলগ্রন্থি বা থাইরয়েডের সমস্যা

  লক্ষণ ও উপসর্গ
গলগ্রন্থি:
১. গলার সামনের অংশে হালকা বা তীব্র ব্যথা|
২. কোন কিছু গেলার বা গলাধকরণের সময় ব্যথা হওয়া, কিংবা মাথা ঘুরাবার সময়ে ব্যথা করা।
৩. জ্বর।
হাইপারথাইরয়েডিজম:
১. হৃৎস্পন্দনের গতি বেড়ে যাওয়া|
২. ব্লাড প্রেসার বা রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া, স্নায়ুদৌর্বল্য বা নার্ভাসনেস, অতিরিক্ত ঘাম হওয়া|
৩. খাবারের প্রতি যথেষ্ট আগ্রহ থাকা স্বত্তেও বা আগ্রহ বাড়া স্বত্তেও ওজন কমে যাওয়া|
৪. হাত কাঁপা|
৫. অস্পষ্ট দৃষ্টি এবং জলময় চোখ|
৬. স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি সংখ্যকবার মল ত্যাগ|
৭. মাসিকে অল্প রক্তপাত হওয়া কিংবা কম সংখ্যকবার মাসিক হওয়া|
৮. কখনও কখনও গলগণ্ড বা ঘেগ-এর গলার সমুখভাগে স্ফিত হয়ে ওঠা।
হাইপোথাইরয়েডিজম:
১. অস্বাভাবিক ওজন বৃদ্ধি|
২. তীব্র আলস্য, মানসিক চিন্তায় ধীর গতি।
৩. ঠাণ্ডা আবহাওয়ার প্রতি বেশি সংবেদনশীলতা, এবং হাতে টন টনে ব্যথা বা অসাঢ়তা।
৪. শুষ্ক, আলগা, খুসকির মতো ত্বক এবং চুল পড়া।
৫. কোষ্ঠকাঠিণ্য|
৬. মাসিকে বেশি রক্তপাত হওয়া এবং বেশিদিন যাবৎ মাসিক স্থায়ী থাকা।
৭. কখনও কখনও গলগণ্ড বা ঘেগ-এর গলার সমুখভাগে স্ফিত হয়ে ওঠা।

কখন ডাক্তার দেখাবেন

১. যদি আপনার মধ্যে থাইরয়েডিটিস এর লক্ষণ দেখা যায়।
২. যদি আপনার দিন দিন বেশি ঠাণ্ডা লাগার বোধ হয়, তন্দ্রালু ভাব থাকে, গায়ে শক্তি কম পান, এবং ওজন বৃদ্ধি হয়। সেক্ষেত্রে আপনার গলগ্রন্থি হয়তো স্বাভাবিকের তুলনায় কম সক্রিয়।
৩. যদি আপনার নার্ভাস লাগে বা স্নায়ুদৌর্বল্যে ভোগেন, যদি কম্পিত হন (বিশেষত হাত), যদি ওজন কমে যায়, কিংবা হৃৎস্পন্দনের মাত্রা বেড়ে যায়। সেক্ষেত্রে আপনার গলগ্রন্থি স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি সক্রিয়।
 
Signs and Symptoms


Thyroids:
1. Mild to severe pain in the front of the neck.
2. Pain during swallowing or when turning your head.
3. Fever.
Hyperthyroidism:
1. More rapid heart rate.
2. Rise in blood pressure, nervousness, and excessive perspiration.
3. Weight loss despite an increase in appetite.
4. Trembling hands.
5. Bulging, watery eyes.
6. More frequent bowel movements.
7. Lighter and less frequent menstrual periods.
8. Sometimes a goiter-swelling in the front of the neck.
Hypothyroidism:
1. Unexplained weight gain.
2. Lethargy, slower mental processes.
3. Increased sensitivity to cold, with tingling or numbness in hands.
4. Dry, thick, flaky skin and hair loss.
5. Constipation.
6. Heavier, longer menstrual periods.
7. Sometimes a goiter-swelling in the front of the neck.

When to call a doctor
1. If you have symptoms of thyroiditis.
2. If you feel increasingly cold, drowsy, and low on energy, and you gain weight. You could have an under active thyroid gland.
3. If you feel nervous, tremble (especially your hands), lose weight, and have a rapid pulse. You could have an overactive thyroid gland.

Infections ইনফেকশান বা ঘা

  লক্ষণ ও উপসর্গ
সাধারণ লক্ষন ও উপসর্গসমূহ:
১. ১০০ ডিগ্রী বা তারও বেশি জ্বর (মুখে থার্মোমিটার দিয়ে মাপার পর)|
২. গায়ে কাপুনি এবং ঘাম|
৩. মাথাব্যথা|
৪. অবসাদ|
৫. পেশিতে ব্যথা এবং যন্ত্রণা|
৬. লিম্ফ নোড বা সাদা রক্ত কণিকা তৈরির গ্রন্থিগুলো ফুলে ওঠা।
শ্বাসনালীর ইনফেকশান:
১. কাঁশি এবং হাঁচি হওয়া|
২. সাইনাসে কিংবা বুকে ব্যথা হওয়া|
৩. গলা ব্যথা, কফ জমে বদ্ধ হয়ে থাকা এবং অতিরিক্ত পরিমাণে শ্লেষ্মা|
৪. চোখে প্রায়ই পানি থাকা বা চোখ জলমগ্ন হয়ে থাকা|
মুখের কানের কিংবা চোখের ইনফেকশন:
১. এক জায়গায় ব্যথা বা অস্বস্তি বোধ হওয়া|
২. আক্রান্ত স্থান ফুলে ওঠা, সংবেদনশীলতা এবং অস্বাভাবিকভাবে লাল হয়ে ওঠা।
হাড়ের সংযোগস্থল বা
অস্থিসংযোগের ইনফেকশান:
১. আক্রান্ত
অস্থিসংযোগ লাল হয়ে ওঠা, ফুলে ওঠা, ব্যথা এবং সংবেদনশীলতা, প্রায়ই দেহের কেবল একাংশের অস্থি সংযোগ আক্রান্ত হয়ে থাকে।
অন্ত্রের বা ইনটেস্টাইনের ইনফেকশান:
১. বমি এবং বিতৃষনাবোধ
২. তলপেটে বা উদরে মোচড় দেয়া কিংবা পেটে গ্যাসজনিত ব্যথা হওয়া|
৩. ডায়রিয়া|
৪. পানিস্বল্পতা|
ব্ল্যাডার বা মূত্রথলির ইনফেকশান:
১. বার বার পস্রাব, এবং পস্রাবের সময় ব্যথা ও জ্বালা পোড়া হওয়া।
৩. রক্তের মতো পস্রাব।

কী করা উচিত
১. বিশ্রাম নিন, প্রচুর পানি পান করুন এবং স্বাস্থকর খাবার খান।
২. আপনি যদি ৬৫ বছরের থেকে কম বয়সী হন এবং আপনার সাস্থ যদি ভালো হয়, সেক্ষেত্রে হালকা জ্বর (মুখে থার্মোমিটার দিয়ে মাপার পর - প্রাপ্ত বয়স্কদের ক্ষেত্রে ১০৪ ডিগ্রীর থেকে কম জ্বর, বাচ্চাদের ক্ষেত্রে ১০২ ডিগ্রী জ্বর, এবং তিন মাসেরও কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে ১০০.৪ ডিগ্রীর থেকে কম জ্বর) হলে দু:শ্চিন্তা করবেন না। হালকা জ্বর সাধারণত তেমন কোন বিপদজনক কিছু নয়, বরং সেটা রোগ থেকে দ্রুত সেরে ওঠায় সহায়ক ভূমিকা রাখে।
৩. নিজের শরীরকে সেরে ওঠার সুযোগ করে দিন।
৪. মদ পান এবং ধুমপান থেকে নিজেকে বিরত রাখুন।

কখন ডাক্তার দেখাবেন
১. যদি আপনার গায়ের তাপমাত্রা ১০৪ ডিগ্রী বা তারও বেশি হয়, কিংবা অþিহসংযোগে ব্যথা থাকার সাথে সাথে জ্বর ১০১ ডিগ্রীর মতো বেড়ে যায়, যদি বাচ্চার শরীরের তাপমাত্রা ১০২ বা তারও বেশি হয়, কিংবা তিন মাসের কম বয়সী শিশুর দেহের তাপমাত্রা ১০০.৪ ডিগ্রী বা তারও বেশি হয়ে যায়।
২. যদি আপনার দেহে মারাত্মক কোন ইনফেকশনের লক্ষণ ধরা পড়ে যেমন কথা বলতে, দৃষ্টিতে, কোন কিছু গলাধকরণ করতে, শ্বাস নিতে বা চলাচর করতে ইত্যাদিতে ব্যঘাত ঘটে, বা ঠিকমতো করতে না পারেন।
৩. যদি আপনার ত্বক কোন মানুষ বা যন্তু জানোয়ারের দ্বারা ক্ষত হয়।
৪. যদি আপনার ডায়রিয়া, বমি কিংবা গলা ব্যথা বা এ ধরণের রোগের লক্ষণগুলো থাকে এবং এক দুইদিনের মধ্যে সেগুলো সেরে না গিয়ে বরং আরও খারাপ দিকে মোর নিতে শুরু করে।

কীভাবে প্রতিরোধ করবেন
১. প্রচুর পানি পান করুন এবং স্বাþহকর খাবার খান।
২. নিয়মিত শরীর চর্চা করুন।
৩. বিশ্রাম নিন এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমান|
৪. ধুমপান বা অন্য কোন মাদক সেবন করা থেকে বিরত থাকুন।
৫. মদ পান করবেন না। যদি করতেই হয় তবে পুরুষ  হলে দিনে ২৫০ এম এল এর বেশি মোটেও পান করবেন না, আর নারী হলে ১২৫ এম এল এর বেশি নয়। তবে স্বাþহ সার্বিকভাবে ভালো রাখতে কখনই মদ না খেলে উত্তম, যদি একান্তই সেটা সম্ভব না হয় তবে সপ্তাহে তিন বার মদ পান করবেন এর বেশি নয়।
৬. আপনার হাত বার বার ধুয়ে পরিস্কার রাখবেন, এবং হাত মুখে কিংবা চোখে লাগিয়ে ডলাডলি করবেন না।
৭. খাবার দাবার যেন পরিস্কার þহানে রান্না করা হয়ে থাকে এবং মাংস ইত্যাদি যেন ঠিকমতো সেদ্ধ হয় সেদিকে যত্নশীল হোন। এবং সিলভারের তৈরি বাসন কোসন একজনেরটা অন্যজন ব্যবহার করবেন না।
৮. নিজ দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে অক্ষুণí রাখার চেষ্টা করুন।
৯. নিজের উপর থেকে শারীরিক ও মানসিক চাপ কমাতে সচেষ্ট হোন, কেননা শারীরিক ও মানসিক চাপ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে হন্সাসকরে। ধ্যান, যোগ ব্যায়াম, গভীর শ্বাস নেয়া ইত্যাদি চর্চা করুন।
১০. প্রতি বছর ফ্লু-এর ইঞ্জেকশান নিন।
১১. শৈশবের রোগগুলো প্রতিরোধের জন্যে বাচ্চাদেরকে ঠিক মতো টিকা দিন।
১২. যাদের মাসিক হয় এবং ট্যাম্পুন ব্যবহার করে তারা যেন ট্যাম্পুনগুলো প্রতি ছয় ঘন্টা অন্তর অন্তর বদলে নেয়, কেননা ট্যাম্পুনের মধ্যে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া জন্ম নিতে পারে।
১৩. আপনার শারীরিক গঠনে কোন পরিবর্তন হচ্ছে কি না সেদিকে সজাগ থাকুন - কোন কাটা ছেড়া থেকে কিংবা সর্দি কাশি বা যৌনাঙ্গ দিয়ে কোন অস্বাভাবিক তরলের নির্গমন দেখলে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবþহা গ্রহণ করুন।
১৪. নিরাপদ যৌন মিলনের চর্চা করুন: কেবল একজন সঙ্গি যার প্রতি আপনার আþহা রয়েছে যে সে এই ভাইরাসে আক্রান্ত নয় তার সাথে যৌন মিলনই সবচে নিরাপদ। যদি আপনার একাধিকা ব্যক্তির সাথে যৌন সম্পর্ক থাকে, সেক্ষেত্রে লেটেক্স কনডম ব্যবহার করুন, এমনকি যখন ওরাল সেক্স (মুখ দ্বারা কৃত যৌন চর্চা) করবেন তখনও। এবং ব্যবহৃত কনডম কখনই ব্যবহার করবেন না।
১৫. যে মানুষের যৌন জীবন সম্পর্কে আপনার কোন ধারণা নেই বা যে এইচআইভি-এর পরীক্ষা করতে আগ্রহী নয় তার সাথে অনিরাপদ যৌন মিলনে কখনই অগ্রসর হবেন না।
১৬. এ্যানাল সেক্স বা নিতম্ব দিয়ে যৌন চর্চা থেকে নিজেকে বিরত করুন, কেননা রক্তপাতের কারণে এক্ষেত্রে ঝুঁকি থাকে বেশি।
১৭. জড়িয়ে ধরা, চুম্বন করা (শরীরের যেকোন অংশে), ম্যাসেজ করা এবং স্পর্শ করা নিরাপদ - এতে কোন ভয় নেই।
 
Signs and Symptoms

General signs and symptoms:
1. Fever higher than 100 degrees (oral thermometer reading).
2. Chills and sweating.
3. Headache.
4. Fatigue.
5. Muscle aches or soreness.
6. Swollen lymph nodes.
Respiratory infection:
1. Coughing and sneezing.
2. Sinus or chest pain.
3. Sore throat, congestion, and excess mucus.
4. Watery eyes.
Infection of the mouth, ears, or eyes:
1. Localized pain or irritation.
2. Swelling, tenderness, unusual redness.
Joint infection:
1. Tenderness, pain and redness or inflammation in the joints, often in only one part of the body.
Intestinal infection:
1. Nausea and vomiting.
2. Abdominal cramps or gas pains.
3. Diarrhea.
4. Dehydration.
5. Bladder infection.
6. Painful, burning, and frequent urination.
7. Bloody urine.

What to do now
1. Rest, drink lots of water, and eat healthfully.
2. If you are younger than 65 and in good health, let a low fever (oral thermometer reading – below 104 degrees in adults, 102 in children, and 100.4 in infants under three months) run its course. Low fever is usually not dangerous and may actually speed recovery from the infection.
3. Give your body a chance to recover.
4. Avoid alcohol and smoking.

When to call a doctor
1. If your temperature rises to 104 or higher, or goes over 101 with joint pain; if a child’s body temperature rises to 102 or higher; or an infant’s to 100.4 or higher.
2. If you develop symptoms of severe infection, such as problems speaking, seeing, swallowing, or breathing, or if you have difficulty moving.
3. If your skin has been bruised by a human or animal bite.
4. If you have symptoms such as diarrhea, vomiting, or a sore throat, that persist or worsen after one or two days.

How to prevent it
1. Eat healthy foods, drink plenty of fluids.
2. Exercise regularly.
3. Get enough sleep.
4. Don’t smoke or use drugs.
5. Don’t drink alcohol. If however, you must, don’t take more than 250 ml alcohol in any particular day if you’re man. But if you’re a woman you shouldn’t take more than 125 ml. Don’t drink more than three times a week.
6. Wash your hands frequently, and avoid putting your fingers in your mouth or rubbing your eyes.
E Be sure that meat is cooked is cooked fully and that food is prepared in a clean place. Do not share silverware.
7. Keep your immune system in good working order.
8. Take steps to reduce stress in your life; stress weakens the immune system. Try meditation, yoga, or deep breathing.
9. Get a flu shot yearly.
10. Ask your doctor about immunization against pneumonia.
11. Have your children vaccinated against childhood diseases.
12. Menstruating women should change tampons at least every six hours to avoid incubating harmful bacteria.
13. Keep an eye out for changes in your body-from inflammation around nicks and cuts to a runny nose or genital discharge. Attend to symptoms promptly.
14. Practice safe sex: A sexual relationship with only one person you know to be uninfected is safest. If you have sex with more than one person, use latex condoms, even during oral sex, and never reuse a condom.
15. Don’t have unprotected sex with anyone whose sexual history you don’t know or who isn’t willing to be tested for HIV.
16. Avoid anal sex; it increases your risk because of the chance of bleeding.
17. Hugging, kissing (any part of the body), message, and touching are safe activities.

Hepatitis হেপাটাইটিস

  লক্ষণ ও উপসর্গ
কিছু কিছু ধরনের হেপাটাইটিস-এর কোন লক্ষণ ধরা পড়ে না। আবার অন্যান্য হেপাটাইটিস রোগের শুরুতে যে লক্ষণগুলো দেখা যায় সেগুলো অনেকটা ফ্লু বা ইনফ্লুয়েঞ্জা রোগের লক্ষণের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ:
১. জ্বর
২. বিতৃষäাবোধ এবং বমি|
৩. খাবারের প্রতি অনীহা|
৪. তলপেট বা উদরে ব্যথা|
৫. অবসাদ|
অন্যান্য লক্ষণের মধ্যে রয়েছে:
১. কালো বা গাঢ় পস্রাব|
২. ম্লান এবং কাঁদা রঙ্গের মল|
৩. জন্ডিস - চোখ এবং ত্বক হলুদ হয়ে ওঠা|

কী করা উচিত

১. আপনার যদি হেপাটাইটিসের লক্ষণ ধরা পড়ে সেক্ষেত্রে মদ পান করবেন না। হেপাটাইটিস হবার পরও মদ পান করলে লিভারের ক্ষতির ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।
২. বাড়িতে থাকুন এবং প্রচুর বিশ্রাম গ্রহণ করুন। আপনাকে যে বিছানায় শুয়ে থাকতে হবে এমন নয়, তবে ক্লান্তি অনুভব করলে শুয়ে থাকাই ভালো।
৩. প্রতিদিন অন্তত ১০ গ্লাস পানি পান করুন|

কখন ডাক্তার দেখাবেন

১. প্রথমে উল্লেখিত লক্ষণগুলোর দুটো বা তারও বেশি লক্ষণ যদি আপনার সাথে মিলে যায় কিংবা অন্যান্য লক্ষণগুলোর যে কোন একটির সাথে মিলে যায়; বিশেষত যদি কোন হেপাটাইটিসে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আপনি এসে থাকেন।
২. যদি হেপাটাইটিস থেকে সেরে ওঠার সময় আপনার মধ্যে নতুন কোন লক্ষণ দেখা দেয়।

কীভাবে প্রতিরোধ করবেন

১. বিদেশ গমনের সময় যে দেশে যাচ্ছেন সেই দেশে হেপাটাইটিসের প্রকোপ জেনে নিন, যদি সে দেশে হেপাটাইটিসে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি থাকে সেক্ষেত্রে টিকা নিয়ে নিন।
২. বিদেশে গেলে সেখানে কেবল ফুটানো পানি পান করবেন। খোসা ছাড়ানো কিংবা রান্না না করা ফল বা শাকসব্জি আহার করবেন না।
৩. বার বার আপনার হাত সাবান দিয়ে ধূয়ে ফেলুন।
৪. নিরাপদ যৌন মিলনের চর্চা করুন: কেবল একজন সঙ্গি যার প্রতি আপনার আþহা রয়েছে যে সে এই ভাইরাসে আক্রান্ত নয় তার সাথে যৌন মিলনই সবচে নিরাপদ। যদি আপনার একাধিকা ব্যক্তির সাথে যৌন সম্পর্ক থাকে, সেক্ষেত্রে লেটেক্স কনডম ব্যবহার করুন, এমনকি যখন ওরাল সেক্স (মুখ দ্বারা কৃত যৌন চর্চা) করবেন তখনও। এবং ব্যবহৃত কনডম কখনই ব্যবহার করবেন না।
৫. যে মানুষের যৌন জীবন সম্পর্কে আপনার কোন ধারণা নেই বা যে এইচআইভি-এর পরীক্ষা করতে আগ্রহী নয় তার সাথে অনিরাপদ যৌন মিলনে কখনই অগ্রসর হবেন না।
৬. এ্যানাল সেক্স বা নিতম্ব দিয়ে যৌন চর্চা থেকে নিজেকে বিরত করুন, কেননা রক্তপাতের কারণে এক্ষেত্রে ঝুঁকি থাকে বেশি।
৭. জড়িয়ে ধরা, চুম্বন করা (শরীরের যেকোন অংশে), ম্যাসেজ করা এবং স্পর্শ করা নিরাপদ - এতে কোন ভয় নেই।
৮. মদ পান করবেন না। তবে মদ পানের অভ্যাস থাকলে, যদি পুরুষ হন সেক্ষেত্রে দিনে ২৫০ এম এল এর বেশি মোটেও পান করবেন না, আর নারী হলে ১২৫ এম এল এর বেশি নয়। তবে স্বাþহ সার্বিকভাবে ভালো রাখতে কখনই মদ না খেলে উত্তম, যদি একান্তই সেটা সম্ভব না হয় তবে সপ্তাহে তিন বার মদ পান করবেন এর বেশি নয়।
৯. শিরায় প্রবেশ করিয়ে বা ইঞ্জেকশান দিয়ে নিতে হয় এরকম কোন ওষুধ বা নেশা দ্রব্য নেবেন না।
১০. যখন পায়রসিং, বা ট্যাট্টু আঁকার কাজ বা দেহে আকুপাংচার করবেন তখন নিশ্চিত হয়ে নিন যে এসব কাজে স্টেরিয়ালাইজড নিডল বা সূঁচ ব্যবহার করা হচ্ছে।
১১. যারা ‘এ’ কিংবা ‘ই’ হেপাটাইটিসে আক্রান্ত তাদের কোন খাবার রান্না করা বা অন্যের খাবার স্পর্শ না করাই উত্তম। এবং তাদের বিছানা পত্রও নিয়মিত ধূয়ে পরিস্কার রাখা উচিত।
 
Signs and Symptoms

Some forms of hepatitis produce no symptoms. But in other forms of hepatitis, symptoms that occur in the beginning are flu like:
1. Fever.
2. Nausea and vomiting.
3. Loss of appetite.
4. Abdominal pain.
5. Fatigue.
Other symptoms:
1. Dark urine.
2. Pale, clay-colored stools.
3. Jaundice- yellow eyes and skin.

What to do now
1. Don’t drink alcohol, if you have symptoms of hepatitis. It increases the risk of liver damage.
2. Stay home and get lots of rest. You don’t have to lie in bed, but you should lie down if you feel tired.
3. Drink at least ten glasses of water a day.

When to call a doctor
1. If you have two or more of the first symptoms listed or any of the less common symptoms, especially if you have been exposed to someone with hepatitis.
2. If you are recovering from hepatitis and you start to have symptoms again.

How to prevent it
1. Get vaccinated for hepatitis a if you are going to a foreign country where it’s wide spread.
2. Drink boilded water when traveling abroad. Don’t eat unpeeled or uncooked fruits and vegetables.
3. Wash your hands often with soap.
4. Practice safe sex: A sexual relationship with only one person you know to be uninfected is safest. If you have sex with more than one person, use latex condoms, even during oral sex, and never reuse a condom.
5. Don’t have unprotected sex with anyone whose sexual history you don’t know or who isn’t willing to be tested for HIV.
6. Avoid anal sex; it increases your risk because of the chance of bleeding.
7. Hugging, kissing (any part of the body), message, and touching are safe activities.
8. Don’t drink alcohol. If however, you must don’t take more than 250 ml alcohol in any particular day if you’re man. But if you’re a woman you shouldn’t take more than 125 ml. Don’t drink more than three times a week.
9. Don’t use intravenous drugs.
10. When you like to have piercing, or tattooing, or acupuncture be sure that sterilized needles are used.
11.People infected with A or E hepatitis, shouldn’t touch other’s food or prepare it. Their bedding should be washed regularly.

Diabetes ডায়াবেটিস

   লক্ষণ ও উপসর্গ
১. বার বার পস্রাব হওয়া - মাঝে মধ্যে প্রায় প্রতি ঘন্টায় হওয়া|
২. হঠাৎ করে অজ্ঞাত কারণে দৈহিক ওজন কমে যাওয়া|
৩. পানির তৃষäা বৃদ্ধি পাওয়া কিংবা অতিরিক্ত তৃষনা পাওয়া|
৪. অস্পষ্ট দৃষ্টি শক্তি|
৫. ক্রমাগত অবসাদ|
৬. নারীদের ক্ষেত্রে বার বার ইস্ট বা ছত্রাকঘটিত এবং মূত্রনালী বা ব্ল্যাডারের ইনফেকশন বা সংক্রামক রোগ হওয়া। কখনও কখনও মাসিক না হওয়া।

 কী করা উচিত

১. আপনার যদি মনে হয় যে আপনি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়েছেন সেক্ষেত্রে ডায়াবেটিস-এর বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

২. ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী আপনার খাদ্য তালিকা মেনে চলুন, নিয়মিত শরীর চর্চা করুন এবং দেহের রক্তে সুগার বা চিনির পরিমাণ কি সে সংক্রান্ত তথ্যগুলো পর্যবেক্ষণ করুন।

কখন ডাক্তার দেখাবেন
১. যদি আপনার ক্লান্তি লাগে এবং বিতৃষäাবোধে ভোগেন, কিংবা বার বার তীব্র তেষ্টা পায়, যদি বার বার পস্রাব হয়, শ্বাস প্রশ্বাস দ্রুত হয়ে যায়, কিংবা তলপেটে ব্যথা থাকে।
২. যদি আপনার বার বার তীব্র তেষ্টা পায়, আলস্যে ভোগেন, দুর্বলতা দেখা দেয়, মানসিক বিভ্রান্তির শিকার হন, সেক্ষেত্রে আপনার রক্তে হয়তো চিনির পরিমাণ মারাত্মক ভাবে বেড়ে গিয়েছে, এটা থেকে আপনি কোমা-তেও চলে যেতে পারেন। জরুরী চিকিৎসার শরণাপন্ন হোন।
৩. যদি ডায়াবেটিস-এ আক্রান্ত কোন ব্যক্তি জ্ঞাণ হারায়
৪. যদি আপনার শ্বাসে লক্ষ্যণীয় মিষ্টি গন্ধ থাকে, এবং একই সাথে উপরোক্ত লক্ষণগুলোও থাকে, সেক্ষেত্রে আপনি হয়তো জীবননাশী রোগ কেটোএসিডোসিস-এ আক্রান্ত হয়েছেন।
জরুরী ভিত্তিতে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন যদি:
১. যদি আপনার বা আপনার শিশুর মধ্যে ডায়াবেটিস রোগের লক্ষণ ধরা পড়ে।
২. যদি আপনার ডায়াবেটিস থাকে এবং আপনি ইনফ্লুয়েঞ্জা বা ফ্লুতে আক্রান্ত হন; ফ্লু এবং এ জাতীয় অন্যান্য রোগ গুলো আপনার দেহের রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে যেতে পারে।

কীভাবে প্রতিরোধ করবেন
১. টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিস রোগের কোন প্রতিকার নেই
তবে টাইপ টু ডায়াবেটিস রোগ প্রতিরোধের জন্যে:
১. আপনার বয়স, শরীর, উচ্চতা এবং স্বাþহ অনুযায়ী ওজনটাকে পরিমিত এবং সঠিক রাখার চেষ্টা করুন।
২. নিয়মিত শরীর চর্চা করুন। ডায়াবেটিস থেকে পরিত্রান পাবার জন্যে এবং ডায়াবেটিস হলে সেটাকে নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রে নিয়মিত শরীর চর্চা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৩. আপনি যদি চল্লিশোর্ধ হন, এবং আপনার ওজন যদি শরীরের অনুপাতে বেশি হয় কিংবা যদি আপনার পরিবারের অন্য কারো বা বংশের কারোর ডায়াবেটিস হয়ে থেকে থাকে সেক্ষেত্রে প্রতি এক থেকে তিন বছরে একবার করে ডায়াবেটিস সংক্রান্ত পরীক্ষা করে দেখুন আপনি এ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন কি না।
 
Signs and Symptoms

1. Frequent urination-sometimes almost hourly.
2. Unexplained weight loss.
3. Increased and excessive thirst.
4. Blurred vision.
5. Persistent fatigue.
6. In women, frequent yeast and bladder infections, sometimes missed menses.

What to do now
1. Take advice from a doctor specialized in Diabetes, if you know or suspect that you have diabetes.
2. Follow your doctor’s advice about diet, exercise, and monitoring your blood sugar levels.

When to call a doctor
1. If you feel weak and nauseous, excessively thirsty, are urinating very frequently, rapid breathing, and have abdominal pain.
2. If you experience extreme thirst, lethargy, weakness and mental confusion; you may have dangerously high blood sugar levels that could lead to coma.
3. If a person known to have diabetes loses consciousness.
4. If you have noticeable sweet smelling breath along with the symptoms listed above, you may have ketoacidosis-a life-threatening condition.
Call for an immediate appointment:
1. If you or your child develop symptoms of diabetes.
2. If you have diabetes and you get flu; flu and some other illness can make your blood sugar levels go out of control.

How to prevent it
1. There is no way prevent Type I diabetes.
To prevent Type II diabetes:
1. Keep your weight within the healthy range for your age, height and structure.
2. Exercise regularly. It is very crucial in preventing diabetes or managing it once it occurs.
3. If you are over 40, and overweight, or have a family history of diabetes, check up for diabetes every one to three years.

Chronic Fatigue দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি বা অবসাদ

  লক্ষণ ও উপসর্গ
১. কোন কায়িক শ্রম বা ব্যায়ামজনিত কারণ ছাড়াই অবসাদ বোধ করা এবং দৈনন্দিন কাজকর্মে বাধা সৃষ্টি করা।
২. বিশ্রাম নিলেও অবসাদ দূর হয় না, এবং ছয় মাস বা তারও বেশি সময় যাবৎ এই সমস্যা স্থায়ী হয়।
৩. মধ্যম ধরনের ব্যায়াম চর্চার পরবর্তী ২৪ ঘন্টা বা তারও বেশি সময় ক্লান্তি বা অবসাদ থাকা। কখনও কখনও অবসাদগ্রস্ততা দুই এক দিন পরও দেখা দিতে পারে।
৪. ১০১ ডিগ্রী পর্যন্ত হালকা জ্বর কিংবা কাপুনি|
৫. মাথা ব্যথা, কিন্তু ঠিক গতানুগতিক মাথা ব্যথার মতো নয়।
৬. গলায় ব্যথা|
৭. লিম্ফ নোড বা সাদা রক্ত কণিকা তৈরির গ্রন্থিতে ব্যথা হওয়া|
৮. কোন স্ফীতি বা ফুলে ওঠা বা লাল হয়ে ওঠা ছাড়াই অþিহসংযোগে বা হাড়ের সংযোগþহলে ব্যথা হওয়া এবং ব্যথা ছড়িয়ে পড়া।
৯. দৃষ্টিশক্তিতে সাময়িক ব্যাঘাত ঘটা, কিংবা আলোর প্রতি চোখের সংবেদনশীলতা|
১০. মনোসংযোগ কিংবা কোন বিষয়ে চিন্তা করতে সমস্যা হওয়া। বিভ্রান্তি, অন্যমনস্কতা, এবং অল্পতেই বিরক্ত হয়ে ওঠা|
১১. ঘুমোতে সমস্যা হওয়া।

কী করা উচিত

১. মাথা ব্যথা এবং পেশির ব্যথার জন্যে ইবুপ্রোফেন জাতীয় পেইনকিলার বা ব্যাথা নিরামক ওষুধ সেবন করতে পারেন।
২. শারীরিকভাবে নিজেকে সক্রিয় রাখুন, কিন্তু নিজেকে তীব্র পরিশ্রান্তির দিকে ঠেলে দেবেন না।
কখন ডাক্তার দেখাবেন

১. যদি আপনার মধ্যে ক্রমাগত অবসাদের লক্ষণগুলো দেখা যায় বা সিএফএস (বা ক্রনিক ফ্যাটিগ সিনড্রম) এর লক্ষণ দেখা যায়।
কীভাবে প্রতিরোধ করবেন
১. এই রোগের প্রতিরোধের কোন জানা বা জ্ঞাত ব্যবþহা নেই।
 
Signs and Symptoms

1. Fatigue that is not a result of exertion and that interferes with daily activities.
2. Fatigue not relieved by rest, and continues for six months or longer.
3. More than 24 hours of weakness and fatigue after moderate exercise. Sometimes fatigue occurs one or two days later.
4. Low fever (up to 101 degrees) or chills.
5. Headaches that feel different.
6. Sore throat.
7. Painful lymph nodes.
8. Pains that spread to various joints without causing swelling or redness.
9. Temporary problems with vision and sensitivity to light.
10. Difficulty thinking or concentrating, confusion, absentmindedness, irritability.
11. Difficulty sleeping.

What to do now
1. Take painkillers such as ibuprofen, for headaches and muscle aches.
2. Stay physically active, but not to the point of becoming exhaustion.

When to call a doctor
1. If you have persistent fatigue and other symptoms of CFS.

How to prevent it
1. There is no known way to prevent chronic fatigue syndrome.

Anemia এ্যানেমিয়া বা রক্তাল্পতা

 লক্ষণ ও উপসর্গ

সাধারন লক্ষণ:
১. দুর্বলতা এবং অবসাদ|
২. মলিন ত্বক; মাড়ির, নখের, এবং চোখের পাপড়ীর রঙ  ম্লান হয়ে যাওয়া|
৩. শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা বা দম কমে যাওয়া বা অল্পতেই হাপিয়ে ওঠা|
৪. মাথা ব্যথা, মাথা ঘোরা এবং জ্ঞাণ হারানো|
৫. মনোযোগ দিতে সমস্যা হওয়া।
ভিটামিন বি ১২-এর অভাবজনিত রক্তাল্পতা:
১. উপরে বর্ণিত লক্ষণ ও উপসর্গ এবং সেই সাথে:
২. মুখ এবং জিহ্বায় ব্যথা এবং ফুলে ওঠা।
৩. হাতে এবং পায়ের পাতায় টন টনে ব্যথা হওয়া|
৪. হাটতে এবং শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতে সমস্যা হওয়া|
৫. স্মৃতি শক্তি কমে যাওয়া এবং বিভ্রান্তি|
আইরন বা খনিজ লৌহ-এর অভাবজনিত রক্তাল্পতা:
১. উপরে বর্ণিত লক্ষণ ও উপসর্গ এবং সেই সাথে:
২. ভঙ্গুর নখ|
৩. পায়ুনালীতে রক্তপাতের লক্ষণ হিসেবে কালো কিংবা রক্তাক্ত মল|
ফলিক এসিডের অভাবজতিন রক্তাল্পতা:
১. উপরে বর্ণিত লক্ষণ ও উপসর্গ এবং সেই সাথে:
২. মুখে এবং জিহ্বায় ব্যথা|
৩. তলপেট বা উদর স্ফীতি|
৪. খাবারের প্রতি অনীহা, বিতৃষäাবোধ এবং ডায়রিয়া|

কী করা উচিত

১. যদি আপনার আশঙ্কা হয় যে আপনি রক্তাল্পতায় আক্রান্ত হয়েছেন সেক্ষেত্রে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন। ডাক্তারের পরামর্শ ব্যতিরেকে খনিজ লৌহের অভাব পূরণ করে এরকম ওষুধ বা আয়রন সাপ্লিমেন্ট সেবন করবেন না। খুব বেশি আয়রন সেবনের ফলেও রক্তাল্পতার লক্ষণ দেখা যেতে পারে এবং আপনার অবþহা আরও গুরুতর হয়ে উঠতে পারে।
কখন ডাক্তার দেখাবেন

যদি আপনি ইতোমধ্যেই আয়রন সাপ্লিমেন্ট সেবন শুরু করে থাকেন এবং নিম্নোক্ত লক্ষণগুলো দেখে থাকেন:
১. জ্বর ও বমি|
২. তীব্র আলস্য এবং/বা হৃদরোগের আক্রমণ হয়ে থাকে।
৩. ডায়রিয়ার সাথে রক্তাক্ত মল|
৪. এই লক্ষণগুলো দেখা গেলে আপনার শরীরে আয়রনের আধিক্য দেখা দিয়েছে, এবং এটা মারাত্মক হয়ে উঠতে পারে।
জরুরী ভিত্তিতে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন যদি:
১. রক্তাল্পতার লক্ষণ দেখা দেয়|
২. যদি পুষ্টিজনিত কারণে রক্তাল্পতার চিকিৎসা নোবার দুই সপ্তাহের মধ্যেও আপনার অবþহার কোন উন্নতি না হয়।
কীভাবে প্রতিরোধ করবেন

দেহে বি ১২ ভিটামিনের পর্যাপ্ততার জন্যে:
১. আপনার খাদ্য তালিকায় মাংস, মুরগী, মাছ এবং দুধ জাতীয় তরল খাবারের যোগ করুন।
দেহে যথেষ্ট ফলিক এসিডের সরবরাহ করতে:
১. টক ফল বা সাইট্রাস যুক্ত ফল যেমন (কমলা, আঙ্গুর), সবুজ শাক সব্জি এবং শুকনো সিমের বিচি জাতীয় খাবারগুলো খাবেন। এছাড়া কলিজি, ডিম ও দুধ খাবেন।
২. আপনার মদ পানের অভ্যাস থাকলে, যদি আপনি পুরুষ হন সেক্ষেত্রে দিনে ২৫০ এম এল এর বেশি মোটেও পান করবেন না, আর নারী হলে ১২৫ এম এল এর বেশি নয়। তবে স্বাস্থ সার্বিকভাবে ভালো রাখতে কখনই মদ না খেলে উত্তম, যদি একান্তই সেটা সম্ভব না হয় তবে সপ্তাহে তিন বার মদ পান করবেন এর বেশি নয়। তাছাড়া এলকোহল আপনার দেহের খনিজ লৌহ হজমের ক্ষমতাকে নষ্ট করে দেয়।
৩. যদি আপনি গর্ভবতী নারী হন, কিংবা নার্সিং পেশার সাথে যুক্ত হন কিংবা আপনার মাসিকের সময় যদি খুব বেশি রক্তপাত হয় সেক্ষেত্রে ডাক্তারের সাথে এ বিষয়ে আলাপ করুন।
দেহে খনিজ লৌহের পর্যাপ্ততার জন্যে:
১. খাবার আহার করার সময় চা বা কফি খাবেন না। চা এবং কফিতে এমন উপাদান রয়েছে যেটা দেহকে খাবারের খনিজ লৌহ উপাদান হজমে বাধা দান করে।
২. যেসব খাবারে খনিজ লোহার পরিমাণ বেশি যেমন আলু, কিসমিস, শুকনো বিচি, যব, এবং গুর ইত্যাদি আহার করুন। মাংস, কলিজি এবং সামুদ্রিক মাছ ইত্যাদি আহার করুন।
 

Signs and Symptoms
General symptoms:
1. Weakness and fatigue.
2. Pale skin; paleness of gums, nail beds, and eyelid linings.
3. Shortness of breath.
4. Headaches, dizziness, and fainting.
5. Difficulty concentrating.
Vitamin B 12 deficiency anemia:
1. The symptoms mentioned above and:
2. Sore mouth and tongue.
3. Tingling in hands and feet.
4. Problems with walking and balance.
5. Memory loss and confusion.
Iron deficiency anemia:
1. The symptoms mentioned above and:
1. Fragile nails.
2. Black or bloody stools indicating intestinal bleeding.
Folic acid deficiency anemia:
1. The symptoms mentioned above and:
2. Sore mouth and tongue.
3. Swollen abdomen.
4. Loss of appetite, nausea and diarrhea.

What to do now
1. If you suspect you have anemia, talk to your doctor. Don’t take iron supplements without asking your doctor first. Too much iron can cause symptoms similar to anemia and may worsen your condition.

When to call a doctor
If you have been taking iron supplements and you have these symptoms:
1. Fever, vomiting.
2. Lethargy and/or seizures.
3. Bloody diarrhea.
4. If these symptoms appear you my have iron overload, which can be fatal.
Call for advice and an appointment:
1. If you have symptoms of anemia.
2. If you are being treated for a nutritional anemia and don’t get better in two weeks.

How to prevent it
To have enough vitamin B 12:
1. Include meat, chicken, fish, and/or dairy products in your diet.
To have enough iron folic Acid:
1. Eat plenty of citrus fruits (oranges, grape fruit), green vegetables and dried beans. Eat liver, eggs, and milk.
2. If you drink alcoholic beverages, you shouldn’t take more than 250 ml alcohol in any particular day, but if you’re a woman you shouldn’t take more than 125 ml. But to keep your health good never drink more than three times a week. Alcohol can interfere with the absorb or iron.
3. If you’re pregnant or nursing, or if you have very heavy periods, discuss your diet with your doctor.
To get enough iron:
1. Don’t drink coffee or tea with meals. They contain a substance that makes it hard for your body to absorb iron.
2. Eat plenty of iron-rich foods, including potatoes, raisins, dried beans, oatmeal, and molasses. Eat meat, liver, and shellfish.

Tinnitus টিনিটাস (উদ্ভট শব্দ শ্রবণ)

লক্ষণ ও উপসর্গ

১. সংকেত ধ্বনি, গর্জন, গুঞ্জণ ধ্বনি, ফিসফিসানি, ফোস ফোস শব্দ কিংবা শিষ বাজাবার শব্দ ইত্যাদি শুনতে পাওয়া: যেটা কেবল এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিই শ্রবণ করে থাকে।
২. আক্রান্ত ব্যক্তি এই শব্দগুলো ক্ষণিক বিরতি দিয়ে, কিংবা ক্রমাগত শ্রবণ করতে পারেন, এবং শব্দগুলোও তীব্রতা এবং তীক্ষîতায় বিভিন্ন রকম হয়ে উঠতে পারে। শব্দগুলো তখনই সবচে বেশি লক্ষণীয় হয়ে ওঠে যখন আক্রান্ত ব্যক্তির চারপাশের পরিবেশগত আওয়াজটা ক্ষীণ থাকে।
কী করা উচিত

দীর্ঘþহায়ী টিনিটাসের যদিও কোন প্রতিকার নেই, কিন্তু কিছু চিকিৎসা রয়েছে যেগুলো আক্রান্ত ব্যক্তিকে কিছুটা হলেও স্বস্তি যোগাতে সক্ষম:
১. এই সব শব্দের দরূণ যদি আপনার ঘুমাবার ব্যঘাত ঘটে, সেক্ষেত্রে প্রশান্তিকর সূরের গান সমন্বিত একটা ক্যাসেট কিংবা সিডি ছেড়ে ঘুমোতে পারেন।
২. নিয়মিত ব্যায়াম চর্চা করুন। এর ফলে মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ বেড়ে যাবে, এবং ফলত আপনি কিছুটা স্বস্তি পাবেন।
৩. মদ, ধুমপান, এবং ক্যাফেইন সমৃদ্ধ আহার্য্য পরিত্যাগ করুন। এগুলো টিনিটাসকে আরও খারাপ দিকে ঠেলে দেয়।
৪. টিনিটাস মাস্কার ব্যবহার করে দেখতে পারেন। এটা একটা ছোট বৈদ্যুতিক যন্ত্র, যেটা হেয়ারিং এইড-এর মতো কানে ঢুকিয়ে নিতে হয়, এবং এই যন্ত্রটি থেকে একটা মধূর শব্দ নির্গত হয়, যে শব্দ অস্বস্তিকর শব্দগুলোকে ঢেকে দেয়।

কখন ডাক্তার দেখাবেন

জরুরী ভিত্তিতে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন:
১. যদি হঠাৎ করে সাময়িক কিংবা পুরোপুরি শ্রবণক্ষমতা লোপ পায়।
২. আপনার যদি টিনিটাস রোগ থাকে এবং আপনার যদি মাথা ঘোরার সমস্যা তৈরি হয়।
৩. আপনার যদি টিনিটাস থাকে এবং কানে ব্যথা থাকে কিংবা কান থেকে পূজ জাতীয় বস্তু নির্গত হয়।
৪. যদি এই উদ্ভট শব্দগুলো আপনাকে হতাশাগ্রস্ত এবং বিষাদগ্রস্ত করে তোলে।
৫. আপনার যদি মনে হয় এই টিনিটাস অন্য রোগের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া বা লক্ষণ হিসেবে আপনার মধ্যে জন্ম নিয়েছে।
৬. যদি টিনিটাস আপনার মনোসংযোগ, দৈনন্দিন কাজকর্ম কিংবা ঘুমের ব্যঘাত ঘটায়।

 
কীভাবে প্রতিরোধ করবেন

১. যথেষ্ট পরিমাণে বিশ্রাম গ্রহণ করুন, অতিরিক্ত চাপ নেয়া থেকে নিজেকে বিরত রাখুন, এবং শরীর ও মন শীথিলায়নের বিভিন্ন পদ্ধতিগুলো চর্চা করুন।
২. খাবারে লবনের পরিমাণ কমিয়ে দিন, পারলে পুরোপুরি বন্ধ করে দিন। লবণ খাওয়ার কারণে কানের মধ্যাঞ্চলে তরল পদার্থ জমে যেতে পারে, যেটা প্রকারান্তরে টিনিটাসের ঝুকি বাড়িয়ে দেয়।
৩ যদি খুব উঁচু শব্দের মধ্যে পড়ে যান, সেক্ষেত্রে কানে এয়ারপ্লাগ কিংবা এয়ারমাফ ব্যবহার করতে পারেন। (তবে তুলার গোলাকৃতি পিণ্ড যথেষ্ট পরিমাণে শব্দকে বাধাগ্রþহ করতে পারে না, বরং সেগুলো কানের নলের ভেতরে ঢুকে পড়ার ঝূকি রয়েছে)|
৪. কানে এয়ারফোন পড়ে ভলিউম বেশি বাড়াবেন না।
৫. আপনার ছেলেমেয়েদের শেখান যাতে তারা বুঝতে পারে খুব জোড়ে গান-বাজনা শোনার ফলে কী ক্ষতি হতে পারে। 
 
Signs and Symptoms

1. Noise such as ringing, roaring, buzzing, humming, hissing, or whistling that only you can hear.
2. It can be discontinuous or continuous, and can vary in loudness or pitch. It’s most noticeable when background noise is low.

What to do now
Though there’s no cure for some cases of chronic tinnitus, but there are steps you can take to get relief:
1. Cover the unwanted noise with a tape recording of soothing music or sounds, if you have trouble sleeping.
2. Exercise regularly. This may bring some relief by increasing blood circulation to the head.
3. Avoid alcohol, smoking, and caffeine. They can make tinnitus worse.
4. Try a tinnitus masker, a small electronic instrument, wron in the ear like a hearing aid, that produces a contending but pleasant sound.

When to call a doctor
Call for an immediate appointment:
1. If you have sudden or total hearing loss.
2. If you have tinnitus and dizzy feeling.
3. If you have tinnitus and pain or pus in your ear.
4. If the noise distresses you.
5. If you suspect your tinnitus is the symptom of another health problem.
6. If tinnitus interferes with your concentration, daily activities, or sleep.

How to prevent it
1. Get adequate rest, avoid stress, and practice relaxation techniques.
2. Cut down on salt in your diet. Salt can cause fluid to build up in your middle ear, increasing the risk of tinnitus.
3. Wear earplugs or earmuffs if you are exposed to loud noise. (Cotton balls are not sufficient because they don’t block enough sound. They can also become lodged deep in the canal).
4. Don’t turn up the volume when wearing earphones.
5. Teach your children about the potential damage from loud music.

Swimmer’s Ear ashx সাঁতাড়ুর কানে পানি যাওয়া

লক্ষণ ও উপসর্গ

১. কানে ব্যথা এবং থ্যালথ্যালে অনুভব, বিশেষত মাথা এদিক ওদিক ঘোরাবার সময় এবং কানের লতি টানার সময়।
২. কানের ভেতর অস্বস্তিকর বদ্ধতার অনুভব এবং চুলকানি।
৩. কান থেকে তরল, বাজে গন্ধযুক্ত হলুদ পদার্থের নি:স্বরণ|
৪. কানের ফুটোর কাছে নষ্ট ত্বক|
৫. শ্রবণক্ষমতার সাময়িক হন্সাস, কিংবা ভাঙ্গা ভাঙ্গা শ্রবণানুভব।
 
কী করা উচিত
এই সমস্যা প্রায়ই আপনা থেকেই সেরে যায়। যদি সেটা নাও হয়, তবুও চিকিৎসা করলে দ্রুত এই সমস্যা সেরে ওঠে এবং সাধারণত দুই চারদিনের মধ্যেই এটা ঠিক হয়ে যায়। সেরে ওঠাকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে আপনি নিম্নোক্ত কাজগুলো করতে পারেন:
১. আক্রান্ত কানটিকে শুষ্ক রাখার চেষ্টা করুন। গোসলের সময় এবং চুল ধোয়ার সময় আপনার কানকে পানি থেকে ঢেকে রাখুন। সাঁতাড় থেকে বিরত থাকুন।
২. ডিসপেন্সারি থেকে এন্টিসেপটিক এয়ারড্রপ কিনে ব্যবহার করতে পারেন। আপনার কানে এই ড্রপ প্রবেশ করিয়ে কয়েক মিনিট ওভাবে থাকুন, এবং তারপর মাথা ঝুকিয়ে সেটাকে বেরিয়ে যেতে দিন|
৩. ব্যথা নিরোধে একটুকরো উষä কাপড় কানে জড়িয়ে ধরে রাখতে পারেন। এক্ষেত্রে ডিসপেন্সারির কম্পাউন্ডারের কাছ থেকে এ্যাসপিরিণ বা এসিটামিনোফেন ওষুধ সেবন করলেও লাভবান হতে পারবেন। (তবে ১২ বছর বয়সের নিচে কোন শিশুর যদি চিকেন পক্স, ইনফ্লুয়েঞ্জা, কিংবা অন্যান্য কোন রোগ রয়েছে, এবং সেটা ভাইরাস বাহিত বলে আপনি মনে করেন সেক্ষেত্রে তাকে কোনভাবেই এ্যাসপিরিন দেবেন না।)
কখন ডাক্তার দেখাবেন

১. যদি চার-পাঁচ দিনেরও বেশি সময় যাবৎ নিজস্ব যত্ন এবং চিকিৎসা স্বত্তেও লক্ষণগুলো বজায় থাকে সেক্ষেত্রে, যদিও সচরাচর ঘটে না, কিন্তু এই ক্ষত সংক্রামিত হতে পারে।
২. যদি লক্ষণগুলো দেখা যায়, এবং অতীতে কখনও আপনার কানের পর্দায় আঘাত লেগে থাকে, বা ক্ষত থেকে থাকে, কিংবা কানে যদি অতিতে সার্জারি করা হয়ে থাকে।
৩. প্রায়ই যদি আপনার কানে পানি ঢোকার এই সমস্যা ঘটে, কিংবা ইতিমধ্যেই কানে ঘা সংক্রান্ত কোন রোগ আপনার হয়ে থাকে।
৪. যদি আপনার ডায়াবেটিকস হয়ে থাকে, কিংবা আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গিয়ে থাকে।

কিভাবে প্রতিরোধ করবেন

১. আপনার কানদুটোতে যেন পানি জমতে না পারে সেদিকে যত্ন নিন। সাঁতাড় কাটার সময় এয়ারপ্লাগ পড়ে নিন। এবং সাঁতাড় কাটা শেশ হলে সেটা খুলে ফেলতে ভুলবেন না। স্নানের সময়ও শাওয়ার ক্যাপ পড়ে নিতে পারেন। আপনার কানের চারপাশ এবং ভেতরটা শুকনো নরম কাপড় দিয়ে শুষ্ক করে তুলুন, এবং সমস্যা হলে বাফারড এ্যালকোহল এয়ারড্রপ প্রয়োগ করে কানের ভেতর জমে থাকা অবশিষ্ট পানিটুকুও বাস্পায়িত করুন। এই ওষুধ ডিসপেন্সারিতে পাওয়া যায়।
২. সাতাঁর কাটার আগে আপনার কানে ল্যানোলিন এয়ারড্রপ প্রয়োগ করুন যাতে করে কানে পানি ঢুকে পড়তে না পারে। মাথা ঝুকিয়ে কানের তলদেশ পর্যন্ত এই ড্রপটিকে যেতে দিন, এবং তারপর আবার অন্যদিকে মাথা ঝুকিয়ে পানি সহ তরলটিকে বেড়িয়ে যেতে দিন।
৩. এই রোগের লক্ষণগুলো অপসারিত হবার অর্থাৎ রোগ সারার তিন সপ্তাহের মধ্যে আপনার কানে যেন পূনরায় পানি ঢুকতে না পারে সেদিকে যত্নবান হন, এর ফলে সমস্যাটা দ্বিতীয়বার ঘটা থেকে রেহাই পাবেন।
৪. এই রোগে আক্রান্ত হবার প্রবণতা আপনার মধ্যে থাকলে, কিংবা কানে পানি ঢুকে যাবার সমস্যা যদি আপনার প্রায়শই ঘটে সেক্ষেত্রে এন্টিসেপটিক এয়ারড্রপ ব্যবহার করুন।
৫. কানের ময়লা পরিস্কার করার সময় সাবধান থাকবেন। এমন কোন বস্তু দিয়ে কান পরিস্কার করবেন না, যেটা কানের নলকে ক্ষতিগ্রþহ করতে পারে।
 
Signs and Symptoms

1. Pain and tenderness in the ear, especially when moving your head or gently pulling on your earlobe.
2. Itchy or blocked feeling in the ear.
3. Watery, foul-smelling, or yellowish discharge from the ear.
4. Patches of broken, flaky skin surrounding the opening of the ear.
5.Temporary hearing loss or muffled hearing.

What to do now
Swimmer’s ear often clears up on its own. If not, it responds quickly to treatment and usually disappears within a few days. Here’s what you can do to speed recovery:
1. Keep the infected ear dry. Protect your ears when showering or washing your hair. Avoid swimming.
2. Use over-the-counter antiseptic eardrops. Leave the drops in your ear for a couple of minutes, then tilt your head to let them drain out.
3. Hold a warm compress over the ear to relieve pain. Over-the-counter drugs such as aspirin or acetaminophen may help, too. (Never give aspirin to a child under 12 who has chicken pox, flu, any other illness you suspect of being caused by a virus, such as a bad respiratory infection).
When to call a doctor
1. If symptoms persist after more than four or five days of self-care. It’s rare, but the infection can spread.
2. If you have symptoms and your eardrum has ever ruptured or otherwise been injured, or if you’ve had surgery.
3. If you have frequent bouts of swimmer’s ear or already have an ear infection.
4. If you have diabetes or a weakened immune system.
How to prevent it
1. Try to keep your ears moisture-free. Wear earplugs while swimming. Don’t forget to remove them immediately after and pull a shower cap over your ears for showering. Dry the out over parts of your ears after these activities, and use buffered alcohol eardrops, available in drug stores, to help evaporate remaining water.
2. Squirt lanolin eardrops into your ears before you swim to protect them from the water. Tilt you head so the drops get to the bottom of the ear canal, then let the liquid drain out.
3. Don’t get any water in the ear canal for three weeks after symptoms disappear, to keep the problem from coming back.
4. Use antiseptic eardrops if you get water in your ear and you have a tendency to get simmer’s ear.
5. Be careful when cleaning earwax from your ears. Don’t use any objects that could scratch the ear canal.

Earwax কানের খলি বা এয়ারওয়াক্স

  লক্ষণ ও উপসর্গ
১. কানের ভেতর বদ্ধতা, বা কোনকিছু ঢুকে আছে এমন অনুভব|
২. কানে ঝি ঝি শব্দ হওয়া|
৩. কানে ব্যথা কিংবা অস্বস্তি|
৪. ক্ষণিকের জন্যে আংশিক শ্রবণক্ষমতা লোপ|


কী করা উচিত

প্রাপ্তবয়স্করা নিম্নোক্ত প্রতিকারগুলোর সাহায্য নিতে পারে:
১. কম্পাউন্ডারের কাছ থেকে কানের খলিকে নরম করার তরল ওষুধ কিনে ব্যবহার করতে পারে। কিন্তু যদি কানে কোন ক্ষত হয়ে থাকে বা কানের পর্দায় কোন ক্ষত হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে খলি নরম করার ওষুধ ব্যবহার করবেন না।
২. এক টেবিল চামচ হাইড্রোজেন পার ওক্সাইড সমপরিমাণ উষä পানিতে মিশিয়ে নিন। রাবারের নরম একটা সিরিঞ্জ দিয়ে এই মিশ্রণটি সতর্কতার সাথে ধীরে ধীরে কানের খলির উপর ঢেলে দিন। কিন্তু কানে যদি ব্যথা থাকে, জ্বর থাকে, কিংবা কান থেকে যদি তরল নিসৃত হয়, বা কানের পর্দায় ছোট ছিদ্র থাকে, কিংবা যদি অতিতে কানের সার্জারি করা হয়ে থাকে - সেক্ষেত্রে এই তরল মিশ্রণ ব্যবহার করবেন না। (কখনই তুলার কাঠি (কটোন সোয়াব) দিয়ে কানের খলি বের করার চেষ্টা করবেন না, এতে করে আপনার কানের পর্দা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, কিংবা ঘা-এর জন্ম হতে পারে।)
৩. আপনার মাথা ঝুকিয়ে, বদ্ধ কানের ভেতর এক ড্রপ এক ড্রপ করে কয়েক ফোটা তরল মিশ্রণটি ঢেলে দিন। মাথা একই ভাবে ঝুঁকিয়ে রেখে তিন মিনিটের জন্যে মিশ্রণটিকে সেখানেই থাকতে দিন। এবার অন্যদিকে মাথা ঝুকিয়ে কোন তোয়ালে বা টিস্যু পেপারে তরলটিকে নিসৃত হতে দিন। এতক্ষণে কানের খলিটির যথেষ্ট নরম হয়ে ওঠার কথা, এবং কানের বাইরের অংশে এসে পৌছবার কথা, ফলত সহজেই সেটাকে তুলার কাঠির সাহায্যে বের করে আনা সম্ভব হবে।যদি একবারে না হয়, সেক্ষেত্রে কয়েকবার চেষ্টা করে দেখুন।
৪. যদি খলিটি কোনভাবেই গলতে না চায় সেক্ষেত্রে তরল মিশ্রণটি ঢালার আগে, বরং তিন বা চার ফোটা ক্যাস্টর অয়েল গ্লিসারিণ ব্যবহার করে সেটাকে কিছুটা নরম করে নিতে পারেন। এটাও আপনাকে কয়েকবার করতে হতে পারে।
কখন ডাক্তার দেখাবেন

জরুরী ভিত্তিতে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন:

১. যদি আপনার কোন একটি কানে বা দুটি কানেই হঠাৎ করে শ্রবণক্ষমতার বিলোপ দেখা যায়।
২. যদি আপনার কান থেকে পুজ, ঘন তরল, কিংবা রক্ত বের হয়। এর মানে হলো আপনার কানের ভেতরে ঘা হয়েছে কিংবা আপনার কানের পর্দায় কোন ছিদ্র হয়েছে।
৩. যদি নিজস্ব চেষ্টা এবং চিকিৎসাতেও খলিটি না গলে, সেক্ষেত্রে একজন ডাক্তারের মাধ্যমে খলিটি পরিস্কার করে নিতে হবে।
৪. যদি আপনার শিশুর কান খলির মাধ্যমে বদ্ধ হয়ে গিয়ে থাকে সেক্ষেত্রে নিজে সেটা অপসারণের চেষ্টা করবেন না।


কীভাবে প্রতিরোধ করবেন
১. ধুলো ময়লার ভেতর কাজ করলে নিজের কানে কোন কাপড় বা এয়ারপ্লাগ জড়িয়ে নিন, কেননা ময়লা-ধুলো কানে খলির সৃষ্টি করে।
২. আপনার শিশু যেন নিজের কানে কোন বস্তু ঠেলে না দেয় সেদিকে নজর দিন। কেননা এটাও খলির জন্ম দেয়।
 
Signs and Symptoms
1. Blocked or plugged feeling in ear.
2. Ringing in the ear.
3. Ear pain or discomfort.
4. Temporary, partial hearing loss.

What to do now
Adults can try the following remedies:
1. Over-the-counter liquid earwax softeners can help to loosen earwax. But don’t use wax softeners if you suspect you have an ear infection or eardrum rupture.
2. Add one tablespoon of hydrogen peroxide to an equal amount of warm water. Use a soft rubber bulb syringe to dislodge wax by gently rinsing the ear canal with warm water or a mixture of warm water and hydrogen peroxide. Don’t do this if you have an earache, fever, discharge from your ear, or a perforated eardrum, or if you’ve recently and ear surgery. (Never attempt to remove earwax with a cotton-tipped stick or swab. You can damage your eardrum or cause an infection.)
3. Tilt your head, and put a dropperful of the warmed liquid into your blocked ear. Leave it there for three minutes, keeping your head tilted. Let the liquid run out onto a towel or tissue. The wax should be soft enough to be wiped away from the outer ear with a cotton ball. Repeat if necessary.
4. If the wax is particularly stubborn, soften it up beforehand with three or four drops of castor oil glycerin. You may need to do this several times.
When to call a doctor
Call for an immediate appointment:
1. If you have a sudden or total hearing loss in one or both ears.
2. If your ear secretes pus, fluid, or blood. This indicates an ear infection or a perforated eardrum.
3. If the wax becomes so firmly lodged that home care doesn’t work. You may need to have a doctor clean the ear.
4. If your infant or young child has an earwax blockage. Don’t try to remove the wax yourself.

How to prevent it
1. Try wearing earplugs if you work in dusty conditions, which can trigger wax buildup.
2. Don’t let your child push objects into the ear canal. This can pack the wax in.

Ear Infections কান পঁচা

লক্ষণ ও উপসর্গ

প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে:
১. কান ব্যথা - বিরক্তিকর, একঘেয়ে অবিরাম ব্যথা, কিংবা হঠাৎ করে তীব্র ব্যথা।
২. অস্পষ্ট শ্রবণ।
৩ . মাঝে মধ্যে আরও উপসর্গ থাকে:
একশ বা তার চেয়েও বেশি জ্বর, সম্ভবত কাপন দিয়ে।
৪. কানে পরিপূর্ণ বা থ্যালথ্যালে অনুভব করা|
৫. কান দিয়ে রক্ত বা পূজ নিসৃত হওয়া|
৬. গলা ফুলে ওঠা|
৭. নাক দিয়ে পানি পড়া|
৮. বিতৃষনা বোধ এবং পাতলা পায়খানা|

শিশুদের ক্ষেত্রে, বিশেষত যেসব শিশুরা এখনও ঠিক মতো কথা বলতে শেখেনি, তাদের ক্ষেত্রে:
১. কান সজোরে টানা-টানি|
২. অস্থীরতা
৩. খাবারের প্রতি অনীহা|
৪. অল্পতেই বিরক্তির উদ্রেক|
৫. একশ ডিগ্রী বা তারও অধিক জ্বর|
৬. কান বা নাক থেকে তরলের নিসৃতি|


কী করা উচিত
১. লবন গুলানো পানি দিয়ে গলা গারগল করিয়ে গলার স্ফিতি কমানো এবং একই সাথে কানের বদ্ধতা অপসারণ|
২. কানে উষä তুলা বা নরম কাপড় চেপে ধরে থাকা|
৩. গরম পানি থেকে উদ্ভূত বাস্পের মাঝে শ্বাস নেয়া|
৪. ঘুমাবার সময় বালিশ উঁচু করে নেয়া, যাতে করে মাথা উপরে থাকে। এটা কানের মধ্যভাগ থেকে তরল পদার্থ অপসারণে সাহায্য করে।
৫. কেউ কেউ অবশ্য বদ্ধতানিবারক ভেষজ দ্রব্য সেবন করে কানের এই বদ্ধতাকে অপসারণ করে থাকেন, কিংবা নাসারন্ধেন্সর স্প্রেও একই ভূমিকা রাখতে পারে। এই স্প্রে যদি একাধিক দিন ব্যবহার করা হয় সেক্ষেত্রে বদ্ধতাকে আরও বাড়িয়ে তুলে আপনার অবþহা আরও খারাপ করে তোলার হুমকী দেখা দিতে পারে।
৬. কিছু ওষুধ, যেমন এ্যাসপিরিন, ইবুপ্রফেন কিংবা এসিটামিনোফেন হয়তো কিছুটা আরাম দিতে পারে। (তবে ১২ বছর বয়সের নিচে কোন শিশুর যদি চিকেন পক্স, ইনফ্লুয়েঞ্জা, কিংবা অন্যান্য কোন রোগ রয়েছে, এবং সেটা ভাইরাস বাহিত বলে আপনি মনে করেন সেক্ষেত্রে তাকে কোনভাবেই এ্যাসপিরিন দেবেন না।)
কখন ডাক্তার দেখাবেন
১. যদি আপনার বা আপনার শিশুর কানের ব্যথা দুই দিনের বেশি þহায়ী হয়।
২. আপনার শিশুর যদি কানে ঘা বা এরকম কোন রোগের উপসর্গ দেখা যায়, কিংবা শ্রবণে সমস্যা দেখা যায়।
৩. আপনার কিংবা আপনার শিশুর শরীরের তাপমাত্রা যদি একশ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেডের থেকে বেড়ে যায়।
৪. আপনি বা আপনার শিশুর যদি প্রায়ই কানের রোগে আক্রান্ত হবার প্রবণতা দেখা যায়।

কীভাবে প্রতিরোধ করবেন
১. আপনার ঘর-বাড়ি থেকে এ্যালার্জি সৃষ্টিতে সহায়ক বস্তুগুলোকে সরিয়ে ফেলুন, যেমন: ধুলো, পরিস্কার করার ফ্লুইড, তামাক জাতীয় দ্রব্য।
২. আপনি কিংবা আপনার শিশুটি যদি খাবারের প্রতি এল্যার্জিগ্রস্ত হয় সেক্ষেত্রে, গমের তৈরি খাদ্য সামগ্রী, ভুট্টার তৈরি খাদ্য সামগ্রী এবং অন্যান্য বিশেষ কিছু খাবার যেগুলো এল্যার্জির জন্ম দেয় সেগুলো খাদ্য তালিকা থেকে মুছে ফেলুন।
৩. আপনার শিশুর সাস্থের প্রতি যন্তশীল হন, বিশেষত যদি আপনি তাকে বুকের দুধ থেকে বঞ্চিত রেখে থাকেন, সেক্ষেত্রে।
৪. যেসব বাচ্চারা বোতলে করে আহার করে তাদের মধ্যে কানের রোগে আক্রান্ত হবার প্রবণতা বেশি দেখা যায়। আপনার শিশুটিকে বোতলে করে খাওয়াবার সময় তাকে সোজাভাবে বসিয়ে রাখুন যাতে করে বোতলের দুধ তার নাকে বা কানে গড়িয়ে যেতে না পাড়ে। 
 
Signs and Symptoms

In adults:
1. Earache - either a dull, continuous pain or a sharp, sudden pain.
2. Muffled hearing.
3. Sometimes accompanied by:
Fever of 100 degrees or above, possibly with chills.
4. Full feeling in the ear.
5. Discharge of pus or blood form ear.
6. Sore throat.
7. Stuffy nose.
8. Nausea or diarrhea.
In young children, especially those who aren’t yet talking, watch for:
1. Tugging at the ear.
2. Restlessness.
3. Lack of appetite.
4. Irritability.
5. Fever of 100 digress or above.
6. Discharge from the nose or ear.
 
What to do now
1. Gargle with salt water to soothe a sore throat and help open up blocked ears.
2. Hold a warm compress to your ear.
3. Inhaling steam may also help.
4. Use pillows to raise your head when lying down. This helps drain your middle ear.
5. Some people use decongestant nasal sprays to help unblock the ears. But after a couple of days, sprays can lead to “rebound” congestion, worsening your condition.
6. The drugs such as aspirin, ibuprofen, or acetaminophen may provide some relief. (Never give aspirin to a child under 12 who has chicken pox, flu, or any other illness you suspect of being caused by a virus, such as a bad respiratory infection).

When to call a doctor
1. If you or your child have an earache that lasts more than two days.
2. If your child has symptoms of an ear infection of difficulty hearing.
3. If your or your child’s body temperature rises above 100 degrees.
4. If you or your child frequently development ear infections.

How to prevent it
1. Remove irritants and allergy-causing agents from your home, including dust, cleaning fluids, and tobacco smoke.
2. If you or your child are susceptible to food allergies, cut back on wheat products, corn products, or specific foods that may cause allergic reactions.
3. Pay close attention to your baby’s health, particularly if you are not breast-feeding. Bottle-fed babies are more likely to get ear.
4. infections. Hold your baby upright during bottle-feeding to prevent milk from irritating the tube that connects the back of the nose and the ear.