About

.

Narrowed Arteries ধমনীর সরু হয়ে যাওয়া

 
Signs and Symptoms
 
There may be no symptoms before narrowed arteries have caused significant damage to your health. That’s why prevention and early detection are important. Watch for symptoms of the following:

Stroke:
If you experience unexplained loss of balance, speech, or vision; or the sudden onset of tingling, numbness, or paralysis in a limb.

Heart attack:
If the pain lasts, gets worse, occurs more often, or occurs during rest; this could mean you’re about to have a heart attack.

Heart disease:
Dull chest pain (angina) or simply a feeling of tightness or heavy pressure. It’s usually in the center of the chest but can spread into the arms an jaw. With rest, angina goes away in 30 seconds to five minutes.

Peripheral vascular disease:
1. Weakness, muscle fatigue, or pain in the buttocks or legs during exertion, usually in the calves while walking.
2. Cold feet.
3. Discolored skin, sores that won’t heal, and sudden, sharp pains in the legs or feet during rest.
 
What to Do Now
There is no quick remedy. But long-term changes in lifestyle, including those described below, may slow the progress of the disease or even reverse it.
 
When to Call a Doctor
1. If you feel crushing pain in your chest. This may be accompanied by nausea, vomiting sweating, shortness of breath, weakness or intense feelings of anxiety. You may be having a heart attack.
2. If you have symptoms of peripheral vascular disease such as pain in the legs or feet.
3. If you’ve had chest pain before, but this time it doesn’t go away in 10 to 15 minutes.
4. If you’ve had chest pain before, but it’s getting worse or you have it while resting.
5. If you have any symptoms of a stroke, such as loss of speech or balance, or numbness.

How to Prevent It
1. You can help prevent the problem from developing, slow its progress if it has begun, or perhaps even reverse it by taking the following steps:
2. Include lots of whole grains, fruits, and vegetables in your diet. Go easy on meats, diary products, and processed foods.
3. If you have high blood pressure, take steps to get it under control.
4. Exercise regularly. But check with your doctor before beginning an exercise program, especially if you are at risk for narrowed arteries.
5. Don’t smoke. If you do, quit. Smokers have a much higher risk of narrowed arteries than do nonsmokers.
6. Have your cholesterol level checked, and if it’s too high (more than 200 milligrams per deciliter of blood), work with your doctor to lower it.
7. If you are overweight, take steps to lose the extra pounds.
  লক্ষণ ও উপসর্গ

সরু হয়ে ওঠা ধমনীর কারণে আপনার স্বাþেহর উল্লেখযোগ্য কোন ক্ষতি সাধন না হওয়া পর্যন্ত কোন লক্ষণ আপনি নাও পেতে পারেন। আর এ কারণেই প্রতিষেধ ব্যবþহা গ্রহণ এবং রোগের প্রাথমিক অবþহাতেই একে শনাক্ত করা অত্যন্ত জরুরী। নিম্নোক্ত লক্ষণগুলো আছে কি না ভালো করে যাচাই করুন:



স্ট্রোক:

আপনি যদি কোন কারণ ছাড়াই হঠাৎ করে নিজের শারীরিক নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে অপারগ হয়ে ওঠেন, কিংবা বাক শক্তি, দৃষ্টি শক্তি ইত্যাদি লোপ পায়, কিংবা হঠাৎ করে শরীরে টন টনে ব্যথার উৎপত্তি হয়, কিংবা অসাড়তা বা দেহের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ হঠাৎ অবশ হয়ে যায়।



হার্ট এ্যাটাক:

যদি ব্যথা দীর্ঘক্ষণ ধরে হতে থাকে, এবং ক্রমাগত আরও বাড়তে থাকে, প্রায়ই ব্যথা জেগে ওঠে, কিংবা বিশ্রামের সময় ব্যথা হয়, এর মানে হলো আপনার হয়তো হার্ট এ্যাটাক হতে চলেছে।



হৃদরোগ:

বুকে একঘেয়ে ব্যথা (এ্যানজিনা) কিংবা বুকে চাপ চাপ অনুভূত হওয়া কিংবা তীব্র ভার অনুভব করা। সাধারণত বুকের মাঝখানে এই ব্যথাটা জেগে ওঠে এবং সেটা ক্রমে বাহু কিংবা চোয়ালের দিকে উঠতে থাকে। বিশ্রাম নিলে এই এ্যানজিনা ৩০ সেকেন্ড থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে অপসারিত হয়।



পেরিফেরাল ভাসকিউলার ডিজিজ:

১. দুর্বলতা, পেশিতে অবসাদগ্রস্ততা, কিংবা কোন শারীরিক সক্রিয়তায় নিতম্বে বা পায়ে ব্যথা হওয়া, বিশেষত হাঁটার সময় পায়ে ব্যথা হওয়া।

২. পা ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়া।

৩. ত্বকের রঙ বিবর্ণ হয়ে ওঠা, চামড়ার স্ফিতি যেটা সেরে ওঠে না, এবং বিশ্রামের সময় পায়ে তীব্র ও আকসিôক ব্যথা অনুভব করা।



কী করা উচিত

এই রোগের কোন সহজ এবং তাৎক্ষণিক সমাধান নেই। তবে জীবন যাপন পদ্ধতির দীর্ঘþহায়ী পরিবর্তন সাধনের সাথে সাথে নিম্নোক্ত বিষয়গুলোও যদি যত্ন সহকারে পালন করা হয় সেক্ষেত্রে এই রোগের সংক্রমণ ধীর গতি হয়ে যায়, এমনকি মাঝে মধ্যে পুরোপুরি সেরে যায়।



কখন ডাক্তার দেখাবেন

১. যদি বুকে তীব্র এবং অসহ্য ব্যথা অনুভব করেন। তবে এই ব্যথার উৎপত্তির আগে আপনার মধ্যে বিষাদগ্রস্ততা, বমি এবং ঘামিয়ে ওঠার লক্ষণ দেখা যেতে পারে। সেই সাথে অল্পতেই হাপিয়ে ওঠা, দুর্বলতা, প্রবল দু:শ্চিন্তা ইত্যাদি থাকতে পারে। এই ক্ষেত্রে আপনি হয়তো হার্ট এ্যাটাকে আক্রান্ত হতে চলেছেন।

২. যদি আপনার মধ্যে পেরিফেরাল ভাসকিউলার ডিজিজের লক্ষণগুলো ধরা পড়ে যেমন পায়ে কিংবা পায়ের পাতায় ব্যথা অনুভব করেন।

৩. যদি এর আগে আপনি বুকে প্রায়ই ব্যথা অনুভব করতেন এবং এখন সেই ব্যথা ১০ বা ১৫ মিনিটেও অপসারিত হচ্ছে না।

৪. যদি আগে থেকেই আপনার বুকে ব্যথা থেকে থাকে এবং এটা দিন দিন খারাপের দিকে মোর নেয়, কিংবা বিশ্রামের সময়ও আপনার বুকে ব্যথা জেগে ওঠে।

৫. যদি আপনার মধ্যে স্ট্রোক করার কোন লক্ষণ দেখা যায়, যেমন কথা বলতে অপারগতা, কিংবা শারীরিক নিয়ন্ত্রণ রাখতে ব্যর্থতা কিংবা অসাঢ়তা ইত্যাদি|



কীভাবে প্রতিরোধ করবেন

১. আপনি চাইলে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো সযত্নে পালন করে এই রোগের প্রতিরোধ করতে পারেন, রোগে আক্রান্ত হয়ে গেলে এর অগ্রগতিকে ধীর করে দিতে পারেন, কিংবা হয়তো এই রোগকে পুরোপুরি নিশ্চিহ্নও করে দিতে পারেন, অর্থাৎ রোগটি থেকে পুরোপুরি মুক্তি পেতে পারেন:

২. আপনার খাদ্য তালিকায় প্রচুর পরিমাণ আস্ত খাদ্যকণা, ফল-মূল এবং শাক-সব্জি রাখুন। মাংস, দুধ জাতীয় খাবার এবং রান্না করা খাবার কম খাবেন।

৩. নিয়মিত ব্যায়াম করুন। কিন্তু ব্যায়াম শুরু করার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন, বিশেষত যদি আপনার ধমনী সরু হয়ে ওঠার লক্ষণ থেকে থাকে।

৪. ধুমপান করবেন না। যদি আপনার ধুমপানের বদঅভ্যাস থাকে তবে সেটা পরিত্যগ করুন। অধুমপায়ীদের থেকে ধুমপায়ীদের মধ্যে ধমনীর সরু হয়ে ওঠার আশঙ্কা বা ঝুঁকি অনেক বেশি।

৫. আপনার শরীরের কোলস্টোরেলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখুন। যদি এর পরিমাণ অত্যন্ত বেশি থাকে (রক্তের প্রতি ডেসিলিটারে যদি এর পরিমাণ ২০০ মিলিগ্রামের বেশি থাকে), সেক্ষেত্রে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ ক্রমে কিভাবে এটা কমানো যায় সে উপায় বের করুন।

৬. আপনার ওজন যদি বেশি হয়, সেক্ষেত্রে অতিরিক্ত ওজন কমিয়ে ফেলার চেষ্টা করুন।

Congestive Heart Failure কনজেস্টিভ হার্ট ফেইলার

 
Signs and Symptoms

1. Shortness or breath during even light physical activity or while lying down. This breathlessness might cause wheezing that is mistaken for asthma.
2. Weakness and fatigue.
3. Dull ache or pain in the chest.
4. Need to sleep on more pillows than usual or to sleep sitting up.
5. Swelling in the feet, ankles, and legs.
6. Persistent cough with foamy, blood specked mucus.
7. Irregular or rapid heartbeat.
8. Feeling of abdominal fullness.
9. Weight gain from fluid retention.
10. Frequent need to urinate, especially at night.
11. Swelling of neck veins.
12. Nausea, vomiting, and or loss of appetite.

What to Do Now
1. At first diagnosis the disease.
2. Get plenty of rest. Later, as your symptoms ease, increased physical activity (with your doctor’s consent) will be very important.
3. Eat less salt; it increases fluid retention and swelling.
4. Don’t drink caffeinated beverages; if you’re having heart palpitations, caffeine can make them worse.
5. To make breathing easier when lying down, raise your head by putting a wedge under your mattress or using extra pillows.
6. Put your legs up when sitting.
7. Use elastic support stockings to control swelling in your legs. Ask your pharmacist which kind is most appropriate for you.

When to Call a Doctor
1. If you experience severe chest pain or breathlessness.
2. If you frequently become breathless and exhausted after mild physical activity.
3. If you gain more than a couple of pounds over a few days.
4. If you’re being treated for congestive heart failure and your symptoms get worse.

How to Prevent It
1. Avoid alcohol.
2. Do what you can to prevent the underlying problems, such as high blood pressure or narrowed arteries.
3. If you know you have high blood pressure or heart disease, follow your doctor’s advice about treating the condition.
  লক্ষণ ও উপসর্গ
১. সামান্য শারীরিক পরিশ্রমে কিংবা শুয়ে পড়ার সময় হাপিয়ে ওঠা বা দম ফুরিয়ে যাওয়া। এই রকম হাপিয়ে ওঠার সময় অনেক ক্ষেত্রেই বুকে শন শন শব্দ হতে পারে, যেটাকে প্রায়শই হাপানী বা এ্যাজমা রোগের লক্ষণ বলে ভুল করা হয়।
২. দুর্বলতা এবং অবসাদগ্রস্ততা।
৩. বুকে একঘেয়ে ব্যথা অনুভব করা।
৪. ঘুমাবার সময় সাধারণের তুলনায় বেশি বালিশের প্রয়োজন বোধ করা, কিংবা বসে বসেই ঘুমানো।
৫. পায়ের পাতায়, গোড়ালিতে কিংবা পায়ে ফুলে ওঠা।
৬. ক্রমাগত কাশি হওয়া এবং কাশির সাথে ফেনা ফেনা, রক্ত মাখা শ্লেষ্মার নির্গমন।
৭. অনিয়মিত কিংবা দ্রুততর হার্টবিট বা হৃদস্পন্দন।
৮. তলপেটে চাপ অনুভব করা বা ভরা ভরা অনুভব করা।
৯. তরলের নির্গমন কম হওয়া ও ওজন বৃদ্ধি পাওয়া।
১০. বার বার পস্রাবের চাহিদা, বিশেষত রাত্রিকালিন সময়ে।
১১. গলার রগগুলোর ফুলে ওঠা।
১২. বিষাদগ্রস্ততা, বমি হওয়া, এবং খাবারের প্রতি অনীহা জন্মানো।


কী করা উচিত
১. প্রথমে রোগ আছে কি না সেটা পরীক্ষা করে দেখুন।
২. প্রচুর পরিমাণে বিশ্রাম গ্রহণ করুন। পরে লক্ষণগুলো অপসারিত হতে শুরু করলে (ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে) আপনাকে প্রচুর কায়িক পরিশ্রমের চেষ্টা করতে হবে, এবং সেটা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ।
৩. লবণ কম খাবেন কেননা লবণ বেশি খেলে শরীর পানি বেশি ধারণ করে এবং ফুলে উঠতে শুরু করে।
৪. ক্যাফেইন মিশ্রিত পানীয় পান করবেন না; আর যদি আপনার হার্টের প্যালপিটেশান থাকে সেক্ষেত্রে ক্যাফেইন মিশ্রিত পানীয় পান সেটাকে আরও গুরুতর দিকে ঠেলে দিতে পারে।
৫. ঘুমাবার সময় মাথার নিচে ম্যাট্রেসের তলায় কোনকিছু দিয়ে উঁচু করে নিতে পারেন কিংবা বালিশের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে পারেন।
৬. যখন বসে থাকবেন তখন আপনার পা দুটোকে উপরে উঠিয়ে বসুন।
৭. ইলাস্টিকের তৈরি মোজা ব্যবহার করুন যাতে পায়ে ফুলে উঠলে কিংবা পানি জমলে সমস্যা না হয় এবং সেটা নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফার্মাসিস্টের সাথে পরামর্শ করে কোন ধরনের মোজা পড়া উচিত সে ব্যাপারে পরিস্কার ধারণা নিয়ে নিন।

কখন ডাক্তার দেখাবেন
১. যদি আপনার বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন কিংবা শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, বা শ্বাসরোধ হয়ে আসে।
২. অল্প পরিমাণ শারীরিক সক্রিয়তাতেই যদি আপনি প্রায়ই শ্বাসহীন হয়ে ওঠেন বা হাপিয়ে ওঠেন।
৩. যদি অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই আপনার ওজন কয়েক পাউন্ড বেড়ে যায়।
৪. যদি আপনি কঞ্জেস্টিভ হার্ট ফেইলার রোগের চিকিৎসাধীন থাকেন এবং লক্ষণগুলো আরও খারাপ দিকে ধাবিত হয়।

কীভাবে প্রতিরোধ করবেন
১. মদ পান থেকে দূরে থাকুন।
২. এই রোগের পেছনে যে মূল কারণ রয়েছে যেমন উচ্চ রক্ত চাপ এবং চিকন হয়ে যাওয়া ধমনী ইত্যাদির থেকে পরিত্রাণের জন্যে যা কিছু করা প্রয়োজন সেগুলো পালন করুন।
৩. যদি আপনার উচ্চ রক্ত চাপ থাকে, কিংবা হৃদরোগ থাকে সেক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে রোগের চিকিৎসা করুন।