About

.

Tinnitus টিনিটাস (উদ্ভট শব্দ শ্রবণ)

লক্ষণ ও উপসর্গ

১. সংকেত ধ্বনি, গর্জন, গুঞ্জণ ধ্বনি, ফিসফিসানি, ফোস ফোস শব্দ কিংবা শিষ বাজাবার শব্দ ইত্যাদি শুনতে পাওয়া: যেটা কেবল এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিই শ্রবণ করে থাকে।
২. আক্রান্ত ব্যক্তি এই শব্দগুলো ক্ষণিক বিরতি দিয়ে, কিংবা ক্রমাগত শ্রবণ করতে পারেন, এবং শব্দগুলোও তীব্রতা এবং তীক্ষîতায় বিভিন্ন রকম হয়ে উঠতে পারে। শব্দগুলো তখনই সবচে বেশি লক্ষণীয় হয়ে ওঠে যখন আক্রান্ত ব্যক্তির চারপাশের পরিবেশগত আওয়াজটা ক্ষীণ থাকে।
কী করা উচিত

দীর্ঘþহায়ী টিনিটাসের যদিও কোন প্রতিকার নেই, কিন্তু কিছু চিকিৎসা রয়েছে যেগুলো আক্রান্ত ব্যক্তিকে কিছুটা হলেও স্বস্তি যোগাতে সক্ষম:
১. এই সব শব্দের দরূণ যদি আপনার ঘুমাবার ব্যঘাত ঘটে, সেক্ষেত্রে প্রশান্তিকর সূরের গান সমন্বিত একটা ক্যাসেট কিংবা সিডি ছেড়ে ঘুমোতে পারেন।
২. নিয়মিত ব্যায়াম চর্চা করুন। এর ফলে মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ বেড়ে যাবে, এবং ফলত আপনি কিছুটা স্বস্তি পাবেন।
৩. মদ, ধুমপান, এবং ক্যাফেইন সমৃদ্ধ আহার্য্য পরিত্যাগ করুন। এগুলো টিনিটাসকে আরও খারাপ দিকে ঠেলে দেয়।
৪. টিনিটাস মাস্কার ব্যবহার করে দেখতে পারেন। এটা একটা ছোট বৈদ্যুতিক যন্ত্র, যেটা হেয়ারিং এইড-এর মতো কানে ঢুকিয়ে নিতে হয়, এবং এই যন্ত্রটি থেকে একটা মধূর শব্দ নির্গত হয়, যে শব্দ অস্বস্তিকর শব্দগুলোকে ঢেকে দেয়।

কখন ডাক্তার দেখাবেন

জরুরী ভিত্তিতে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন:
১. যদি হঠাৎ করে সাময়িক কিংবা পুরোপুরি শ্রবণক্ষমতা লোপ পায়।
২. আপনার যদি টিনিটাস রোগ থাকে এবং আপনার যদি মাথা ঘোরার সমস্যা তৈরি হয়।
৩. আপনার যদি টিনিটাস থাকে এবং কানে ব্যথা থাকে কিংবা কান থেকে পূজ জাতীয় বস্তু নির্গত হয়।
৪. যদি এই উদ্ভট শব্দগুলো আপনাকে হতাশাগ্রস্ত এবং বিষাদগ্রস্ত করে তোলে।
৫. আপনার যদি মনে হয় এই টিনিটাস অন্য রোগের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া বা লক্ষণ হিসেবে আপনার মধ্যে জন্ম নিয়েছে।
৬. যদি টিনিটাস আপনার মনোসংযোগ, দৈনন্দিন কাজকর্ম কিংবা ঘুমের ব্যঘাত ঘটায়।

 
কীভাবে প্রতিরোধ করবেন

১. যথেষ্ট পরিমাণে বিশ্রাম গ্রহণ করুন, অতিরিক্ত চাপ নেয়া থেকে নিজেকে বিরত রাখুন, এবং শরীর ও মন শীথিলায়নের বিভিন্ন পদ্ধতিগুলো চর্চা করুন।
২. খাবারে লবনের পরিমাণ কমিয়ে দিন, পারলে পুরোপুরি বন্ধ করে দিন। লবণ খাওয়ার কারণে কানের মধ্যাঞ্চলে তরল পদার্থ জমে যেতে পারে, যেটা প্রকারান্তরে টিনিটাসের ঝুকি বাড়িয়ে দেয়।
৩ যদি খুব উঁচু শব্দের মধ্যে পড়ে যান, সেক্ষেত্রে কানে এয়ারপ্লাগ কিংবা এয়ারমাফ ব্যবহার করতে পারেন। (তবে তুলার গোলাকৃতি পিণ্ড যথেষ্ট পরিমাণে শব্দকে বাধাগ্রþহ করতে পারে না, বরং সেগুলো কানের নলের ভেতরে ঢুকে পড়ার ঝূকি রয়েছে)|
৪. কানে এয়ারফোন পড়ে ভলিউম বেশি বাড়াবেন না।
৫. আপনার ছেলেমেয়েদের শেখান যাতে তারা বুঝতে পারে খুব জোড়ে গান-বাজনা শোনার ফলে কী ক্ষতি হতে পারে। 
 
Signs and Symptoms

1. Noise such as ringing, roaring, buzzing, humming, hissing, or whistling that only you can hear.
2. It can be discontinuous or continuous, and can vary in loudness or pitch. It’s most noticeable when background noise is low.

What to do now
Though there’s no cure for some cases of chronic tinnitus, but there are steps you can take to get relief:
1. Cover the unwanted noise with a tape recording of soothing music or sounds, if you have trouble sleeping.
2. Exercise regularly. This may bring some relief by increasing blood circulation to the head.
3. Avoid alcohol, smoking, and caffeine. They can make tinnitus worse.
4. Try a tinnitus masker, a small electronic instrument, wron in the ear like a hearing aid, that produces a contending but pleasant sound.

When to call a doctor
Call for an immediate appointment:
1. If you have sudden or total hearing loss.
2. If you have tinnitus and dizzy feeling.
3. If you have tinnitus and pain or pus in your ear.
4. If the noise distresses you.
5. If you suspect your tinnitus is the symptom of another health problem.
6. If tinnitus interferes with your concentration, daily activities, or sleep.

How to prevent it
1. Get adequate rest, avoid stress, and practice relaxation techniques.
2. Cut down on salt in your diet. Salt can cause fluid to build up in your middle ear, increasing the risk of tinnitus.
3. Wear earplugs or earmuffs if you are exposed to loud noise. (Cotton balls are not sufficient because they don’t block enough sound. They can also become lodged deep in the canal).
4. Don’t turn up the volume when wearing earphones.
5. Teach your children about the potential damage from loud music.

Swimmer’s Ear ashx সাঁতাড়ুর কানে পানি যাওয়া

লক্ষণ ও উপসর্গ

১. কানে ব্যথা এবং থ্যালথ্যালে অনুভব, বিশেষত মাথা এদিক ওদিক ঘোরাবার সময় এবং কানের লতি টানার সময়।
২. কানের ভেতর অস্বস্তিকর বদ্ধতার অনুভব এবং চুলকানি।
৩. কান থেকে তরল, বাজে গন্ধযুক্ত হলুদ পদার্থের নি:স্বরণ|
৪. কানের ফুটোর কাছে নষ্ট ত্বক|
৫. শ্রবণক্ষমতার সাময়িক হন্সাস, কিংবা ভাঙ্গা ভাঙ্গা শ্রবণানুভব।
 
কী করা উচিত
এই সমস্যা প্রায়ই আপনা থেকেই সেরে যায়। যদি সেটা নাও হয়, তবুও চিকিৎসা করলে দ্রুত এই সমস্যা সেরে ওঠে এবং সাধারণত দুই চারদিনের মধ্যেই এটা ঠিক হয়ে যায়। সেরে ওঠাকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে আপনি নিম্নোক্ত কাজগুলো করতে পারেন:
১. আক্রান্ত কানটিকে শুষ্ক রাখার চেষ্টা করুন। গোসলের সময় এবং চুল ধোয়ার সময় আপনার কানকে পানি থেকে ঢেকে রাখুন। সাঁতাড় থেকে বিরত থাকুন।
২. ডিসপেন্সারি থেকে এন্টিসেপটিক এয়ারড্রপ কিনে ব্যবহার করতে পারেন। আপনার কানে এই ড্রপ প্রবেশ করিয়ে কয়েক মিনিট ওভাবে থাকুন, এবং তারপর মাথা ঝুকিয়ে সেটাকে বেরিয়ে যেতে দিন|
৩. ব্যথা নিরোধে একটুকরো উষä কাপড় কানে জড়িয়ে ধরে রাখতে পারেন। এক্ষেত্রে ডিসপেন্সারির কম্পাউন্ডারের কাছ থেকে এ্যাসপিরিণ বা এসিটামিনোফেন ওষুধ সেবন করলেও লাভবান হতে পারবেন। (তবে ১২ বছর বয়সের নিচে কোন শিশুর যদি চিকেন পক্স, ইনফ্লুয়েঞ্জা, কিংবা অন্যান্য কোন রোগ রয়েছে, এবং সেটা ভাইরাস বাহিত বলে আপনি মনে করেন সেক্ষেত্রে তাকে কোনভাবেই এ্যাসপিরিন দেবেন না।)
কখন ডাক্তার দেখাবেন

১. যদি চার-পাঁচ দিনেরও বেশি সময় যাবৎ নিজস্ব যত্ন এবং চিকিৎসা স্বত্তেও লক্ষণগুলো বজায় থাকে সেক্ষেত্রে, যদিও সচরাচর ঘটে না, কিন্তু এই ক্ষত সংক্রামিত হতে পারে।
২. যদি লক্ষণগুলো দেখা যায়, এবং অতীতে কখনও আপনার কানের পর্দায় আঘাত লেগে থাকে, বা ক্ষত থেকে থাকে, কিংবা কানে যদি অতিতে সার্জারি করা হয়ে থাকে।
৩. প্রায়ই যদি আপনার কানে পানি ঢোকার এই সমস্যা ঘটে, কিংবা ইতিমধ্যেই কানে ঘা সংক্রান্ত কোন রোগ আপনার হয়ে থাকে।
৪. যদি আপনার ডায়াবেটিকস হয়ে থাকে, কিংবা আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গিয়ে থাকে।

কিভাবে প্রতিরোধ করবেন

১. আপনার কানদুটোতে যেন পানি জমতে না পারে সেদিকে যত্ন নিন। সাঁতাড় কাটার সময় এয়ারপ্লাগ পড়ে নিন। এবং সাঁতাড় কাটা শেশ হলে সেটা খুলে ফেলতে ভুলবেন না। স্নানের সময়ও শাওয়ার ক্যাপ পড়ে নিতে পারেন। আপনার কানের চারপাশ এবং ভেতরটা শুকনো নরম কাপড় দিয়ে শুষ্ক করে তুলুন, এবং সমস্যা হলে বাফারড এ্যালকোহল এয়ারড্রপ প্রয়োগ করে কানের ভেতর জমে থাকা অবশিষ্ট পানিটুকুও বাস্পায়িত করুন। এই ওষুধ ডিসপেন্সারিতে পাওয়া যায়।
২. সাতাঁর কাটার আগে আপনার কানে ল্যানোলিন এয়ারড্রপ প্রয়োগ করুন যাতে করে কানে পানি ঢুকে পড়তে না পারে। মাথা ঝুকিয়ে কানের তলদেশ পর্যন্ত এই ড্রপটিকে যেতে দিন, এবং তারপর আবার অন্যদিকে মাথা ঝুকিয়ে পানি সহ তরলটিকে বেড়িয়ে যেতে দিন।
৩. এই রোগের লক্ষণগুলো অপসারিত হবার অর্থাৎ রোগ সারার তিন সপ্তাহের মধ্যে আপনার কানে যেন পূনরায় পানি ঢুকতে না পারে সেদিকে যত্নবান হন, এর ফলে সমস্যাটা দ্বিতীয়বার ঘটা থেকে রেহাই পাবেন।
৪. এই রোগে আক্রান্ত হবার প্রবণতা আপনার মধ্যে থাকলে, কিংবা কানে পানি ঢুকে যাবার সমস্যা যদি আপনার প্রায়শই ঘটে সেক্ষেত্রে এন্টিসেপটিক এয়ারড্রপ ব্যবহার করুন।
৫. কানের ময়লা পরিস্কার করার সময় সাবধান থাকবেন। এমন কোন বস্তু দিয়ে কান পরিস্কার করবেন না, যেটা কানের নলকে ক্ষতিগ্রþহ করতে পারে।
 
Signs and Symptoms

1. Pain and tenderness in the ear, especially when moving your head or gently pulling on your earlobe.
2. Itchy or blocked feeling in the ear.
3. Watery, foul-smelling, or yellowish discharge from the ear.
4. Patches of broken, flaky skin surrounding the opening of the ear.
5.Temporary hearing loss or muffled hearing.

What to do now
Swimmer’s ear often clears up on its own. If not, it responds quickly to treatment and usually disappears within a few days. Here’s what you can do to speed recovery:
1. Keep the infected ear dry. Protect your ears when showering or washing your hair. Avoid swimming.
2. Use over-the-counter antiseptic eardrops. Leave the drops in your ear for a couple of minutes, then tilt your head to let them drain out.
3. Hold a warm compress over the ear to relieve pain. Over-the-counter drugs such as aspirin or acetaminophen may help, too. (Never give aspirin to a child under 12 who has chicken pox, flu, any other illness you suspect of being caused by a virus, such as a bad respiratory infection).
When to call a doctor
1. If symptoms persist after more than four or five days of self-care. It’s rare, but the infection can spread.
2. If you have symptoms and your eardrum has ever ruptured or otherwise been injured, or if you’ve had surgery.
3. If you have frequent bouts of swimmer’s ear or already have an ear infection.
4. If you have diabetes or a weakened immune system.
How to prevent it
1. Try to keep your ears moisture-free. Wear earplugs while swimming. Don’t forget to remove them immediately after and pull a shower cap over your ears for showering. Dry the out over parts of your ears after these activities, and use buffered alcohol eardrops, available in drug stores, to help evaporate remaining water.
2. Squirt lanolin eardrops into your ears before you swim to protect them from the water. Tilt you head so the drops get to the bottom of the ear canal, then let the liquid drain out.
3. Don’t get any water in the ear canal for three weeks after symptoms disappear, to keep the problem from coming back.
4. Use antiseptic eardrops if you get water in your ear and you have a tendency to get simmer’s ear.
5. Be careful when cleaning earwax from your ears. Don’t use any objects that could scratch the ear canal.

Earwax কানের খলি বা এয়ারওয়াক্স

  লক্ষণ ও উপসর্গ
১. কানের ভেতর বদ্ধতা, বা কোনকিছু ঢুকে আছে এমন অনুভব|
২. কানে ঝি ঝি শব্দ হওয়া|
৩. কানে ব্যথা কিংবা অস্বস্তি|
৪. ক্ষণিকের জন্যে আংশিক শ্রবণক্ষমতা লোপ|


কী করা উচিত

প্রাপ্তবয়স্করা নিম্নোক্ত প্রতিকারগুলোর সাহায্য নিতে পারে:
১. কম্পাউন্ডারের কাছ থেকে কানের খলিকে নরম করার তরল ওষুধ কিনে ব্যবহার করতে পারে। কিন্তু যদি কানে কোন ক্ষত হয়ে থাকে বা কানের পর্দায় কোন ক্ষত হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে খলি নরম করার ওষুধ ব্যবহার করবেন না।
২. এক টেবিল চামচ হাইড্রোজেন পার ওক্সাইড সমপরিমাণ উষä পানিতে মিশিয়ে নিন। রাবারের নরম একটা সিরিঞ্জ দিয়ে এই মিশ্রণটি সতর্কতার সাথে ধীরে ধীরে কানের খলির উপর ঢেলে দিন। কিন্তু কানে যদি ব্যথা থাকে, জ্বর থাকে, কিংবা কান থেকে যদি তরল নিসৃত হয়, বা কানের পর্দায় ছোট ছিদ্র থাকে, কিংবা যদি অতিতে কানের সার্জারি করা হয়ে থাকে - সেক্ষেত্রে এই তরল মিশ্রণ ব্যবহার করবেন না। (কখনই তুলার কাঠি (কটোন সোয়াব) দিয়ে কানের খলি বের করার চেষ্টা করবেন না, এতে করে আপনার কানের পর্দা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, কিংবা ঘা-এর জন্ম হতে পারে।)
৩. আপনার মাথা ঝুকিয়ে, বদ্ধ কানের ভেতর এক ড্রপ এক ড্রপ করে কয়েক ফোটা তরল মিশ্রণটি ঢেলে দিন। মাথা একই ভাবে ঝুঁকিয়ে রেখে তিন মিনিটের জন্যে মিশ্রণটিকে সেখানেই থাকতে দিন। এবার অন্যদিকে মাথা ঝুকিয়ে কোন তোয়ালে বা টিস্যু পেপারে তরলটিকে নিসৃত হতে দিন। এতক্ষণে কানের খলিটির যথেষ্ট নরম হয়ে ওঠার কথা, এবং কানের বাইরের অংশে এসে পৌছবার কথা, ফলত সহজেই সেটাকে তুলার কাঠির সাহায্যে বের করে আনা সম্ভব হবে।যদি একবারে না হয়, সেক্ষেত্রে কয়েকবার চেষ্টা করে দেখুন।
৪. যদি খলিটি কোনভাবেই গলতে না চায় সেক্ষেত্রে তরল মিশ্রণটি ঢালার আগে, বরং তিন বা চার ফোটা ক্যাস্টর অয়েল গ্লিসারিণ ব্যবহার করে সেটাকে কিছুটা নরম করে নিতে পারেন। এটাও আপনাকে কয়েকবার করতে হতে পারে।
কখন ডাক্তার দেখাবেন

জরুরী ভিত্তিতে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন:

১. যদি আপনার কোন একটি কানে বা দুটি কানেই হঠাৎ করে শ্রবণক্ষমতার বিলোপ দেখা যায়।
২. যদি আপনার কান থেকে পুজ, ঘন তরল, কিংবা রক্ত বের হয়। এর মানে হলো আপনার কানের ভেতরে ঘা হয়েছে কিংবা আপনার কানের পর্দায় কোন ছিদ্র হয়েছে।
৩. যদি নিজস্ব চেষ্টা এবং চিকিৎসাতেও খলিটি না গলে, সেক্ষেত্রে একজন ডাক্তারের মাধ্যমে খলিটি পরিস্কার করে নিতে হবে।
৪. যদি আপনার শিশুর কান খলির মাধ্যমে বদ্ধ হয়ে গিয়ে থাকে সেক্ষেত্রে নিজে সেটা অপসারণের চেষ্টা করবেন না।


কীভাবে প্রতিরোধ করবেন
১. ধুলো ময়লার ভেতর কাজ করলে নিজের কানে কোন কাপড় বা এয়ারপ্লাগ জড়িয়ে নিন, কেননা ময়লা-ধুলো কানে খলির সৃষ্টি করে।
২. আপনার শিশু যেন নিজের কানে কোন বস্তু ঠেলে না দেয় সেদিকে নজর দিন। কেননা এটাও খলির জন্ম দেয়।
 
Signs and Symptoms
1. Blocked or plugged feeling in ear.
2. Ringing in the ear.
3. Ear pain or discomfort.
4. Temporary, partial hearing loss.

What to do now
Adults can try the following remedies:
1. Over-the-counter liquid earwax softeners can help to loosen earwax. But don’t use wax softeners if you suspect you have an ear infection or eardrum rupture.
2. Add one tablespoon of hydrogen peroxide to an equal amount of warm water. Use a soft rubber bulb syringe to dislodge wax by gently rinsing the ear canal with warm water or a mixture of warm water and hydrogen peroxide. Don’t do this if you have an earache, fever, discharge from your ear, or a perforated eardrum, or if you’ve recently and ear surgery. (Never attempt to remove earwax with a cotton-tipped stick or swab. You can damage your eardrum or cause an infection.)
3. Tilt your head, and put a dropperful of the warmed liquid into your blocked ear. Leave it there for three minutes, keeping your head tilted. Let the liquid run out onto a towel or tissue. The wax should be soft enough to be wiped away from the outer ear with a cotton ball. Repeat if necessary.
4. If the wax is particularly stubborn, soften it up beforehand with three or four drops of castor oil glycerin. You may need to do this several times.
When to call a doctor
Call for an immediate appointment:
1. If you have a sudden or total hearing loss in one or both ears.
2. If your ear secretes pus, fluid, or blood. This indicates an ear infection or a perforated eardrum.
3. If the wax becomes so firmly lodged that home care doesn’t work. You may need to have a doctor clean the ear.
4. If your infant or young child has an earwax blockage. Don’t try to remove the wax yourself.

How to prevent it
1. Try wearing earplugs if you work in dusty conditions, which can trigger wax buildup.
2. Don’t let your child push objects into the ear canal. This can pack the wax in.

Ear Infections কান পঁচা

লক্ষণ ও উপসর্গ

প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে:
১. কান ব্যথা - বিরক্তিকর, একঘেয়ে অবিরাম ব্যথা, কিংবা হঠাৎ করে তীব্র ব্যথা।
২. অস্পষ্ট শ্রবণ।
৩ . মাঝে মধ্যে আরও উপসর্গ থাকে:
একশ বা তার চেয়েও বেশি জ্বর, সম্ভবত কাপন দিয়ে।
৪. কানে পরিপূর্ণ বা থ্যালথ্যালে অনুভব করা|
৫. কান দিয়ে রক্ত বা পূজ নিসৃত হওয়া|
৬. গলা ফুলে ওঠা|
৭. নাক দিয়ে পানি পড়া|
৮. বিতৃষনা বোধ এবং পাতলা পায়খানা|

শিশুদের ক্ষেত্রে, বিশেষত যেসব শিশুরা এখনও ঠিক মতো কথা বলতে শেখেনি, তাদের ক্ষেত্রে:
১. কান সজোরে টানা-টানি|
২. অস্থীরতা
৩. খাবারের প্রতি অনীহা|
৪. অল্পতেই বিরক্তির উদ্রেক|
৫. একশ ডিগ্রী বা তারও অধিক জ্বর|
৬. কান বা নাক থেকে তরলের নিসৃতি|


কী করা উচিত
১. লবন গুলানো পানি দিয়ে গলা গারগল করিয়ে গলার স্ফিতি কমানো এবং একই সাথে কানের বদ্ধতা অপসারণ|
২. কানে উষä তুলা বা নরম কাপড় চেপে ধরে থাকা|
৩. গরম পানি থেকে উদ্ভূত বাস্পের মাঝে শ্বাস নেয়া|
৪. ঘুমাবার সময় বালিশ উঁচু করে নেয়া, যাতে করে মাথা উপরে থাকে। এটা কানের মধ্যভাগ থেকে তরল পদার্থ অপসারণে সাহায্য করে।
৫. কেউ কেউ অবশ্য বদ্ধতানিবারক ভেষজ দ্রব্য সেবন করে কানের এই বদ্ধতাকে অপসারণ করে থাকেন, কিংবা নাসারন্ধেন্সর স্প্রেও একই ভূমিকা রাখতে পারে। এই স্প্রে যদি একাধিক দিন ব্যবহার করা হয় সেক্ষেত্রে বদ্ধতাকে আরও বাড়িয়ে তুলে আপনার অবþহা আরও খারাপ করে তোলার হুমকী দেখা দিতে পারে।
৬. কিছু ওষুধ, যেমন এ্যাসপিরিন, ইবুপ্রফেন কিংবা এসিটামিনোফেন হয়তো কিছুটা আরাম দিতে পারে। (তবে ১২ বছর বয়সের নিচে কোন শিশুর যদি চিকেন পক্স, ইনফ্লুয়েঞ্জা, কিংবা অন্যান্য কোন রোগ রয়েছে, এবং সেটা ভাইরাস বাহিত বলে আপনি মনে করেন সেক্ষেত্রে তাকে কোনভাবেই এ্যাসপিরিন দেবেন না।)
কখন ডাক্তার দেখাবেন
১. যদি আপনার বা আপনার শিশুর কানের ব্যথা দুই দিনের বেশি þহায়ী হয়।
২. আপনার শিশুর যদি কানে ঘা বা এরকম কোন রোগের উপসর্গ দেখা যায়, কিংবা শ্রবণে সমস্যা দেখা যায়।
৩. আপনার কিংবা আপনার শিশুর শরীরের তাপমাত্রা যদি একশ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেডের থেকে বেড়ে যায়।
৪. আপনি বা আপনার শিশুর যদি প্রায়ই কানের রোগে আক্রান্ত হবার প্রবণতা দেখা যায়।

কীভাবে প্রতিরোধ করবেন
১. আপনার ঘর-বাড়ি থেকে এ্যালার্জি সৃষ্টিতে সহায়ক বস্তুগুলোকে সরিয়ে ফেলুন, যেমন: ধুলো, পরিস্কার করার ফ্লুইড, তামাক জাতীয় দ্রব্য।
২. আপনি কিংবা আপনার শিশুটি যদি খাবারের প্রতি এল্যার্জিগ্রস্ত হয় সেক্ষেত্রে, গমের তৈরি খাদ্য সামগ্রী, ভুট্টার তৈরি খাদ্য সামগ্রী এবং অন্যান্য বিশেষ কিছু খাবার যেগুলো এল্যার্জির জন্ম দেয় সেগুলো খাদ্য তালিকা থেকে মুছে ফেলুন।
৩. আপনার শিশুর সাস্থের প্রতি যন্তশীল হন, বিশেষত যদি আপনি তাকে বুকের দুধ থেকে বঞ্চিত রেখে থাকেন, সেক্ষেত্রে।
৪. যেসব বাচ্চারা বোতলে করে আহার করে তাদের মধ্যে কানের রোগে আক্রান্ত হবার প্রবণতা বেশি দেখা যায়। আপনার শিশুটিকে বোতলে করে খাওয়াবার সময় তাকে সোজাভাবে বসিয়ে রাখুন যাতে করে বোতলের দুধ তার নাকে বা কানে গড়িয়ে যেতে না পাড়ে। 
 
Signs and Symptoms

In adults:
1. Earache - either a dull, continuous pain or a sharp, sudden pain.
2. Muffled hearing.
3. Sometimes accompanied by:
Fever of 100 degrees or above, possibly with chills.
4. Full feeling in the ear.
5. Discharge of pus or blood form ear.
6. Sore throat.
7. Stuffy nose.
8. Nausea or diarrhea.
In young children, especially those who aren’t yet talking, watch for:
1. Tugging at the ear.
2. Restlessness.
3. Lack of appetite.
4. Irritability.
5. Fever of 100 digress or above.
6. Discharge from the nose or ear.
 
What to do now
1. Gargle with salt water to soothe a sore throat and help open up blocked ears.
2. Hold a warm compress to your ear.
3. Inhaling steam may also help.
4. Use pillows to raise your head when lying down. This helps drain your middle ear.
5. Some people use decongestant nasal sprays to help unblock the ears. But after a couple of days, sprays can lead to “rebound” congestion, worsening your condition.
6. The drugs such as aspirin, ibuprofen, or acetaminophen may provide some relief. (Never give aspirin to a child under 12 who has chicken pox, flu, or any other illness you suspect of being caused by a virus, such as a bad respiratory infection).

When to call a doctor
1. If you or your child have an earache that lasts more than two days.
2. If your child has symptoms of an ear infection of difficulty hearing.
3. If your or your child’s body temperature rises above 100 degrees.
4. If you or your child frequently development ear infections.

How to prevent it
1. Remove irritants and allergy-causing agents from your home, including dust, cleaning fluids, and tobacco smoke.
2. If you or your child are susceptible to food allergies, cut back on wheat products, corn products, or specific foods that may cause allergic reactions.
3. Pay close attention to your baby’s health, particularly if you are not breast-feeding. Bottle-fed babies are more likely to get ear.
4. infections. Hold your baby upright during bottle-feeding to prevent milk from irritating the tube that connects the back of the nose and the ear.

Airplane Ears প্লেনে ভ্রমণের সময় কানের সমস্যা

লক্ষণ ও উপসর্গ

১. কানদুটোতে তালা লেগে যাওয়া|
২. কানে ঝিম ঝিম অনুভব করা|
৩. মাথা ঘোরা|
৪. কানের ভেতরে মাঝারি কিংবা তীব্র ব্যথা অনুভব করা|
৫. সম্ভবত ক্ষণিকের জন্যে শ্রবণ ক্ষমতা বিলুপ্ত হওয়া|

 কী করা উচিত
১. ঢোক গেলার চেষ্টাই সহজে এই সমস্যার সমাধান করতে পারে। ঢোক গেলার ফলে কানের মধ্যাংশের দিকে ধাবিত নলকে খুলে দেবার জন্যে পেশিগুলো সক্রিয় হয়ে ওঠে। প্লেন অবতরনের ঠিক আগ মুহূর্তে কিংবা অবতরণের সময় এই ঢোক গেলার কাজটি করুন; চুইংগাম চেবানো কিংবা ক্যান্ডি চুষে খেলে বেশি বেশি ঢোক গেলার ব্যাপারটা আপনাতেই ঘটবে। হাম তোলার ব্যাপারটিও একই রকম কাজ করে। কিন্তু অবতরণের সময় ঘুমানো থেকে বিরত থাকুন।
২. যদি ঢোক গেলা কিংবা হাম তোলাতেও কাজ না হয়, সেক্ষেত্রে নিজের কানের তালা খোলার জন্যে নিম্নোক্ত পরামর্শটি কাজে লাগিয়ে দেখতে পারেন।
৩. মুখ দিয়ে বড় করে শ্বাস নিন; এরপর নাক চেপে ধরুন, এবং মুখ বন্ধ রেখেই ধীরে ধীরে শ্বাস ছাড়ুন। এর ফলে আপনার নাক এবং কানের মধ্যে সংযোগকারী নলটিতে বাতাস ঢুকতে বাধ্য হবে। প্লেন অবতরণের সময় এটা আপনাকে বেশ কয়েকবার করতে হতে পারে।
যদি আপনার সাথে নবজাতক শিশু থাকে:

১. প্লেন অবতরণের সময় শিশুটিকে পান করার নিমিত্তে কোন পানিয় দিন। কানে তালা লাগলে বাচ্চারা চাইলেই সে তালা খুলতে পারে না, কিন্তু কোনকিছু চুষে খাওয়া, বা ফিডার খাওয়ার ফলে আপনাতেই সে কৌশলটি তাদের ক্ষেত্রে খেটে যায়।
২. প্লেন অবতরণের আগে আপনার শিশুটিকে জাগিয়ে তুলুন।
কখন ডাক্তার দেখাবেন
১. প্লেন ভ্রমণের কয়েক ঘন্টা পরেও যদি আপনার কান পরিস্কার না হয়, কিংবা কানে বেদনাদায়ক অনুভূতি থেকে যায়।
২. আপনার যদি কিছুদিন পূর্বে কানের সার্জারি করা হয়ে থাকে, এবং আপনি যদি প্লেন ভ্রমণের পরিকল্পনা করে থাকেন। সেক্ষেত্রে ডাক্তারের সাথে আপনার যোগাযোগ করা উচিত। তিনি আপনাকে পরামর্শ দিতে পারবেন যে কত শীঘ্র আপনি প্লেন ভ্রমণ করতে পারবেন।
কীভাবে প্রতিরোধ করবেন
১. আপনি যদি কোন এ্যালার্জিত আক্রান্ত হয়ে থাকেন, কিংবা আপনার ঠাণ্ডা কিংবা সাইনাসের সমস্যা থাকে, সেক্ষেত্রে প্লেন-ভ্রমণের চিন্তা আপনার জন্যে পরিত্যাগ করাই শ্রেয় হবে।
২. যদি সেটা পরিত্যাগ করা আপনার পক্ষে সম্ভব না হয়, সেক্ষেত্রে:
অবতরণের একঘন্টা আগে নাসারন্ধেন্সর বদ্ধতানিরোধক পিল কিংবা নাসারন্ধেন্সর স্প্রে নিয়ে প্লেনে ভ্রমণকারী অনেকেই উপকার পেয়ে থাকেন।
যাদের এ্যালার্জি আছে তারা অবতরণের এক ঘন্টা আগে ওষুধ খেতে পারেন, তবে সে ওষুধ ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খাওয়া উচিত। 
 
Signs and Symptoms

1. Feeling of fullness in the ears.
2. Ringing in the ears.
3. Dizziness.
4. Moderate to acute pain or discomfort inside the ears.
5. Possibly some temporary hearing loss.

What to do now
1. Simply swallowing can help. This makes the muscle active that opens the tube leading to the middle ear. Try this just before and during the plane’s descent; chew gum or suck on candy so you’ll swallow more often. Yawning works the same way. Avoid sleeping during descent.
2. If swallowing and yawning don’t work, try this more active way to unplug your ears:
3. Take a deep breath through your mouth; then hold your nose and try to breathe out gently while keeping your mouth closed. This can help force air through the tubes between your nose and ears. You may have to do this several times during descent.
If you’re flying with an infant:
1. Give your baby something to drink during landing. Babies can’t “Pop” their ears on purpose, but sucking on a bottle may do the trick.
2. Wake your infant prior to descent.
 
When to call a doctor
1. If your ears don’t clear, or if pain persists for several hours after flying.
2. If you’re planning a plane trip and have recently had ear surgery. Consult with your doctor on how soon you may fly safely.

How to prevent it
1. If you have a allergy attack, cold, or sinus infection, it’s best to postpone a plane trip.
2. If you can’t:
Some air travelers find relief by using a decongestant pill or nasal spray about an hour before landing.
People with allergies should take their medication about an hour before landing-but if it’s prescription medicine, follow your
doctor’s directions.

Whooping Cough হুপিং কফ

লক্ষণ ও উপসর্গ

প্রাথমিক অবস্থা (এক থেকে দুই সপ্তাহ স্থায়ী):

১. হালকা জ্বর, ১০০ থেকে ১০১ ডিগ্রী

২. নাক দিয়ে সর্দি পড়া এবং হাচি আস

৩. শুকনো কাশি

মাধ্যমিক অবস্থা (দুই থেকে দশ সপ্তাহ স্থায়ী):

১. প্রায়ই তীব্র কাঁশি হওয়া, মাঝে মধ্যে শ্বাস নেবার সময় হুপিং বা হাপানির শব্দের মতো হওয়া। (তবে বাচ্চাদের ক্ষেত্রে এই শব্দ ছাড়াই বার বার কাশির প্রকোপ দেখা যেতে পারে)|

২. কাশি হবার সময় মুখ লালচে বা নীলাভ হয়ে ওঠা। যদি আপনার শিশুর মুখ নীলাভ হয়ে ওঠে কিংবা তার কাঁশতে কাঁশতে তার শ্বাস বন্ধ হয়ে যায় সেক্ষেত্রে জরুরী চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।

৩. কাঁশির প্রকোপের পর বমি হওয়া

তৃতীয় অবস্থা (কয়েক মাস স্থায়ী হতে পারে):

১. আস্তে আস্তে কাঁশির প্রকোপ এবং তীব্রতা দুটোই কমতে থাকে।

কী করা উচিত

১. প্রথমে মেডিকাল চেকআপ বা পরীক্ষাগুলো করে ফেলুন|

২. আপনার বাচ্চাকে আরামদায়ক পরিবেশে রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করুন|

৩. শিশুটি যেন প্রচুর পরিমাণ পানীয় পান করে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। বার বার অল্প অল্প করে খাবার খাওয়ালে তার বমির সমস্যা দূর হবে।

৪. বাচ্চাকে সামনের দিকে ঝুঁকিয়ে বসিয়ে দিলে কাঁশার সময় তাদের শ্বাস নেয়া সহজ হয়, তাই কাঁশি এলে তাকে ঐ অবস্থানে বসিয়ে দিন।

৫. কফ বা কাশি দমিয়ে দেয় বা কফ সাপ্রেসান্ট ধরনের কোন ওষুধ তাকে দেবেন না, কেননা এসব ওষুধ সেবনে তার শ্বাস নালীর ভেতর জমে থাকা শ্লেষ্মাগুলো না বেরিয়ে এসে বরং জমে যাবে।

৬. বাচ্চাকে ব্যথা বা কষ্ট থেকে আরাম দেবার লক্ষ্যে এসিটামিনোফেন দিতে পারেন। (তবে ১২ বছর বয়সের নিচে কোন শিশুর যদি চিকেন পক্স, ইনফ্লুয়েঞ্জা, কিংবা অন্যান্য কোন রোগ রয়েছে, এবং সেটা ভাইরাস বাহিত বলে আপনি মনে করেন সেক্ষেত্রে তাকে কোনভাবেই এ্যাসপিরিন দেবেন না।)

কখন ডাক্তার দেখাবেন

১. যদি কাঁশির সময়ে আপনার বাচ্চার মুখ নীলাভ হয়ে ওঠে কিংবা তার শ্বাস নিতে সমস্যা হয় বা শ্বাস রোধ হয়।

জরুরী ভিত্তিতে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন যদি:

১. আপনার বাচ্চার কাঁশি যদি ক্রমাগত বাড়তেই থাকে কিংবা আরও তীব্র হয়ে ওঠে, মারাত্মক হয়ে ওঠে।

২. যদি আপনার বাচ্চা হুপিং কফ রোগে আক্রান্ত কারোর সংস্পর্শে এসে থাকে, এমনকি যদি তার হুপিং কফের প্রতিরোধক টিকা নেয়া থাকে তবুও।

কীভাবে প্রতিরোধ করবেন

১. বাচ্চার বয়স দুই মাস হলেই তাকে হুপিং কফ-এর টিকা দিয়ে দেয়া উচিত। এই টিকা প্রায় ৮০ ভাগ সফল বা কার্যকর ভূমিকা রাখে।

২. পরিবারের অন্যান্য সদস্য এবং স্কুলের সহপাঠী বা খেলার সাথি যারা হুপিং কফের টিকা নেয়নি, এবং যারা নিয়েছে সবার জন্যেই ডাক্তার হয়তো এন্টিবায়োটিক কোন ওষুধ দিতে পারে। কেননা আক্রান্ত বাচ্চার হুপিং কফ সংক্রামিত হবার ঝুঁকি থেকেই যায়।

৩. যাদের হুপিং কফ আছে তাদের কাছ থেকে বাচ্চাকে দূরে রাখুন। 
  Signs and Symptoms


First stage (lasts one to two weeks):

1. Low fever of 100 to 101 degrees.

2. Runny nose and sneezing.

3. Dry cough.

Second Stage (lasts two to ten weeks):

1. Severe, frequent coughing, sometimes followed by a whooping sound when breathing in. (Babies may have repeated coughing fits without making the whooping sound.)

2. Red or blue face during coughing episodes. If your child turns blue or stops breathing, Get emergency treatment.

3. Vomiting may follow coughing fits.

Third stage (which may last for several months):

1. Cough that gradually becomes less frequent and severe.

What to do now

1. First diagnose the problem.

2. Keep your child comfortable.

3. Give your child plenty of liquids to drink. Frequent small meals may reduce likelihood of vomiting.

4. Children may be able to breathe more easily when coughing if they sit up and lean forward.

5. Do not give your child a cough suppressant, as it may prevent the clearing of mucus from blocked airways.

6. Give acetaminophen for pain relief.(Never give aspirin to a child under 12 who has chicken pox, flu, or any other illness you suspect of being caused by a virus).

When to call a doctor

1. If your child turns blue or stops breathing during or after coughing.

Call for an immediate appointment:

1. If your child’s cough becomes more severe and frequent.

2. If he or she has been exposed to someone with whooping cough, even if your child has been immunized.

How to prevent it

1. Starting at the age of two months, a child should be immunized against whooping cough. The vaccine is about 80 percent effective after three doses.

2. Doctor may recommend preventive antibiotics for family members or schoolmates of a child who has whooping cough, even for those who have been immunized.

3. Avoid exposing your child to anyone who has whooping cough.

Vomiting in Children বাচ্চাদের বমি

 লক্ষণ ও উপসর্গ
বাচ্চাদের বমি সাধারণত নিম্নোক্ত সমস্যাগুলোর সাথে একসাথে হয়ে থাকে:
১. তলপেটে চাপ বা ব্যথা অনুভূত হওয়া|
২. ডায়রিয়া|
৩. জ্বর, ক্লান্তি, দুর্বলতা এবং অবসাদ|
৪. মাথা ব্যথা|
৫. খাবারের প্রতি অভক্তি|

কী করা উচিত

যদি মনে হয় যে আপনার বাচ্চাটি তীব্রভাবে বিষাক্ত খাবার (ফুড পয়জনিং) কিংবা রাসায়নিক দ্রব্যের (কেমিকাল পয়জনিং) বিষাক্ততায় আক্রান্ত হয়েছে - সেক্ষেত্রে:
১. প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বিশেষজ্ঞরা লক্ষণ দেখে এবং আপনার বাচ্চাটিকে পরীক্ষা করে বলতে পারবে যে কোথা থেকে বা কিভাবে এই সমস্যা হয়েছে এবং কোন চিকিৎসার প্রয়োজন আছে কি না।
যদি কেবল সাধারণ বমি হওয়া কিংবা ডায়রিয়ায় আপনার বাচ্চাটি আক্রান্ত হয়:
১. শিশু বমি করার পর অন্তত ২৪ ঘন্টায় ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া বমি প্রতিরোধ করার কোন ওষুধ নিজে নিজে বাচ্চাকে খাওয়াবেন না। বমি এবং ডায়রিয়া হলো শরীরের নিজস্ব পদ্ধতি দিয়ে অভ্যন্তরিন দাহজনক পদার্থগুলো নির্গত করে দেয়। (তবে শিশুদের জন্যে ওষুধের প্রয়োজনীয়তা আবশ্যকিয়, কেননা তারা দ্রুত পানিশূন্যতায় আক্রান্ত হয়)।
২. একবার যদি তরল আপনার শিশুর পাকþহলিতে সয়ে যেতে শুরু করে, তাহলে স্বচ্ছ ধরনের পানীয়গুলো পরবর্তী ১২ ঘন্টা যাবৎ তাকে পান করতে থাকুন। এরপর, পরবর্তী একদিন সাধারণ খাবার যেমন নরম ভাত, পোড়ানো বা সিদ্ধ আলু একটু নরম করে নিয়ে, কিংবা সাধারণ স্যুপ ইত্যাদি বাচ্চাকে খাওয়ান - অবশ্য যদি আপনার বাচ্চার পেটে খাবারগুলো সহ্য হয় কেবল সেক্ষেত্রেই।
৩. যতদিন এই রোগের লক্ষণগুলো দূর না হচ্ছে ততদিন প্রচুর পরিমাণে বাচ্চাকে বিশ্রাম দিন। কেননা, বার বার বমি করার কারণে আপনার বাচ্চার শরীর প্রচুর পরিমাণ তরল হারাবে। এক্ষেত্রে পানি শূন্যতা একটা মারাত্মক ঝুঁকি হতে পারে। এ সংক্রান্ত লক্ষণগুলো হলো, মুখ শুকিয়ে যাওয়া, লালা ঘন ও আঠালো হয়ে ওঠা, মাথা ঘোরা কিংবা দুর্বলতা এবং অবসাদগ্রস্ততা, গাঢ় হলুদ পস্রাব, এবং মাঝে মধ্যে তীব্র পিপাসা।
৪. যদি আপনার বাচ্চাটি পানীয় পান করে সেটা শরীরে ধরে রাখতে না পারে এবং তীব্র পানি শূন্যতায় আক্রান্ত হয় সেক্ষেত্রে তাকে হয়তো দ্রুত ভিত্তিতে হাসপাতালে যেতে হবে এবং শিরার অভ্যন্তরে বিকল্প তরলের সরবরাহ (ইন্ট্রাভেনাস ফ্লুইড রিপ্লেসমেন্ট) করতে হবে।


কখন ডাক্তার দেখাবেন

১. যদি বমি এবং তলপেটের ব্যথার সাথে আপনার বাচ্চাটি দৃষ্টির অস্পষ্টতা, পেশিতে দুর্বলতা, কথা বলতে সমস্যা হওয়া, কিংবা গিলতে সমস্যা হওয়া, কিংবা পেশির অক্রিয়তা ইত্যাদি লক্ষণেও আক্রান্ত হয়। এই লক্ষণগুলো হয়তো বটুলিজম বা জীবননাশী বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হবার লক্ষণ। যদিও বটুলিজমে সাধারণত বাচ্চারা আক্রান্ত হয় না, কিন্তু এটা ব্যাকটেরিয়া বাহিত খাদ্যের বিষক্রিয়া থেকে ঘটতে পারে, এবং এর পরিণতি মারাত্মক হতে পারে।
২. যদি আপনার বাচ্চার মধ্যে খাদ্যের রাসায়নিক বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হবার লক্ষণ দেখা যায়: বমি হওয়া, ডায়রিয়া হওয়া, ঘাম হওয়া, মাথা ঘোরা, দুই চোখ জলময় হয়ে থাকা, প্রচুর পরিমাণ লালা আসা, মানসিক বিভ্রান্তি এবং পাকþহলিতে পীড়া হওয়া - ইত্যাদি লক্ষণগুলো যদি খাবার খাওয়ার ৩০ মিনিটের মধ্যে শুরু হয়। এই সমস্যার সূচণা প্রায়শই হয় পেসটিসাইড বা পোকামাকড়ের বিষ গলাধকরণের ফলে কিংবা নষ্ট বা টিনজাত এবং সময়োত্তীর্ণ খাবার আহারের ফলে, এবং এটা জীবননাশীও হয়ে উঠতে পারে।
৩. আপনার বাচ্চার বমিতে যদি রক্ত থাকে কিংবা অন্যকিছু থাকে যেটা দেখতে গ্রাউন্ড কফি বা কফির পাতার গুড়ার মতো দেখা যায়।
৪. যদি বাচ্চার মলের সাথে রক্ত নির্গত হয়, কিংবা মল যদি আলকাতরার মতো কালো দেখায়, সেক্ষেত্রে এটা ইন্টারনাল ব্লিডিং বা দেহাভ্যন্তরীন রক্তপাতের লক্ষণ।
৫. যদি বাচ্চার শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা থাকে, যদি তলপেট ফেঁপে বা ফুলে ওঠে, কিংবা মলদ্বার বা মলনালীতে কোন সমস্যা দেখা যায়; সেক্ষেত্রে আপনার বাচ্চাটি হয়তো কোন উদর সম্বন্ধীয় মারাত্মক সমস্যার শিকার হয়েছেন।
৬. যদি পানি শূন্যতায় আক্রান্ত হবার লক্ষণগুলো আপনার বাচ্চার মধ্যে দেখা যায় যেমন, মুখ শুকিয়ে যাওয়া, লালা ঘন ও আঠালো হয়ে ওঠা, মাথা ঘোরা কিংবা দুর্বলতা এবং অবসাদগ্রস্ততা, গাঢ় হলুদ পস্রাব, এবং মাঝে মধ্যে তীব্র পিপাসা। ছোট শিশুদের জন্যে পানি শূন্যতা অত্যন্ত মারাত্মক একটি সমস্যা।
৭. চিকিৎসার পরও যদি লক্ষণগুলো আবারও দেখা যায়, সেক্ষেত্রে হয়তো এই সমস্যাগুলোর মূলে অন্য কোন কারণ রয়েছে যেমন মলাদ্বারে কোন জীবাণুর আক্রমান বা ইনটেস্টিনাল প্যারাসাইট।
৮. যদি বমি এবং ডায়রিয়া তীব্র আকার ধারণ করে এবং দুই বা তিনদিনেরও বেশি সময় þহায়ী হয়।
৯. বাচ্চার যদি ১০০ কিংবা তারও বেশি জ্বর থাকে।

 কীভাবে প্রতিরোধ করবেন

পাকþহলীতে ভাইরাসবাহিত সমস্যা দ্বারা সৃষ্ট ইনফ্লুয়েঞ্জা বা ফ্লু থেকে রক্ষা পেতে:
১. বাচ্চার এবং পরিবারের অন্য সবার হাত একটু পর পর ধুয়ে ফেলার অভ্যাস করুন।
২. বাচ্চার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে সবল রাখতে যথেষ্ট পরিমাণে বিশ্রাম, ব্যায়াম এবং সাস্থকর খাবার আহার ব্যবহার নিশ্চিত করুন।
খাদ্যের বিষক্রিয়া থেকে রক্ষা পেতে:

১. ডিপফিন্সজে রাখা মাংস যদি বরফ হয়ে গিয়ে থাকে তবে সেটা বাইরে বের করে রুমের তাপমাত্রায় গলাবেন না, বরং সেটাকে ফিন্সজের সাধারণ অংশে রেখে দিয়ে গলতে দিন, কিংবা দ্রুত গলাবার জন্যে মাইক্রোওয়েভ ওভেনে দিয়ে গলাতে পারেন এবং সাথে সাথেই সেক্ষেত্রে রান্নার বন্দোবস্ত করুন। রান্নার আগে যেন বরফ হয়ে যাওয়া বা ফেন্সাজেন হওয়া খাবারগুলো পুরোপুরি গলে আসে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন (বিশেষত পোল্ট্রি জাতীয় খাবারের ক্ষেত্রে, হাঁস-মুরগীর মাংস ইত্যাদি), এবং নিশ্চিত করুন যে সেগুলো পুরোপুরি রান্না হচ্ছে এবং যেকোন ব্যাকটেরিয়াও তাপে মরে যাচ্ছে।
২. বাড়ির বাইরে কোন আদ্র খাবার যেগুলো সূর্যের তাপে গলবার জন্যে বহুক্ষণ বাইরে রেখে দেয়া হয়েছে সেগুলো খাবার বাচ্চাকে এবং অন্য কাউকেউ খাওয়াবার ব্যাপারে বিশেষ সতর্ক থাকুন। রান্না না করা, শুধু মশলা মাখিয়ে রাখা কাঁচা খাবার যেমন মাছের মাংস, কিংবা ডিম ইত্যাদি খাবেন না। এ ধরনের সব খাবারই ভালো করে রান্না করে খাবেন।
৩. আপনার দুই হাত, এবং রান্নায় ব্যবহৃত যেসব সামগ্রী বা বাসন-কোসন ইত্যাদি রান্নার সময়ে মাছের মাংস বা মুরগীর মাংস বা অন্যান্য কোন কাঁচা খাদ্যদ্রব্যের সংস্পর্শে এসেছে সবকিছু সাবান দিয়ে উষä গরম পানিতে ধুয়ে ফেলুন।
৪. যেসব খাবার পঁচনযোগ্য সেগুলো অনতিবিলম্বে ফিন্সজে ঢুকিয়ে দিন। রেফিন্সজারেটরের তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রীতে নামিয়ে দিন, এবং যেসব মাংসল খাবার কিংবা দুধের তৈরি খাবার দুই ঘন্টার থেকে বেশি সময় রেফিন্সজারেটরের বাইরে রাখা আছে সেগুলো খাওয়া বর্জন করুন।
৫. যেসব খাবার দেখে নষ্ট মনে হয়, বা যেগুলো থেকে দুর্গন্ধ বের হয় সেগুলো কিংবা যেসব খাবারের ক্যান বা জার অর্থাৎ ধারকগুলো নষ্ট বা টেপ খাওয়া সেসব খাবার না খাওয়াই ভালো, কেননা ভেতরের খাবার নষ্ট হয়ে গিয়ে থাকতে পারে।
৬. বনে বা ঝোপে ঝাড়ে জন্ম নেয়া বা বুনো জাম, মাশরুম কিংবা অন্যান্য বৃক্ষের ফল ইত্যাদি যেন আপনার শিশুটি না খায় সে বিষয়ে সতর্ক থাকবেন।
 
Signs and Symptoms

Vomiting in children is sometimes accompanied by one of the following:
1. Abdominal cramps or pain.
2. Diarrhea.
3. Fever, weakness, and fatigue.

Headache.
4. Loss of appetite.

What to do now
If you think your child might have severe food poisoning or chemical poisoning:
1. Trained specialists can help you determine the possible source and whether your baby needs a medical treatment.
If your child have mild vomiting and diarrhea:
1. Don’t give your baby antinausea or antidiarrhea medication for 24 hours after his or her symptoms develop, unless a doctor recommends it. Vomiting and diarrhea are the body’s way of expelling whatever irritant or infectious agent may be causing the problem. (Medication may be necessary for children, who become dehydrated more quickly.)
2. Once your child can keep fluid in his or her stomach, drink clear liquids for about the next 12 hours. Then, for a full day, eat bland foods-such as rice, baked potatoes, and clear soups - if your stomach can tolerate them.
3. Make sure your child gets plenty of rest until symptoms are gone. Because your child can lose lots of fluid from repeated vomiting. Dehydration is a potential danger, especially in children. Symptoms include dry mouth, sticky saliva, dizziness or weakness or weakness, dark yellow urine, and sometimes excessive thirst.
4. If your child cannot keep liquids down and are becoming severely dehydrated, you will need to take him or her to a hospital for intravenous fluid replacement.

When to call a doctor
1. If, along with vomiting and abdominal pain, your child experience blurred vision, muscle weakness, difficulty speaking or swallowing, or muscle paralysis. These may be signs of botulism, a rare but sometimes fatal type of bacterial food poisoning.
2. If your child have symptoms of chemical food poisoning-vomiting, diarrhea, sweating dizziness, excessively tear eyes, great amounts of saliva mental confusion, and stomach pain- about 30 minutes after eating. This is often caused by pesticides or by eating food kept in tainted containers, and can be life-threatening.
3. If your child vomit blood or anything that looks like coffee grounds.
4. If your child have bloody or tarry stools; this can signal internal bleeding.
5. If your baby have intense pain or swelling in the abdomen, rectum, or anus; you may have a serious abdominal disorder.
6. If your child develop signs of dehydration-dry mouth, sticky saliva, dizziness or weakness, dark yellow urine, and sometimes, excessive thirst. Dehydration is extremely serious in infants.
7. If your baby’s symptoms recur after treatment; he or she may have an underlying problem such as an intestinal parasite.
8. If your baby’s vomiting and diarrhea are severe and last longer than two or three days.
9. If your baby have a fever of 100.00 or higher.

How to prevent it
To avoid catching viral stomach flu:
1. Make sure your child wash his or her hands frequently.
2. Keep your baby’s immune system strong with plenty of rest, exercise, and a healthy diet.
To prevent food poisoning:
1. Don’t defrost frozen meat at room temperature. let meat melt in the refrigerator, or defrost it quickly in a microwave oven and cook it immediately. Be sure that frozen food (especially poultry) is completely defrosted before cooking, so that it will cook all the way through and any bacterial will be killed.
2. Outside your house, be especially careful not give your baby moist foods that have been out in the sun long enough to become warm. Avoid uncooked, marinated food a raw meat fish, or eggs. Cook all such food well.
3. Using soap and hot water, carefully wash your hands and any countertops, cutting boards, and utensils touched by uncooked meat fish, and poultry.
4. Refrigerate perishable items immediately. Set your refrigerator at 37 degrees, and never eat diary products or cooked meat if they have been out of a refrigerator more than two hours.
5. Be sure that all members of your household wash their hands with soap and water after using the toilet and before preparing food or eating.
6. Don’t eat any food that looks or smells spoiled, or any food in bulging cans or cracked jars-a signal that the contents have gone bad.
7. Make sure that your child don’t eat wild berries, mushrooms, or other plants unless you are sure of what they are.

Teething শিশুর নতুন দাঁত গজানো

  লক্ষণ ও উপসর্গ

১. বাচ্চার চঞ্চলতা ও অস্খিরতা বৃদ্ধি, রাতের বেলায় কান্নাকাটি করা এবং কাউকে সবসময় পাশে থাকতে বাধ্য করা।
২. অতিরিক্ত লালা পড়া।
৩. নিজের আঙ্গুল বা অন্য কিছু মুখে দিয়ে চেবানোর চেষ্টা করা।
৪. লাল হয়ে ফুলে ওঠা, ব্যথাময় মাড়ি|
৫. বাচ্চার মধ্যে আরও বেশি আদর ও সেবা পাবার আকাঙ্খা কিংবা বোতলে দুধ বা পানীয় পান করার বাসনা, কিংবা বাচ্চা হয়তো স্তনের দুধ কিংবা বোতলের দুধ খেতে অস্বিকৃতী জানাবে, কেননা তাতে করে তার মুখে ব্যথা লাগে।

৬. খাবারের প্রতি আগ্রহ কমে যাওয়া।



কী করা উচিত

১. আপনার বাচ্চার মধ্যে অস্বস্তির লক্ষণ দেখলে তার মাড়িতে কোমলভাবে পরিস্কার আঙ্গুল দিয়ে ঘষে দিন।
২. নরম পরিস্কার কাপড়ে বরফের টুকরো জড়িয়ে বাচ্চার মাড়িতে ঘষতে পারেন, এতে করে তার ব্যথা কিছুটা কম হবে। তবে এক জায়গায় বেশিক্ষণ না ধরে রেখে মাড়ির এখানে ওখানে আগে পিছে ঘষবেন, নচেৎ মাড়ির টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
৩. যদি বাচ্চার ব্যথা বা অস্বস্তি না কমে সেক্ষেত্রে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে জেনে নিন বাচ্চাকে এসিটামিনোফেন দেয়া যাবে কি না। (তবে ১২ বছর বয়সের নিচে কোন শিশুর যদি চিকেন পক্স, ইনফ্লুয়েঞ্জা, কিংবা অন্যান্য কোন রোগ রয়েছে, এবং সেটা ভাইরাস বাহিত বলে আপনি মনে করেন সেক্ষেত্রে তাকে কোনভাবেই এ্যাসপিরিন দেবেন না।)
৪. দাঁত গজানোর সময় মুখ দিয়ে যে অতিরিক্ত লালা পড়ে সেটা মুখে, গলায় বা বুকের উপরাংশে গোটার জন্ম দিতে পারে।
৫. বার বার ভেজা কাপড় বদলে দিন কিংবা বিব (বাচ্চার লালা ধারণ করার জন্যে গলার সাথে বেধে দেয়া কাপড় বিশেষ) ব্যবহার করুন।
৬. বাচ্চার মাড়িতে ব্র্যান্ডি বা কোন এলকোহল জাতীয় পানীয় ঘষবেন না (তা এ ব্যাপারে আপনি যা কিছু উপকারিতার কথাই শুনে থাকুন না কেন।) মদ জাতীয় পানীয় খুব সামান্য পরিমাণে হলেও বাচ্চাদের জন্যে ক্ষতিকর।



কখন ডাক্তার দেখাবেন

১. যদি আপনার বাচ্চার বাড়ো মাস বয়সের মধ্যেও দাঁত না ওঠে। এটা হয়তো বংশগত দেরী করে দাঁত ওঠার লক্ষণ হতে পারে, যদিও এটা ক্ষতিহীন কিন্তু এর আরেকটা কারণ হতে পারে অস্খি বা হাড় বৃদ্ধিতে দেরী হওয়া।
২. যদি আপনার বাচ্চার গায়ে জ্বর থাকে এবং জ্বর ৪৮ ঘন্টারও বেশি সময় ধরে স্খায়ী হয় কিংবা ১০০ ডিগ্রীর থেকে বেশি জ্বর থাকে। যদি তার ডায়রিয়া থাকে কিংবা তার মধ্যে তীব্র আলস্য লক্ষ্য করা যায় - সেক্ষেত্রে এগুলো দাঁত ওঠার থেকে গুরুতর কোন সমস্যারও ইঙ্গিত বহন করতে পারে।
৩. যদি আপনার বাচ্চার মধ্যে ঠাণ্ডা লাগার লক্ষণ দেখা যায়, কিংবা ক্রমাগত জ্বর থাকে, বা তার খাওয়াতে বা ঘুমের সমস্যা হয়, কিংবা তার মুখের এক পাশে র‌্যাশের মতো ওঠে বা ফুলে ওঠে সেক্ষেত্রে এটা তার কানের রোগ হতে পারে।
 

Signs and Symptoms

1. Increased fussiness, nighttime crying, and clingy behavior.
2. Excessive salivate.
3. Chewing on fingers and other objects.
4. Swollen, red, and inflamed gums.
5. Increased desire for nursing or bottle-feeding, or child may refuse breast or bottle because sucking action hurts sore gums.
6. Reduced appetite.

What to do now
1. When your child seems uncomfortable, rub his or her gums with a clean finger.
2. Wrap an ice cube in a soft cloth, and rub it gently on your child’s gums to reduce inflammation. Keep moving the ice over the gums to avoid damaging tissue.
3. If discomfort persists, consult doctor about using acetaminophen. ( Never give aspirin to a child under 12 who has chicken pox, flu, or any other illness your suspect of being caused by a virus).
4. The drooling that accompanies teething can cause a rash on the face, neck, and upper chest.
5. Change wet clothing often, or use bibs.
6. Never rub brandy or any other alcoholic drink on your child’s gums (no matter what you might have heard). Alcohol, even in small amounts, is bad for children.

When to call a doctor
1. If your child has no teeth by 12 months of age. This could indicate a harmless, inherited tendency to late teething, but it might mean a condition that causes delayed bone development.
2. If your child has a fever that lasts more than 48 hours or is higher than 100 degrees, has diarrhea, or is lethargic; these symptoms may indicate a condition more serious than teething.
3. If your child has cold symptoms, a persistent fever, trouble eating or sleeping, or garbs at the side of his or her face; this could signal an ear infection.

Strep Throat স্ট্রেপ থ্রোট

   লক্ষণ ও উপসর্গ
এক বছরের কম বয়সী বাচ্চাদের ক্ষেত্রে:
১. হালকা জ্বর, সাধারণত ১০০ থেকে ১০১ ডিগ্রী|
২. নাক থেকে ঘন শ্লেষ্মা নির্গত হওয়া|
এক থেকে তিন বছর বয়সী বাচ্চাদের ক্ষেত্রে:
১. গলায় হালকা ব্যথা|
২. কণ্ঠ নালীর গ্রন্থি ফুলে ওঠা|
৩. হালকা জ্বর, সাধারণত ১০০ থেকে ১০১ ডিগ্রী|
৪. খাবারের প্রতি আগ্রহ কমে যাওয়া|
৫. অস্বস্তিবোধ|
বাড়ন্ত বাচ্চা এবং প্রাপ্ত বয়স্কদের ক্ষেত্রে:
১. গলায় হঠাৎ করেই তীব্র ব্যথা শুরু হওয়া|
২. কণ্ঠ নালীর গ্রন্থি ফুলে ওঠা|
৩. ১০২ ডিগ্রী বা তারও বেশি জ্বর হওয়া|
৪. টনসিলে সাদা রঙের প্রলেপের মতো পড়া।
 

কী করা উচিত

১. আপনার বাচ্চাটি যেন প্রচুর বিশ্রাম নেয় এবং পানীয় পান করে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। যেসব নরম খাবার খেলে আপনার বাচ্চার কণ্ঠনালীর পীড়াদায়ক দগদগে ত্বকে তেমন কষ্ট হবে না সেসব খাবার দিন।
২. তিন বছরের বা তারও বেশি বয়সের বাচ্চাদেরকে উষä লবন জল দিয়ে গার্গল বা গলা গর গর করতে দিন, এতে করে তার অস্বস্তি এবং ব্যথা কিছুটা হলেও কমবে।
৩. জ্বর এবং ব্যথা কমাবার লক্ষ্যে এসিটামিনোফেন দিতে পারে (তবে ১২ বছর বয়সের নিচে কোন শিশুর যদি চিকেন পক্স, ইনফ্লুয়েঞ্জা, কিংবা অন্যান্য কোন রোগ রয়েছে, এবং সেটা ভাইরাস বাহিত বলে আপনি মনে করেন সেক্ষেত্রে তাকে কোনভাবেই এ্যাসপিরিন দেবেন না।)
কখন ডাক্তার দেখাবেন

১. যদি উপরে বর্ণিত লক্ষণগুলো আপনার শিশু বা কোন প্রাপ্ত বয়স্ক পরিবারের সদস্যের মধ্যে থাকে।
২. গলা ব্যথা যদি ৪৮ ঘন্টা বা তারও বেশি সময় স্থায়ী হয়।
কীভাবে প্রতিরোধ করবেন

১. বার বার আপনার নিজের হাত এবং আপনার বাচ্চার মুখ সাবান ও গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন, বিশেষত কোন জনবহুল বা পাবলিক প্লেস থেকে আসার পর। যেসব লোকজন কাঁশা-কাশি করে বা হাচি দেয় তাদের থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকুন|
২. আপনার অসুþহ বাচ্চাটি যাতে অন্যদের মধ্যে এই রোগ ছড়াতে না পারে সেজন্যে তাকে এন্টিবায়োটিক দেবার পর আরও ৪৮ ঘন্টার জন্যে ঘরে রাখুন, স্কুলে বা বাইরে খেলতে যেতে দেবেন না।
 
Signs and Symptoms

Infants below age of one year:
1. Low fever of 100 to 101 degrees.
2. Thick mucus from nose.
Children ages one to three:
1. Mild sore throat.
2. Swollen glands in throat.
3. Low fever of 100 to 101 degrees.
4. Loss of appetite.
5. Irritability.
Older children and adults:
1. Sudden, severe sore throat.
2. Swollen glands in throat.
3. High fever of 102 degrees or higher.
4. White coating on tonsils.

What to do now
1. Make sure your child gets rest, drink lots of liquids, and eat foods that won’t irritate a raw throat.
2. For children of age three and more, gargling with warm salt water can ease discomfort.
3. Give your child acetaminophen for pain relief. (Never give aspirin to a child under 12 who has chicken pox, flu, or any other illness you suspect of being caused by a virus).
4. If antibiotics are prescribed, take them all, even after symptoms have disappeared.

When to call a doctor
1. If a child or an adult has the symptoms listed.
2. A sore throat that lasts 48 hours or longer.

How to prevent it
1. Wash your and your child’s hands and face with soap and warm water frequently, especially after being in public places. Stay away from people when they are coughing and sneezing.
2. To prevent your sick child from infecting others, wait until he or she has been on antibiotics for 48 hours before sending him or her to school.