About

.

Cold Sores জ্বরঠোসা বা জ্বসারি

 
Signs and Symptoms
 
1. Tingling, prickling, or itching on the lips or mouth (often just before cold sores appear)
2. Red or fluid-filled, painful blisters, typically on or around the lips or mouth.
3. Fever and swollen neck glands may accompany the first outbreak; after that, cold sores usually don’t produce these symptoms.

What to Do Now
Cold sores usually clear up on their own within seven to ten days. This is not curable. But to get relieve from pain and discomfort:
1. Apply an ice cube to the affected area.
2. Keep a prescription medication such as Cold Sores protecting cream on hand; use when you feel the first signals, before cold sores appear, it can make an attack less severe.
3. Avoid sour, spicy, or acidic foods, which may irritate the sores.

When to Call a Doctor
1. If you develop sores and a fever of 100 degrees or higher and or chills.
2. If your cold sores last longer than two weeks or come back frequently.
3. If you have a cold sore and feel any eye pain or discomfort, or if your vision is impaired. You may have a cold sore-related infection in your eye.

How to Prevent It
1. Get a new toothbrush after you’ve had cold sores.
2. If stress seems to bring on cold sores, find ways to relax: Exercise regularly, or practice yoga or meditation.
3. Avoid kissing someone who has cold sores.
4. Wear a hat and use sunblock on your lips if sun exposure appears to trigger cold sores.
  লক্ষণ ও উপসর্গ

১. ঠোঁটে টনটনে ব্যথা হওয়া, কিংবা ক্ষোঁচা বোধ হওয়া, এবং চুলকানি অনুভব করা (প্রায়ই জ্বরঠোসা হবার আগ আগ দিয়ে এই লক্ষণগুলো দেখা যায়)।
২. লাল কিংবা তরলে পূর্ণ ফুস্কুরির মতো, বেদনাদায়ক ফোস্কা ওঠা। সাধারণত ঠোঁটের চারপাশে বা মুখে এগুলো উঠে থাকে।
৩. জ্বরঠোসা ওঠার প্রথম দিকে জ্বর আসা এবং কণ্ঠনালীর ফুলে ওঠা; তবে পরবর্তী পর্যায়ে এই লক্ষণগুলো আর থাকে না।

কী করা উচিত

জ্বরঠোসা সাধারণত সাত দিন থেকে দশ দিনের মধ্যে আপনাতেই সেরে যায়। এটা অবশ্য প্রতিকারযোগ্য নয়। তবে জ্বরঠোসার ব্যথা এবং অস্বস্তি থেকে মুক্তির জন্যে:
১. আক্রান্ত স্থানে বরফের টুকরো লাগানো যেতে পারে।
২. ডাক্তারের পরমর্শ অনুযায়ী জ্বরঠোসা প্রতিরোধকারী কোন ক্রিম হাতের নাগালে রাখতে পারেন, এবং লক্ষণ টের পেলেই সেটা ব্যবহার করতে পারেন। যদি আপনি জ্বর-ঠোসা হবার আগ আগ দিয়ে এই ক্রিম ব্যবহার করতে সমর্থ হন, তবে জ্বরঠোসার আক্রমন কম গুরুতর হবে।
৩. টক, ঝাল, মশলাযুক্ত এবং এসিডযুক্ত খাবার পরিত্যাগ করুন, কেননা, এগুলো জ্বরঠোসাকে আরও বাড়িয়ে দেয়।
 

কখন ডাক্তার দেখাবেন
১. যদি জ্বরঠোসার সাথে একশ ডিগ্রীর উপর জ্বর আসে এবং সাথে কাপুনী থাকে।
২. যদি আপনার জ্বরঠোসা দুই সপ্তাহের বেশী সময় ধরেও অপসারিত না হয় কিংবা বার বার জ্বরঠোসা হতেই থাকে।
৩. যদি আপনার জ্বরঠোসা থাকে এবং চোখেও ব্যথা অনুভূত হয় কিংবা অস্বস্তি হয়, কিংবা আপনার দৃষ্টিশক্তি ব্যহত হয় সেক্ষেত্রে জ্বরঠোসা সংক্রান্ত কোন চোখের ঘা বা অসুখ হয়েছে আপনার।


কীভাবে প্রতিরোধ করবেন

১. জ্বরঠোসা হয়ে যাবার পর একটা নতুন টুথব্রাশ ব্যবহার শুরু করুন।
২. যদি কাজের বা চিন্তার চাপে আপনার জ্বরঠোসা হবার প্রবণতা থাকে সেক্ষেত্রে শরীর ও মন শীথিলায়নের পদ্ধতি চর্চা করুন, যেমন, নিয়মিত ব্যায়াম করুন, কিংবা যোগ ব্যায়াম চর্চা করুন অথবা মেডিটেশন বা মনোসংযোগ করুন।
৩. জ্বরঠোসায় আক্রান্ত ব্যক্তিকে চুম্বন করা থেকে বিরত থাকুন।
৪. টুপি পড়ুন কিংবা সূর্যরশ্মীপ্রতিরোধক ক্রিম ঠোঁটে মাখুন, কেননা সূর্যরশ্মী জ্বরঠোসাকে বাড়িয়ে তোলে।

Colds ঠাণ্ডা লাগা


Signs and Symptoms

1. Runny nose.
2. Watery eyes.
3. Coughing.
4. Sore throat.
5. Hoarseness.
6. Low fever.

What to do now
There is no cure for the common cold, but there are things you can do to lessen your discomfort:
1. Stay home, don’t go to work or school for the first three of four days- not only to rest and recover, but also to prevent spreading your cold to other people.
2. Take an aspirin substitute for aches and fever. (Never give aspirin to a child under 12 who has a cold, chicken pox, flu, or any other illness you suspect of being caused by a virus).
3. If you have a sore throat, try gargling with salt water a few times a day.
4. Drink lots of fluids to avoid dehydration.
5. Use over-the-counter saline nose drops to clear up a stuffy nose.
6. Avoid smoking and smoky places.
7. Taking one 500-milligram tablet of vitamin C four times a day may lessen the discomfort and duration of your cold, according to some researchers. But be aware that taking too much vitamin C over long periods of time can cause severe diarrhea.

When to call a doctor
1. If you have a fever of 100 degrees or higher and facial swelling and/or severe pain in the ears; you have a dangerous ear infection.
2. If your throat begins to hurt severely and your tonsils or throat have a white or yelow coating; you have tonsillitis or strep throat.
3. If you have a severe cough with thick, discolored mucus; a cough that lasts more than ten days; or blush lips or nails. You many have pneumonia.
4. If a fever lasts longer than four days or you have a fever of more than 102 degrees.
5. If you have a headache accompanied by pain around the face, a supersensitive upper jaw, or green or yellow mucus coming from your nose or throat; these are signs of bacterial infection in the sinuses.
6. If your cold hasn’t improved after ten days or has gotten steadily worse.

How to prevent it
1. Since cold viruses can be transmitted through handshakes and can lurk on doorknobs and counters, wash your hands often, especially during cold season. Keep your hands away from your eyes, nose, and mouth.
2. Drink lots of fluids.
3. Move away from people who are coughing and sneezing.
4. Since stress, allergies, and menstrual cycles may make you vulnerable to infection, try to rest more and take good care of yourself.
ঠাণ্ডা লাগার লক্ষণ ও উপসর্গ
১. নাক দিয়ে সর্দি গড়িয়ে পড়া|
২. চোখ জলে সিক্ত হয়ে থাকা বা সজল হয়ে থাকা|
৩. কাশি|
৪. গলা ফুলে ওঠা|
৫. গলা ভেঙ্গে যাওয়া, বা কর্কশ শব্দে কথা বলা|
৬. হালকা জ্বর|

ঠাণ্ডা লাগলে কী করা উচিত
সাধারণ ঠাণ্ডা লাগার কোন প্রতিকার নেই, কিন্তু কিছু কিছু চিকিৎসা পদ্ধতি আছে যেগুলো অনুসরণ করে আপনি আপনার এ সংক্রান্ত অস্বস্তি কিছুটা কমাতে পারবেন:
১. বাসায় অবস্থান করুন, ঠাণ্ডা লাগার প্রথম তিন কিংবা চারদিন কাজে কিংবা স্কুলে না গেলেই ভালো - শুধু যে নিজের বিশ্রাম এবং সেরে ওঠার জন্যেই সেটা ভালো তা নয়, বরং আপনার এই রোগ যেন অন্যদের মধ্যে ছড়াতে না পারে সে জন্যেও এটা ইতিবাচক।
২. আপনার কষ্ট এবং জ্বরের জন্যে এ্যাসপিরিনের বিকল্প কিছু সেবন করুন। (তবে ১২ বছর বয়সের নিচে কোন শিশুর যদি চিকেন পক্স, ইনফ্লুয়েঞ্জা, কিংবা অন্যান্য কোন রোগ রয়েছে, এবং সেটা ভাইরাস বাহিত বলে আপনি মনে করেন সেক্ষেত্রে তাকে কোনভাবেই এ্যাসপিরিন দেবেন না।)
৩. আপনার গলা যদি ফুলে উঠে থাকে সেক্ষেত্রে লবনাক্ত পানি দিয়ে গলা গারগল করতে পারেন দিনে কয়েকবার।
৪. প্রচুর পরিমাণ তরল পান করুন যাতে পাতলা পায়খানার সমস্যায় আক্রান্ত না হন।
৫. ফার্মেসি থেকে ফার্মাসিস্টের পরামশ্যে স্যালাইন কিংবা সর্দি থেকে নাককে বাঁচাতে নোস ড্রপ বা নাকের ড্রপ কিনে ব্যবহার করতে পারেন।
৬. ধুমপান থেকে বিরত থাকুন, এবং ধুমায়িত স্থান থেকে নিজেকে দূরে রাখুন।
৭. কিছু কিছু গবেষকের মতে ৫০০ মিলিগ্রামের ভিটামিন সি ট্যাবলেট প্রতিদিন একটা করে সেবন করলে সেটা আপনাকে ঠাণ্ডা রোগ জনিত অস্বস্তি এবং কষ্ট থেকে মুক্ত করবে এবং আপনার সেরে ওঠাকে ত্বরান্বিত করবে। তবে মনে রাখবেন, বেশি ভিটামিন সি ক্রমাগত বেশ কিছুদিন খেলে সেটা আপনাকে তীব্রভাবে ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানায় আক্রান্ত করতে পারে।


ঠাণ্ডা লাগলে কখন ডাক্তার দেখাবেন
১. যদি আপনার একশ ডিগ্রি বা তার বেশী জ্বর থাকে এবং মুখমণ্ডলে কোথাও ফুলে ওঠে কিংবা কানে তীব্র ব্যথা থাকে, কিংবা আপনার কানে মারাত্মক কোন ঘা বা এরকম কোন রোগ হয়।
২. যদি আপনার গলা খুব তীব্রভাবে ব্যথা করতে শুরু করে এবং আপনার টনসিল ফুলে ওঠে কিংবা গলার ত্বক আবছাভাবে ধূসর কিংবা হলুদ হয়ে ওঠে, সেক্ষেত্রে আপনার টনসিলিটিস বা কণ্ঠনালীর কোন তীব্র রোগ হয়েছে (স্ট্রেপ থ্রোট)।
৩. যদি আপনার কাশির সাথে ঘন এবং বেরঙ্গের শ্লেষ্মা নির্গত হয়; যদি কাশি দশ দিনেরও বেশি স্থায়ী হয়, কিংবা ঠোঁট এবং নখের রঙ্গ পরিবর্তীত হয় সেক্ষেত্রে আপনার হয়তো নিউমোনিয়া হয়েছে।
৪. যদি আপনার জ্বর হয় এবং চারদিনেরও বেশি সময় সে জ্বর স্থায়ী হয় কিংবা যদি আপনার ১০২ ডিগ্রিরও বেশি জ্বর হয়।
৫. আপনার যদি মাথা ব্যথা করে এবং একই সাথে মুখমণ্ডলে ব্যথা থাকে, যদি উপরের চোয়াল অতি স্পর্শকাতর হয়ে ওঠে অর্থাৎ সামান্য নাড়াচাড়াতেই তীব্র ব্যথার সঞ্চার হয়, কিংবা সবুজ, বা হলুদ শ্লেষ্মা যদি আপনার নাক কিংবা মুখ দিয়ে নির্গত হয়; সেটা হলো ব্যাকটেরিয়া বাহিত সাইনুস রোগ এর লক্ষণ।
৬. যদি দশদিনের মধ্যেও আপনার এই ঠাণ্ডা লাগার কোন উন্নতি না হয় বরং সেটা ক্রমান্বয়ে খারাপের দিকেই ধাবিত হতে থাকে।



ঠাণ্ডা লাগা কীভাবে প্রতিরোধ করবেন
১. যেহেতু ঠাণ্ডা লাগাবার ভাইরাসটি হ্যান্ডশেক করার মাধ্যমেও ছড়াতে পারে এবং দরজার হাতল, কিংবা কাউন্টারেও সেটা ঘাপটি মেরে থাকতে পারে অতএব শীতের সময়ে আপনার দুহাত প্রায়ই পরিস্কার করুন। আপনার হাত চোখ, নাক এবং মুখ থেকে দূরে সরিয়ে রাখুন।
২. প্রচুর পরিমাণে তরল পান করুন।
৩. যেসব মানুষ কাশছে কিংবা সর্দি ঝাড়ছে তাদের থেকে নিরাপদ ব্যবধানে থাকুন।
৪. যেহেতু অতিরিক্ত চাপ, এ্যালার্জি এবং মেয়েদের মাসিকের পর্যায় বা চক্রটা আপনাকে ঠাণ্ডায় আক্রান্ত করতে পারে, তাই পর্যাপ্ত বিশ্রাম গ্রহণ করুন এবং নিজের যত্ন নিন।