About

.

palpitations প্যালপিটেশান হার্ট এ্যাটাক,

 
Signs and Symptoms

1. Rapid heart rate.
2. An uneasy, persistent awareness of your heartbeat.
3. A thumping, fluttering, pounding, or racing beat in your chest.
4. Shortness of breath, chest pain, light-headedness, or fainting.
5. Slow heart rate.
6. Nausea.
 
What to Do Now
If you experience frequent or severe palpitations, call a doctor for an immediate appointment.
 
When to Call A Doctor
1. If you notice an unusual heartbeat and feel light-headed or dizzy.]
2. If you have irregular heartbeats that are intense, painful, or more than fleeting.
3. If you have fainting spells.
4. If you are taking drugs your doctor has prescribed for palpitations and you notice a new, irregular heartbeat pattern; or you have nausea, vomiting, fainting, diarrhea, or rashes.

How to Prevent It
1. Eliminate caffeine from your diet (i.e., coffee, tea, chocolate, and caffeinated soft drinks).
2. Don’t drink alcoholic beverages, and don’t take decongestants, diet pills, or stimulant drugs such as cocaine or amphetamines.
3. Don’t smoke.
4. Get regular exercise, such as brisk walking, jogging, swimming, or bicycling, to help regulate your resting heart rate.
5. Find a healthy outlet for stress. Try deep breathing, mediation, yoga.
6. Eat balanced, low-fat meals. Your doctor may also suggest mineral supplements; calcium, magnesium, and potassium that help moderate the heartbeat.
  লক্ষণ ও উপসর্গ
১. হৃৎস্পন্দন দ্রুত হওয়া|
২. হৃৎস্পন্দনের একটা অস্বস্তিকর এবং একঘেয়ে অনুভব হওয়া|
৩. দুম দুম করে হৃৎস্পন্দন হওয়া, জোড়ে, দ্রুত হৃৎস্পন্দন হওয়া।
৪. দম কমে যাওয়া, বা অল্পতেই হাপিয়ে ওঠা, মাথা হালকা হয়ে যাওয়া কিংবা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া।
৫. হৃৎস্পন্দন কমে যাওয়া|
৬. বিষাদগ্রস্ততা।
কী করা উচিত
যদি আপনি প্রায়ই প্যালপিটেশনে আক্রান্ত হন কিংবা খুব গুরুতরভাবে আক্রান্ত হন সেক্ষেত্রে জরুরী ভিত্তিতে একজন ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন।

কখন ডাক্তার দেখাবেন
১. যদি আপনার হৃৎস্পন্দন আপনার কাছে অস্বাভাবিক হয়ে উঠেছে বলে বোধ হয় এবং আপনার মাথা হালকা লাগে কিংবা মাথা ঘুরতে শুরু করে।
২. যদি আপনার হৃৎস্পন্দনে অনিয়ম দেখা যায় এবং সেটা বেদনাদায়ক ও তীব্র হয়ে ওঠে কিংবা ক্ষণিকের থেকে একটু বেশি সময়ের জন্যে þহায়ী হয়।
৩. আপনার যদি বেহুশ হবার ঘটনা ঘটে।
৪. যদি প্যালপিটেশানের চিকিৎসার জন্যে আপনার ডাক্তারের পরামর্শকৃত ওষুধ সেবনের পর আপনি দেখতে পান যে নতুন এবং অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন শুরু হয়েছে; কিংবা যদি আপনার মধ্যে বিষাদগ্রস্ততা, বমি বমি ভাব, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, ডায়রিয়ার লক্ষন জন্ম নেয় কিংবা আপনার শরীরে ছোট ছোট গোটা বা র‌্যাশ ওঠে।


কীভাবে প্রতিরোধ করবেন
১. আপনার খাবার তালিকা থেকে ক্যাফেইন পরিত্যাগ করুন (যেমন, কফি, চা, চকোলেট, এবং অন্যান্য ক্যাফেইন মিশ্রিত সফ্ট ড্রিংকস)।
২. মদ বা এ জাতীয় পানীয় পান বর্জন করুন, বদ্ধতা নিরোধোক ওষুধ, ডায়েট পিল, কিংবা উত্তেজক নেশাদ্রব্য যেমন কোকেইন বা এ্যামফিটামিন ইত্যাদি সেবন করা থেকে বিরত থাকুন।
৩. ধুমপান করবেন না।
৪. নিয়মিত শরীর চর্চা করুন, যেমন দ্রুত হাঁটুন, জগিং করুন, সাঁতার কাটুন, কিংবা বাইসাইকেল চালান, যাতে করে আপনার হৃৎস্পন্দন স্বাভাবিক হয়ে ওঠে।
৫. কর্মচাপ বা মানসিক চাপ থেকে মুক্তির কোন উপায় বের করুন। যেমন, গভীরভাবে শ্বাস নেয়ার চর্চা, মেডিটেশন এবং যোগ ব্যায়াম করতে পারেন।
৬. পরিমিত খাবার খান, লো-ফ্যাট বা কম স্নেহ জাতীয় পদার্থযুক্ত খাবার খান। ডাক্তার হয়তো আপনাকে খনিজ উপাদান যেমন ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাসিয়াম যেগুলো আপনার হার্টবিটকে পরবর্তীত করতে সক্ষম সেসব সমৃদ্ধ খাদ্য খেতে পরামর্শ দেবে।

ধূমপান ত্যাগ করবেন কেন এবং কি ভাবে ত্যাগ করবেন

উন্নয়নশীল দেশে অধিকাংশ পুরুষ ধূমপান করে অসচেতনতা, বন্ধুদের (পিয়ারদের) প্রেসার এবং সিগারেটের অতিমাত্রায় সহজলভ্যতার কারণে। অন্যদিকে, উন্নত দেশে মানুষের সচেতনতা এবং ধূমপানের ওপর বিধিনিষেধ থাকার কারণে ধূমপান করার হার কমে যাচ্ছে এবং সিগারেট কোম্পানিগুলো আমাদের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশকে টার্গেট করেছে সিগারেটের ব্যবসা প্রসারের জন্য। উন্নত দেশে নারীরা ধূমপান করে থাকে বিভিন্ন কারণে: কিছু নারী ধূমপান করে স্ট্রেস/চাপ মোকাবিলা করার জন্য অথবা দৈহিক ওজন নিয়ন্ত্রণ করার জন্য; তরুণীরা ধূমপান শুরু করে বিদ্রোহী এবং স্বাধীনচেতা মনোভাবের প্রকাশ হিসেবে অথবা তাদের বন্ধুদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পাওয়ার জন্য। মোদ্দা কথা, ধূমপান করার জন্য ভালো কোনো কারণ নেই। ধূমপান মারাত্মক স্বাস্থ্যহানির কারণ ঘটায়।

যেসব স্বাস্থ্যগত কারণে ধূমপান ছাড়বেন
  • ফুসফুস, গলা, মুখ, বাগ্যন্ত্র, খাদ্যনালি, অগ্ন্যাশয়, বৃক্ক, মূত্রথলি, জরায়ুর মুখ এবং পাকস্থলীর ক্যানসার।
  • লিউকেমিয়া (এক ধরনের রক্তের ক্যানসার)।
  • ফুসফুসের অন্যান্য রোগ (যেমন এফাইসিমা)
  • রক্তনালি শক্ত এবং চিকন হয়ে যাওয়া (অ্যাথেরোস্কেলেরোসিস)।  হার্ট অ্যাটাক।
  • স্ট্রোক (ব্রেইনে রক্তক্ষরণের জন্য প্যারালাইসিস)।  দাঁতের মাঢ়ির রোগ।
  • চোখের সমস্যা থেকে অন্ধ হয়ে যাওয়া।

ধূমপান আরও কিছু সমস্যার কারণ, যেমন—
  •   অন্যান্য অসুস্থতা দীর্ঘস্থায়ী করে।
  • অপারেশনের পর সহজেই ক্ষতস্থানে ইনফেকশন হয়।  গর্ভধারণে সমস্যা হয়।
  • কোমর বা ঊরুর হাড় ভাঙার ঝুঁকি বাড়ায়।
গর্ভাবস্থায় ধূমপান সাংঘাতিক খারাপ, কারণ—
  • গর্ভফুল (প্লাসেন্টা) জরায়ু মুখের খুব কাছাকাছি চলে আসে, তাতে সিজারিয়ান অপারেশন ছাড়া বাচ্চা ডেলিভারি করা যায় না।
  • গর্ভফুল সঠিক সময়ের আগেই জরায়ু ছেড়ে আসে, যার ফলে সময়ের আগেই ‘লেবার পেইন’ হয় অথবা গর্ভেই বাচ্চার মৃত্যু হতে পারে। 
  •  গর্ভপর্দা সঠিক সময়ের আগেই ফেটে যায়, পানি বেরিয়ে আসে ‘লেবার পেইন’ শুরু হওয়ার আগেই, ফলে বাচ্চা সময়ের আগেই ভূমিষ্ঠ হয়।
  • কম ওজনের বাচ্চা ভূমিষ্ঠ হয়। 
  • নবজাতকের ফুসফুসের ক্ষতি হয়।

ধূমপান ছেড়ে দিলে আপনি যে বাড়তি সুফলগুলো পাবেন—
আপনাকে ধূমপানের জন্য কর্মস্থল বা বাড়ি ছাড়তে হবে না। আপনার দাঁতগুলো আরও পরিষ্কার হবে। আপনার শ্বাস দুর্গন্ধমুক্ত হবে। আপনার আঙুলগুলোর নিকোটিন-রং হালকা হয়ে যাবে। আপনার ত্বক কুঁচকানো কমে যাবে। খাবারের ঘ্রাণ ও স্বাদ আগের থেকে ভালো উপভোগ করবেন। আপনি অধিকতর শক্তি অনুভব করবেন এবং কর্মক্ষম হবেন।

ধূমপান ছাড়ার উপায়
দৃঢ় সিদ্ধান্ত নিন এবং ভালো বোধ করুন!
যদি আপনি ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার দৃঢ় সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন, আপনাকে বিশাল অভিনন্দন! এতে শুধু আপনার স্বাস্থ্যই উন্নত হবে না, আপনি আপনার প্রিয়জনদের স্বাস্থ্যও রক্ষা করবেন পরোক্ষ ধূমপান থেকে। এটা কঠিন সত্য যে ধূমপান একেবারে ছেড়ে দেওয়া অত্যন্ত কঠিন। আপনি কি জানেন, অনেক ধূমপায়ীই মঙ্গলের জন্য ধূমপান ছাড়তে চায় কিন্তু সে চেষ্টা সফল হওয়ার আগে দুই বা তিনবার ব্যর্থ হয়? সিগারেটের মূল উপাদান নিকোটিন একটি সাংঘাতিক আসক্তিকর ড্রাগ: এমনই আসক্তিকর যে তা হেরোইন বা কোকেইনের মতো। সুসংবাদটি হচ্ছে, মঙ্গলের জন্য লাখ লাখ মানুষ ধূমপান ছেড়ে দিতে সমর্থ হয়েছে। ধূমপান ছেড়ে দেওয়া কঠিন কাজ হলেও সম্ভব। আপনি শিহরিত হবেন, যখন নিজেকে ব্যয়বহুল একটি নেশা থেকে মুক্ত করতে পারবেন এবং পরোক্ষ ধূমপানের দ্বারা অন্যের আর ক্ষতি করবেন না।

ধূমপান ছাড়ার পাঁচটি টিপস: (গবেষণালব্ধ ফল)
বিশেষ একটি দিন ঠিক করুন: দিনটির আগের দিন সব সিগারেট, অ্যাশট্রে এবং লাইটার ফেলে দিন, আপনার বাড়িতে কাউকেই ধূমপান করতে দেবেন না। একটি কাগজে লিখে রাখুন কেন আপনি ধূমপান ছাড়তে চান এবং লিস্টটি সংরক্ষণ করুন রিমাইন্ডার হিসেবে।

আপনার পরিবার, বন্ধু এবং সহকর্মীর সহযোগিতা নিন: গবেষণায় দেখা গেছে, অন্যের সহযোগিতা পেলে ধূমপান ছাড়া সহজ। আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ধূমপান ছাড়ার তারিখটি জানান এবং তাদের সহযোগিতা করতে বলুন। অনুরোধ করুন তারা যেন আপনার চারপাশে ধূমপান না করে অথবা সিগারেট অফার না করে।

ধূমপানের বিকল্প খুঁজুন এবং প্রতিদিনের রুটিন বদলান: যখন ধূমপান করার ইচ্ছে হবে, এমন কিছু করুন, যাতে আপনার মন অন্য কিছুতে ব্যস্ত থাকে। বন্ধুর সঙ্গে কথা বলুন, হাঁটতে বের হয়ে যান, অথবা সিনেমা দেখতে হলে চলে যান। চিনিমুক্ত চুইংগাম বা ক্যান্ডি খান আপনার ধূমপানের আকাঙ্ক্ষাকে কমানোর জন্য। প্রচুর পানি ও জুস খান। এর সঙ্গে আপনি আপনার প্রতিদিনের রুটিন বদলাতে পারেন। কফির পরিবর্তে চা পান করুন। সকালের নাশতা একই জায়গায় প্রতিদিন খাবেন না। কর্মস্থলে যাওয়ার রাস্তা পরিবর্তন করুন।

ধূমপান ছাড়ার ওষুধ গ্রহণ করতে পারেন: চিকিত্সকের পরামর্শ নিন। কিছু ধূমপায়ীর প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় যদি সে ধূমপান ছেড়ে দেয় যেমন—বিষণ্নতা, ঘুমাতে সমস্যা, বিরক্তবোধ বা অস্বস্তিবোধ করা এবং পরিষ্কার চিন্তা করতে না পারা। কিছু ওষুধ উল্লিখিত উপসর্গগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে। অধিকাংশ ওষুধ সিগারেটের মূল আসক্তিকর উপাদান নিকোটিনের মাত্রা রক্তে ধারাবাহিকভাবে কম পরিমাণ অবমুক্তকরণের মাধ্যমে কাজ করে। চিকিত্সকের পরামর্শ নিন কোন ওষুধটি আপনার জন্য সঠিক।
নিকোটিন প্যাচ: এটি ত্বকে লাগানো হয় এবং ত্বকের মাধ্যমে দেহে নিকোটিন অবমুক্ত হয়। নিকোটিন গাম/লজেন্স: মুখের ভেতর আবরণীর মাধ্যমে রক্তে নিকোটিন অবমুক্ত হয়। নিকোটিন নেজাল স্প্রে: নাকে স্প্রে করলে নিকোটিন শ্বাসের মাধ্যমে রক্তে প্রবেশ করে। নিকোটিন ইনহেলার: মুখ ও গলার মাধ্যমে নিকোটিন রক্তে প্রবেশ করে। বিউপ্রোপিওন: এটি একটি বিষণ্নতাবিরোধী ওষুধ, যেটি নিকোটিন পরিহারজনিত লক্ষণ কমাতে সাহায্য করে এবং ধূমপানের আকাঙ্ক্ষা কমায়। ভ্যারেনিক্লিন (চ্যানটিক্স): ওষুধটি নিকোটিন পরিহারজনিত লক্ষণ এবং ধূমপানজনিত তৃপ্তি কমায়।

পুনঃ ধূমপানের প্রবণতা থেকে সতর্ক থাকুন: অধিকাংশ ধূমপায়ী ধূমপান ছাড়ার প্রথম তিন মাসের মধ্যেই আবার ধূমপান শুরু করে, এতে আশাহত হবেন না। মনে রাখবেন, অনেকের ক্ষেত্রেই এটি ঘটে কিন্তু সফল হয় নিজের মঙ্গলের জন্য।
আপনি চিন্তা করুন, কোন বিষয়গুলো ধূমপান ছাড়ার জন্য সহায়ক ছিল এবং কোনগুলো ছিল না। এগুলো বের করতে পারলে আপনার সফল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কিছু কিছু অবস্থা আপনার ধূমপানের আকাঙ্ক্ষা বাড়ায়। যেমন ধূমপায়ীদের সান্নিধ্যে থাকা, শরীরের ওজন বাড়া, চাপ বা স্ট্রেস, অথবা বিষণ্নতায় থাকা; তাই এগুলো মোকাবিলার জন্য চিকিত্সকের পরামর্শ নিন।

মো. ইফতেখার হাসান খান
জনস্বাস্থ্য ও ফ্যামিলি মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, জানুয়ারী ২৭, ২০১০

দিনের সব সময় কর্মক্ষম থাকুন

দিনের বেশিরভাগ সময় বসে থাকা যাদের অভ্যাস এদের হার্ট এ্যাটাকের ঝুঁকি খুব বেশি। হার্ট এ্যাটাকের পেছনে এমন অনেক উপাদান আছে যা বদলানো যায় না, যেমন-বয়স, জেন্ডার, গোত্র, হৃদরোগের পারিবারিক ইতিহাস। তবে বেশিরভাগ সময় বসে থাকা যাদের দৈনন্দিন জীবন-যাপনের অংশ, অর্থাৎ যারা নিয়মিত শরীরচর্চা করেনইনা-এ এমন এক ঝুঁকি যাকে সামলানো যায় সহজেই। আর নিয়মিত ব্যায়াম করলে এর সুফল পড়ে অন্যান্য ঝুঁকির উপর। যেমন-মনের চাপ, স্থলতা, উচ্চরক্তচাপ, রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইড ও কোলেস্টেরলের উচু মান এবং ডায়াবেটিস জীবনকে চলমান রাখার, নড়ে চড়ে উঠার আরও অনেক সুফল আছে।

বসে দিন কাটানোর অভ্যাস বদলানো যায় না?

নিউইউর্ক সিটির মন্টেফায়োরে মেডিকেল সেন্টারে ক্লিনিক্যাল মেডিসিনের প্রফেসর বরার্ট ওস্টাফিল্ড বলেন, ‘নিজের জীবন যাপনের প্রভু তো নিজেই।’ ডা: ওস্টফিল্ড জোর দিয়ে বলেন, স্বাস্থ্যকর অভ্যাসে অভ্যস- হলে, নিয়মিত শারীরিক পরীক্ষা করলে, সুষম খাবার খেলে বড় রকমের পরিবর্তন আনা যায় জীবনে। ‘দিনে বসে থাকার যে জীবন-এ হলো হৃদ স্বাস্থ্যর জন্য বড় বিপর্যয়-সর্বোপরি সার্বিক স্বাস্থ্যের জন্যই। আমাদেরকে সক্রিয় হতে হবে, ডেস্কে বসে বসে বা সোফায় সারাদিন বসে দিন কাটানোর জন্য জীবন নয়।’

ডাক্তারকে দেখান এবং সচল হন, চলমান হন। আমেরিকান হার্ট এসোসিয়েশনের বিশ্লেষকরা হৃদস্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য হৃদস্বাস্থ্যকর ব্যায়ামের একটি কর্মসূচী বাতলে দিয়েছেন। এর মূল কথা হলো সপ্তাহের প্রায় প্রতিদিনে ৩০-৬০ মিনিটের মাঝারি ধরনের শরীরর্চ্চা। তবে যে কোনও ব্যায়ামের কর্মসূচী শুরু করার আগে ডাক্তারের সঙ্গে আলোচনা করা ভালো। ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া ভালো -

০ যদি হয় মধ্য বয়স বা এর বেশি বয়স

০ সমিতি নিষ্ক্রিয় জীবন

০ শরীরের ওজন বেশি

০ হৃদরোগের ঝুঁকি রয়েছে

০ অন্য কোনও রোগ রয়েছে সক্রিয় থাকার উপায়, ডাক্তার বলে দিলেন, এবার শুরু হোক শরীরের চর্চা।

১. প্রথমে গা গরম এরপর শীতল হওয়া: প্রথমে হাত পা একটু ছোড়াছুড়ি করে, স্ট্রেচিং করে গা গরম করা, এতে হাড়ের গিটের নমনীয়তা বাড়বে, বাড়বে পেশির নমনীয়তা। পা, পিঠ, কোমর স্ট্রেচ কর এবং এরপর পাঁচ মিনিট হাটা। এরপর ব্যায়ামের পর্ব শেষ করে এরকম হালকা স্ট্রেচিং করে শীতল হওয়া।

২. হার্টের স্পন্দন হার যেন বাড়ে: হৃদযন্ত্র ও রক্তনালীর ব্যায়াম প্রয়োজন। তাই করা চাই এরোবিক ব্যায়াম। দ্রুতহাটা, জগিং, সাইকেল চালানো, সাঁতার কাটা, গলফ খেলা। সপ্তাহের প্রতিদিন ৩০ মিনিট থেকে ৬০ মিনিট।

৩. দেহে হোক শক্তি বৃদ্ধি: স্ট্রেংথ ট্রেনিং যেমন ভার উত্তোলন, ইয়োগাব্যায়াম, পুশআপ, বৈঠক, ডাম্ববেল ভাজা এমনকি মনোহারী দোকানের বাজার থলিতে করে বাসায় নেয়া, সিড়ি বেয়ে উঠা, লন্ডির কাপড় তুলে নিয়ে হাটা-এসব করলে শরীরের সার্বিক বলশক্তি, ভারসাম্য, সমন্বয় ও পেশিটোল বাড়বে।

৪. কাজের ফাঁকে ফাঁকে শরীর চর্চা: কাজের ফাঁকে ফাঁকে বা অলস অবসর সময়ে করা যায় উঠ-বস, আসন পিডি হয়ে বসা, হাতের গুল ফুলানো-এসব করা যায় টিভি দেখতে দেখতে। ফোন করার সময় হাটা, উঠ বস, বাচ্চাদের সঙ্গে খেলা। গাড়ি দূরে পার্ক করে হেটে অফিসে যাওয়া বা বাড়িতে আসা। প্রতিদিনের হাটার সময় পেডোমিটার পরে নেওয়া।

৫. এসব লক্ষ্যে উদ্বুদ্ধ হওয়া: জিমে যোগ দিতে পারেন, ফিটন্যাস প্রোগ্রামে, বন্দুদের সঙ্গে একত্রে শরীরচর্চা আরও প্রনোদিত করবে এসব কাজে। ‘ব্যায়াম হলো প্রকৃত যৌবন ঝর্ণা।’ বলেন ওস্টফিল্ড’ হাটা উপবোগ করলে, হাটুন। টেনিস খেলতে পছন্দ, টেনিস খেলুন। কেন নয় ওয়াটার পলো? যে শরীর চর্চা উপভোগ্য মনে হবে তা করলেই ভালো হবে। ব্যায়াম না করার চেয়ে যে কোন ব্যায়ামই শ্রেয়।

অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
পরিচালক, ল্যাবরেটরী সার্ভিসেস
বারডেম, ঢাকা।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক,