About

.

ফুসফুস রক্ষায় দুই মিনিট দাঁত ব্রাশ!


ফুসফসকে রোগমুক্ত রাখতে দিনে রাতে দুই মিনিট করে দাঁত ব্রাশ করার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকরা। শুনতে অবাক লাগলেও সম্প্রতি গবেষকরা দেখেছেন, মুখের জীবাণু ফুসফুসের বিভিন্ন রোগের জন্য দায়ী।
এ ছাড়া শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত রোগের ক্ষেত্রে ধূমপানের ফলে ফুসফুসের ক্যান্সার ও ক্রোনিক অবস্ট্রাক্টিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি) হয়। তবে সম্প্রতিক গবেষণা এ ব্যাপারে নিশ্চিত নয় যে মাড়ির জীবাণুর সিওপিডি রোগের জন্য সরাসরি দায়ী কিনা। কিন্তু এ রোগে আক্রান্তদেরসহ অন্যান্য ফুসফুসের রোগীদের ওপর গবেষণা করে দেখা গেছে, মাড়ির জীবাণু ফুসফুসের নানা রোগের জন্য দায়ী। কিন্তু কিভাবে জীবাণুগুলো এ রোগের জন্য দায়ী তা সুস্পষ্টভাবে এখনো জানা না গেলেও তারা একটা ধারণা দিয়েছেন।
তাদের মতে, দাঁতের প্লাকে মাড়িতে জমে থাকা ব্যাকটেরিয়া ফুসফুসে প্রবেশ করে শুধু সিওপিডিই নয়, শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত নানা রোগের কারণ। তাই উচিত প্রতিদিন দুইবার দুই মিনিট করে ব্রাশ করা। সম্ভব হলে প্রতিবার খাবারের পর দাঁত ব্রাশ করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

বৃদ্ধ বয়সে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া থেকে মুক্তি দিতে পারে আঙ্গুর

আপনি কি জানেন যে বৃদ্ধ বয়সে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া থেকে মুক্তি দিতে পারে আঙ্গুর। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন গবেষক এ কথা বলেছেন। নিউইয়র্কে ফোর্ড হাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান গবেষক সিলভিয়া ফেনিম্যান বলেছেন, নিয়মিত আঙ্গুর খেলে বেশি বয়সে অন্ধত্বের আশঙ্কা কম থাকে।
আঙ্গুরে প্রাকৃতিক অ্যান্টি অক্সিডেন্ট বেশি থাকার ফলে এ ফলটি দৃষ্টিশক্তির সাথে সম্পর্কিত কোষগুলোকে সুস্থ ও কার্যকর রাখে।
ফ্রি রেডিক্যাল বায়োলজি অ্যান্ড মেডিসিন জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রবন্ধে বলা হয়েছে যে আঙ্গুর বা আঙ্গুর দিয়ে তৈরি খাবার চোখের রেটিনার ক্ষয়কে রোধ করে ফলে এ খাবারটি অন্ধত্বকে প্রতিরোধ করতে বেশ উপকারী।
আঙ্গুরে থাকা লিউটিন বা ধাতব জাতীয় এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ দৃষ্টিশক্তি ঠিক রাখতে সাহায্য করে বলে জানান ফেনিম্যান। উল্লেখ্য, সবুজ শাকসবজি এবং ডিমের কুসুমে প্রচুর লিউটিন পাওয়া যায়।

দেহের বাড়তি ওজন কমায় পেঁয়াজ

আমাদের দেশে রান্নায় পেঁয়াজ ব্যবহার হয় অহরহ। কিন্তু এটি সরাসরি তরকারি হিসেবেও ব্যবহার হতে পারে এবং তা হতে পারে শরীরের জন্য খুবই পুষ্টিকর। একই সাথে এটি কমাতে পারে আপনার শরীরের বাড়তি ওজনও।
কারন আপনি জেনে থাকবেন যে পেঁয়াজে আছে উচ্চমানের সালফার যৌগ। আর এর কারণেই পেঁয়াজ কাটলে আমাদের নাকে ঝাঁঝালো গন্ধ লাগে  চোখে পানি চলে আসে। তবে এ বস্তুটিই আবার আমাদের অনেক উপকারে আসে। গবেষকেরা বলছেন, পেঁয়াজ উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। ফলে উচ্চ রক্তচাপের রোগীরা নিয়মিত পেঁয়াজ সমৃদ্ধ তরকারি বা পেঁয়াজের তরকারি খেলে উপকার পাবেন।
শুধু তাই নয়, পেঁয়াজ হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিও কমায়। সুতরাং যারা পেঁয়াজ খান তারা খানিকটা চিন্তামুক্ত থাকতে পারেন। পেঁয়াজ ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমায়। শরীরের প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি-এর ২০ ভাগ মেটানো সম্ভব একটা পেঁয়াজ থেকেই।

মাথার চুল পরার কারন ও প্রতিকার

চুল পরা হালকা থেকে সম্পূর্ণ টাক অবধি হতে পারে। অনেক করাণে চুল পরতে পারে। বড় অসুখ থেকে সেরে ওঠার পরে চুন পরে যেতে পারে, সার্জারির পরে, মায়েদের সন্তান প্রসব করার পরে কখন কখন এটা হয়। অল্প স্বল্প চুলতো পরেই তবে টাক পরে যাওয়াটা স্বাভাবিক নয়।
ঔষধের প্রতিক্রিয়া
ঔষধের কারণে হঠাৎ চুল পরে যেতে পারে এবং সারা মাথার চুল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
অসুখ হওয়ার কারণে শারীরিক অসুস্থতার কারণে চুল পরতে পারে। যেমন থাইরয়েড হলে (হাইপোথাইরয়েডিসম বা হাইপারথাইরয়েডিসম), সেক্স হর্মনের ব্যালান্স নষ্ট হলে বা নিউট্রিশানের অভাবে আইরন, জিঙ্ক, বা/ও টিনের অভাবে। যারা খাবার খুব মেপে বা বেছে খায় বা যে সকল মহিলাদের খুব বেশি রজঃস্রাব হয়।
মাথায় ফাংগাল ইনফেকসান হলে মাথার কোন অংশে টাক পরে যেতে পারে ফাংগাল ইনফেকসান হলে এই কারণেই অনেক সময়ে বাচ্চাদের কোন কোন অংশে চুল পরে যায়।
বংশগত টাক পরার ধাত ছেলেদের চুল পরার একটা ধরণ আছে (প্রথমে মাথার সামনে তার পর মাথার মাঝখান)
এটা বেশির ভাগ পুরুষদের হয় এবং এটা অল্প বয়সেই শুরু হতে পারে। এটা তিনটি কারণে হতে পারে, বংশগত, হর্মনের জন্য বা বয়স বাড়ার ফলে। মহিলাদের চুল পরা সামনে থেকে না হয়ে মাথার মাঝখান থেকে শুরু হয়।
উপসর্গ
রোজ50 থেকে 100টা চুল পরা স্বাভাবিক এর থেকে বেশি পরলে চিন্তার বিষয়। পাতলা চুল হলে টাক দেখা যায় বেশি করে।
নিবারণ করা
চুল পরা কিছু মাত্রায় কমানো যায় ঠিক ঠাক প্রয়োজনীয় খাবার খেলে, চুলে ব্যবহার করা তেল,সাবান ঠিক করে বাছলে এবং চুল পরা বন্ধ করে এমন ঔষধ খেয়ে। ফাংগাল ইনফেকসান হলে চুল পরিষ্কার রাখতে হবে কারোর সাথে চিরুনি, টুপি অদলবদল করা যাবে না। বংশগত চুল পরা চিকিত্সার মাধ্যমে সারানো যায়।
কোন খাবারগুলো স্বাস্থ্যকর চুলের জন্য একান্ত প্রয়োজন:

  • গাঢ় সবুজ সবজি ।এতে রয়েছে Vit-A, vit-C যা natural conditionar 'এর কাজ করে
  • গাঢ় সবুজ শাক ।এতে আছে Vit-E
  • বিভিন্ন ধরনের been যেমন-শিমের বিচী, মটর শুটি, বরবটি ইত্যাদি। এগুলো প্রোটিনের ভালো উৎস। আরও আছে iron,Zinc, Biotin । Biotin চুল ভেঙ্গে যাওয়া প্রতিরোধ করে।
  • বিভিন্ন ধরনের বাদাম যেমন- কাঠ বাদাম, কাজু বাদাম, আখরোট। এগুলো natural conditionar 'এর কাজ করে।( তবে দৈনিক ১ মুঠের বেশি নয়।)
  • চুল প্রোটিন দ্বারা তৈরী । তাই খাবার তালিকায় প্রথম শেনীর প্রোটিন রাখতে হবে, যেমন-মুরগী, ডিম।
  • *লাল চাল,লাল আটা অর্থাৎ whole grain খেতে হবে।এতে Zinc, Iron, Vit-B পাওয়া যায়।
  • Low fat দুধ । এতে calcium আছে, যা চুলের বৃদ্ধির জন্য অত্যাবশকীয় উপাদান protein তো আছেই।
  • গাজর।Vit-Aএর ভাল উৎস। প্রতিদিন Snacks /salad হিসেবে খাবার তারিকায় রাখুন।
  • তিসি (Flax seed) চুলের জন্য ভীষণ উপকারী। মোটা গুড়া করে ১ চাচমচ পরিমান প্রতিদিন খাওয়া উচিত।(এতে omega -3 fatty acid আছে।)
  • সূর্যমূখীর বীচি চুলকে মজবুত ও ঝলমলে করতে দারুন ভাবে কাজ করে।Dry roast করে ১মুঠ পরিমান খেতে পারেন। লক্ষ্য করুন: সূর্যমূখীর বীচি মশলার দোকান থেকে কিনবেন। গাছ/ফুলের চারার দোকান থেকে কিনবেন না, ওগুলোতে কীটনাশক দেয়া থাকে।

সবশেষ কথা হল, সুস্থ্য চুলের জন্য দরকার Balance Diet।Crash diet, very low calorie diet, FAD diet এর কারণে চুল পরে যায়, ভেঙ্গে যায়,রুক্ষ হয়ে যায়।