About

.

Disorder sleep ঘুমের সমস্যা বা অনিয়ম

  লক্ষণ ও উপসর্গ 
Narcolepsy:
  • দিনের বেলায় পাঁচ মিনিট থেকে এক ঘন্টার জন্যে হঠাৎ করেই ঘুমিয়ে পড়া, এবং ঘুম কে নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থতা।
  • তীব্র আবেগ কিংবা অবসাদের কারণে হঠাৎ করেই পেশির নিয়ন্ত্রণ হারানো।
  • ঘুমাবার সময় এবং জেগে ওঠার সময় বিচিত্র সব দৃষ্টিভ্রম হওয়া।
  • অবসাদ|
  •  ঘুম না আসা|
  • অল্প সময়ের মধ্যেই ঘুম ভেঙ্গে যাওয়া|
  • দিনের বেলায় তন্দ্রালুভাব|
  • মনোসংযোগের ক্ষমতা হন্সাস পাওয়া|
  • ত হয়ে বা পিঠ নিচে দিয়ে ঘুমাবার সময় তীব্র শব্দে নাক ডাকা|
  • হালকা মাথা ব্যথা|
  • দিনের বেলায় তন্দ্রালুভাব এবং মনোযোগ নিবেশে সমস্যা হওয়া|
  • ব্যক্তিত্বের পরিবর্তন, যেমন দিনের বেলায় অস্বাভাবিক বিরক্তিবোধ|

কী করা উচিত

  •  দিনের বেলায় নিয়মিত ঘুমাবার চেষ্টা করুন।
  •  আরাম ও স্বস্তিদায়ক ঘুমাবার রুটিন তৈরি করুন।
  • যেসব কাজ আপনাকে স্বস্তি দেয় প্রশান্তি দেয় যেমন গান শোনা বা গল্পের বই পড়া ইত্যাদি করুন।
  • হালকা গরম দুধ পান করুন।
  • বিছানাকে কেবল আপনার ঘুমাবার এবং যৌন মিলনের জন্যে ব্যবহার করুন, কিন্তু কাজ করার জন্যে বা টিভি দেখার জন্যে নয়।
  • চিত হয়ে বা পিঠের উপর শোয়া থেকে বিরত থাকুন।
কখন ডাক্তার দেখাবেন

১. যদি আপনার মধ্যে অবস্ট্রাক্টিভ þিöপ এপনি, কিংবা নার্কোলেïিসর লক্ষণ দেখা যায়, বিশেষত যদি আপনি সবসময় ঘুমঘোরে থাকেন।
২. যদি আপনি দুই সপ্তাহের বেশি সময় যাবৎ নিদ্রাহীনতায় ভোগেন।

 কীভাবে প্রতিরোধ করবেন

১. যদি আপনার ঘুম না আসে তবে বিছানা থেকে উঠে পড়ুন। এক গ্লাস হালকা গরম দুধ পান করুন। বই পত্র পড়ুন এবং আরাম করুন, যতক্ষণ না আপনার ঘুম আসে।
২. সকালে একই সময়ে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করুন, তা আপনি রাতে যখনই ঘুমিয়ে থাকেন না কেন।
৩. ঘুমোতে যাবার অন্তত পাঁচ ঘন্টা সময়ের মধ্যে কোন ক্যাফেইন যুক্ত পানীয় যেমন চা, কফি ইত্যাদি পান করবেন না।
৪. ঘুমোতে যাবার অন্তত দুই ঘন্টার মধ্যে মদ পান বা ধুমপান করবেন না।
৫. শরীরের তুলনায় ওজন বেশি হলে ওজন কমাবার চেষ্টা করুন।
 
Disorder sleep Signs and Symptoms


Narcolepsy:
1. Falling asleep suddenly and uncontrollably in the daytime for periods of five minutes to over an hour.
2. Sudden loss of muscle control triggered by strong emotion or fatigue.
3. Vivid hallucinations when falling asleep or waking up.
4. Fatigue.
Insomnia:
1. Trouble falling asleep.
2. Early waking.
3. Daytime sleepiness.
4. Poor concentration.
Obstructive sleep apnea:
1. Loud bursts of snoring and snorting while sleeping on back.
2. Morning headaches.
3. Daytime sleepiness with difficulty concentrating.
4. Personality changes, such as unusual irritability in the daytime.

What to do now
Narcolepsy:
1. Try to have one or more daytime naps at regular times.
Insomnia:
2. Establish a soothing bedtime routine.
2. Do things that soothes you such as listen to soothing music, or read a book.
3. Drink warm milk.
4. Use your bed only for sleep or sex, not for working or watching TV.
Obstructive sleep apnea:
1. Take attempts to keep from sleeping on your back.

When to call a doctor
1. If you have symptoms of obstructive sleep apnea or narcolepsy, particularly if you are sleepy all the time.
2. If you have had insomnia for more than two weeks.

How to prevent it
1. If you can’t get to sleep, get up, drink a glass of milk, and read and relax for a while until your feel sleepy.
2. Rise each morning at the same time, no matter when you went to bed.
3. Avoid caffeinated drinks for at least five hours before bedtime.
E Don’t drink alcohol or smoke for at least three hours before bedtime.
4. Exercise regularly, but not within two hours of bedtime.
5. If you are overweight, take steps to lose weight.

Pneumonia নিওমোনিয়া


Signs and Symptoms
Common:
1. Shortness of breath.
2. Shaking, chills, and fever as high as 105 degrees.
3. Mucus that is greenish, greenish yellow, rust-colored, or streaked with blood.
4. Chest pain.

Sometimes:
1. Sweating, rapid pulse, and rapid breathing
2. Bluish lips and nails.
3. Diarrhea, headache, or pain in the muscles.
4. Delirium.
5. Vomiting.

What to Do Now
1. Tiredness and congestion that can linger without sending you to bed - to more serious cases that require immediate hospitalization. Call a doctor for an immediate appointment if you think you have any from of the illness. In addition:
2. Drink lots of fluids.
3. Avoid cough suppressants if you have a wet cough: Coughing up mucus will help you recover.
4. Put hot compresses on your chest to make yourself more comfortable.
5. Avoid smoking and smoky places.
6. To prevent a relapse, which can be more serious than the first bout, be sure to take all the medicine you doctor prescribes especially antibiotics.
7. Try using a cool-mist humidifier in your bedroom. Clean it daily, and fill it only with distilled water.

When to Call a Doctor
1. Pneumonia often comes on the course of another respiratory illness, such as a cold. Call for an immediate appointment if you have been sick and these symptoms appear
2. Change in color of mucus, or appearance of mucus streaked with blood.
3. Persistent fever over 100 degrees, accompanied by chills or sweats.
4. Shortness of breath or pain when breathing.
5. If the recently ill person is in a high-risk category (very young, over 65, or someone with a chronic condition), be on guard for the first signs of pneumonia and arrange for prompt medical attention.

How to Prevent It
1. If you are in a high-risk group, talk to your doctor about getting a vaccination for bacterial pneumonia as well as a yearly flu shot. Also: Eat healthfully. Emphasize fruits, vegetables, and grains in your diet. Plant-based foods are high in vitamins and fiber; they provide a lot of nutrients without much fat, and the fiver helps speed toxins out of the body. Plants also contain many chemicals that help boost the body’s immune system.
2. Avoid smoking, smoke-filled rooms, and heavy drinking: These all weaken your ability to fight off infection.
3. Avoid close contact with people who have respiratory infections.
4. Exercise several times a week. Regular physical effort and movement not only increase your energy and strength, they build your body’s resistance to colds and flu.
5. If you’re bedridden, try to sit up for one or two hours after eating to avoid inhaling food particles, which can lead to developing pneumonia.
নিওমোনিয়ার  লক্ষণ ও উপসর্গ
সাধারণত:
১. দম কমে যাওয়া বা অল্পতেই হাপিয়ে ওঠা।
২. কাঁপুনি, চিন চিন ঠাণ্ডা বোধ করা, এবং ১০৫ ডিগ্রীর উপর জ্বর আসা।
৩. সবুজ মতো, কিংবা হলুদ, বা মরিচার রঙ্গের কিংবা রক্তের দাগ মাখা শ্লেষ্মার নির্গমন।
৪. বুকে ব্যথা হওয়া।

কখনও কখনও:
১. দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়া, পাল্স বেড়ে যাওয়া বা দ্রুত হওয়া, ঘামানো।
২. নখ ও ঠোঁটের রঙ নীল হয়ে ওঠা।
৩. ডায়রিয়া, মাথাব্যথা, কিংবা পেশীতে ব্যথা হওয়া
৪. চিত্ত বৈকল্য, চিত্ত বিভ্রম বা রোগের ঘোরে প্রলাপ বকা।
৫. বমি হওয়া।


নিওমোনিয়া  হলে কি করা উচিত
১. ক্লান্তি এবং বুকে জমাট বাধা অনুভব (রক্তের জমাট বেধে যাওয়া থেকে উৎপন্ন) হয়তো আপনাকে শয্যাশায়ী করে তুলবে না কিন্তু সেটা নিশ্চয়ই আপনার মধ্যে জিইয়ে থেকে আরও গুরুতর অবþহার সূচনা করবে যে অবশেষে আপনার জরুরী ভিত্তিতে হসপিটালে ভর্তি হতে হবে। যদি আপনার মনে হয় যে আপনি নিওমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন সেক্ষেত্রে জরুরীভাবে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন। এবং সেই সাথে:
২. প্রচুর পরিমাণ পানি পান করুন।
৩. যেসব ওষুধ কাশির সাথে বের হওয়া শ্লেষ্মা (প্রচলিত কফ) - কে দমিয়ে দেয়, সেগুলো এড়িয়ে চলুন। কেননা কাশির সাথে শ্লেষ্মা বেরিয়ে এলে সেটা বরং দ্রুত সেরে ওঠার বিষয়ে আপনার সহায়ক হবে।
৪. বুকের উপর গরম কোন কিছু যেমন গরম পানির থলি (হট ওয়াটার ব্যাগ) দিয়ে চাপ দিন - এটাও আপনাকে আরাম দেবে।
৫. ধুমায়ীত স্থান এবং ধুমপান এড়িয়ে চলুন।
৬. লক্ষ্য রাখবেন যেন পুনরায় রোগের আক্রমণে পতিত না হন, কেননা প্রথমবারের তুলনায় পরবর্তী সময়ে এই রোগ বেশি মারাত্মক হয়ে ওঠে। আর পুনরায় এ রোগের আক্রমণ থেকে বাঁচবার  জন্যে ডাক্তারের পরামর্শকৃত সব ওষুধগুলো ঠিকঠাকভাবে নিয়মমাফিক সেবন করবেন বিশেষত এন্টিবায়োটিকগুলো।
৭. যদি সম্ভব হয় তবে ঠাণ্ডা বাস্প তৈরি করে এরকম হিউমিডিফাইয়ার (আদ্রতা তৈরি করে) আপনার বেডরুমে লাগিয়ে নিতে পারেন। তবে প্রতিদিনই এতে নতুন করে ডিসটিল্ড ওয়াটার (পানি) ভরে দেবেন।
নিওমোনিয়া  হলে  কখন ডাক্তার দেখাবেন
১. প্রায়ই নিওমোনিয়া অন্য কোন শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা জনিত অসুখের থেকে উৎপত্তি হয়। যেমন ঠাণ্ডা লাগা থেকে উৎপত্তি হয়। যদি আপনি কিছুদিন যাবৎ অসুস্থ থেকে থাকেন এবং নিম্নোক্ত লক্ষণগুলো আপনার কাছে ফুঁটে ওঠে, সেক্ষেত্রে জরুরী ভিত্তিতে একজন ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন।
২. যদি আপনার কাশির সাথে নির্গত শ্লেষ্মার রঙ বদলে যায়, কিংবা শ্লেষ্মার সাথে রক্তের দাগ মেশা থাকে।
৩. কাঁপুনি এবং ঘামের সাথে ক্রমাগত একশ ডিগ্রীর উপর জ্বর থাকা।
৪. দম কমে যাওয়া, অল্পতেই হাপিয়ে ওঠা কিংবা শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া।
৫. যদি আক্রান্ত ব্যক্তিটি অল্প সময়ের জন্যে আক্রান্ত হয়ে থাকে এবং যদি সে বেশি-ঝুঁকির আওতাভুক্ত একজন হয় (খুবই কম বয়সী, কিংবা ৬৫ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সের, কিংবা যার দীর্ঘস্থায়ী কোন রোগ রয়েছে), সেক্ষেত্রে সবসময় লক্ষ্য রাখুন যে নিউমোনিয়ার কোন লক্ষণ আছে কি না। এবং সে লক্ষণ দেখা মাত্র চিকিৎসার ব্যবþহা নিন।
নিওমোনিয়া  হলে কি ভাবে প্রতিরোধ করবেন
১. আপনি যদি অধিকতর ঝুঁকির মধ্যে থাকা একজন হন (উপরে পড়ুন) সেক্ষেত্রে ডাক্তারের সাথে ব্যাকটেরিয়া বাহিত নিওমোনিয়ার চিকিৎসার জন্যে টিকা নিতে পারবেন কি না সে ব্যাপারে আলোচনা করতে পারেন। এবং বছরে বছরে ইনফ্লুয়েঞ্জার টিকা নিতে পারবেন কি না সে পরামর্শও করুন। স্বাস্থকর খাবার খান। তবে ফলমূল, শাক-সব্জি, শস্যকণার হার আপনার খাবারে বেশি রাখুন। বৃক্ষাদি থেকে উৎপন্ন খাদ্যগুলোও বেশি খাবেন, কেননা এগুলোতে ভিটামিন এবং আশ বেশি থাকে; এবং এগুলো অনেক বেশি পুষ্টি যোগায় যদিও ফ্যাট কম থাকে। তাছাড়া ফাইবার বা আশ শরীর থেকে টক্সিন বা বিষাক্ত পদার্থের নির্গমন দ্রুত করে। তাছাড়া উদ্ভিজ খাবারের মধ্যে এমন কিছু রাসায়নিক পদার্থ থাকে যেগুলো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে।
২. ধুমপান ত্যাগ করুন, ধুমায়ীত স্থান, ঘর এড়িয়ে চলুন, এবং মদ পান ত্যাগ করুন। এই সবকিছুই আপনার রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে তোলে।
৩. যেসব মানুষের শ্বাস-প্রশ্বাস জনিত সংক্রামক রোগ রয়েছে তাদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন।
৪. সপ্তাহে অন্তত কয়েকবার ব্যায়াম করুন। নিয়মিত ব্যায়াম চর্চা যে কেবল আপনার দৈহিক শক্তি এবং ক্ষমতাকেই বৃদ্ধি করে তা নয় বরং এটা আপনার শরীরকে ঠাণ্ডা লাগা কিংবা ইনফ্লুয়েঞ্জার বিরুদ্ধে আরও প্রতিরোধক্ষম করে তোলে।
৫. যদি আপনি শয্যাশায়ী হয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে আহার করার পর এক দুই ঘন্টা বসে থাকার চেষ্টা করুন যাতে করে খাবারের কণা আপনার নাকে না ঢুকে পড়তে পারে, কেননা সেটা বরং নিওমোনিয়ায় আক্রান্ত করার ক্ষেত্রে সহায়ক হয়ে ওঠে ।

Lung Cancer ফুসফুসের ক্যান্সার


Signs and Symptoms

Lung cancer typically has no symptoms in its early stage. By the time a tumor has grown large enough to cause symptoms, it’s often in an advanced stage. The, symptoms include:
1. Shortness of breath; wheezing; dull, persistent chest pain or intermittent, sharp chest pain.
2. Hoarseness.
3. An increase in a chronic, hacking “smoker’s cough,” sometimes accompanied by blood-streaked mucus. These are often the first sigms.
4. Recurring bronchitis- an inflammation of the main air passages in the lungs.
5. Pain and weakness in the shoulder, arm, or hand.
6. Weight loss or loss of appetite and Persistent low fever.

What to Do Now
1. Lung cancer is not something you can treat yourself. But once it is diagnosed, the doctor will work with you to decide which treatment- chemotherapy, radiation, surgery, or a combination- is best for you.
2. There is much you can do to improve your chances of recovery and to stay active during treatment.
3. Consult with a doctor to show you exercises that strengthen you chest muscles.
4. Emotional support seems to aid in recovery.
5. Practice good general health habits.
 
When to Call A Doctor
Call for an immediate appointment if you have any symptoms. Early detection is the key to successful treatment of lung cancer.
 
How to Prevent It
1. Don’t smoke. Even long-term smokers improve their chances of avoiding lung cancer by quitting. Quitting smoking will not only reduce your risk of getting lung cancer, it will reduce the risk for those close to you; the spouses of smokers have at least a 30 percent higher risk of getting lung cancer  from secondhand smoke than do the spouses of nonsmokers.
2. Eat plenty of fresh fruits and vegetables.
3. Reduce stress through relaxation, visualization, meditation, or yoga.
 ফুসফুসের ক্যান্সারের লক্ষণ ও উপসর্গ
এই রোগের শুরুর দিকে কোন লক্ষণ দেখা যায় না। কিন্তু ফুসফুসে একটা টিউমার জন্মালে এবং বড় হয়ে উঠলে লক্ষণগুলো ধরা পড়তে বাধ্য হয়, বিশেষত রোগ যখন আরও গুরুতর হতে শুরু করেছে। এই সময়ের লক্ষণগুলো হলো:
১. দম কমে যাওয়া, অর্থাৎ অল্পতেই হাপিয়ে ওঠা, শ্বাস নেবার সময় বুকে শন শন আওয়াজ হওয়া, বুকে একঘেয়ে, অবিরাম ব্যথা কিংবা থেকে থেকে ব্যথা জেগে ওঠা, কিংবা বুকে তীক্ষন্ন শির শির ব্যথা।
২. গলা ভারি হয়ে যাওয়া, কর্কশ হয়ে যাওয়া।
৩. ধুমপায়ীর  খক খকিয়ে
কাশি , শুষ্ক কাশির মাত্রা বেড়ে যাওয়া, এক্ষেত্রে কাশির সাথে রক্তের দাগ মিশ্রিত শ্লেষ্মা বেড়িয়ে আসতে পারে। এই রোগের ক্ষেত্রে প্রায়ই এগুলোই মূল ও প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে ধরা পড়ে।
৪. পুন:পুন: ব্রঙ্কাইটিসে আক্রান্ত হওয়া, ফুসফুসের প্রধান শ্বাস নালীতে প্রদাহ হওয়া।
৫. কাধে দুর্বলতা কিংবা ব্যথা, হাতে, বাহুতে ব্যথা হওয়া কিংবা শক্তিহীনতা।
৬. ওজন কমে যাওয়া কিংবা খাবারের প্রতি অনীহা জন্মানো।

ফুসফুসের ক্যান্সার হলে কিকরা উচিত

১. ফুসফুসের ক্যান্সার আপনার একার পক্ষে চিকিৎসা করা সম্ভব নয়। তবে একবার পরীক্ষার মাধ্যমে রোগ নির্ণয় করা হলে ডাক্তার হয়তো আপনার সাথে পরামর্শ করে জানাবে যে কোন চিকিৎসার আশ্রয় নিলে আপনার জন্যে ভালো হয়, যেমন কেমোথেরাপি, রেডিয়েশন, সার্জারি, কিংবা এগুলোর সমন্বয়ে কোন চিকিৎসা - যেটা আপনার জন্যে সবচে উপযোগী।
২. চিকিৎসাকালীন সময়ে এমন অনেক কিছুই আপনি করতে পারেন যেগুলো আপনার সেরে ওঠাকে ত্বরান্বিত করবে এবং আপনাকে সক্রিয় রাখতে সহায়তা করবে|
৩. ডাক্তারের সাথে পরামর্শক্রমে জেনে নিন আপনার বুকের মাংস পেশীকে আরও সবল করে তোলার কি কি ব্যায়াম রয়েছে এবং সেগুলো করুন।
৪. মানসিক এবং আবেগগত সহযোগীতা কিংবা সাহস সেরে ওঠায় সহায়ক হয়।
৫. স্বাস্থ চর্চার সাধারণ বিষয়গুলো মেনে চলুন।

   ফুসফুসের ক্যান্সার  হলে কখন ডাক্তার দেখাবেন

কোন একটি লক্ষণ দেখা দিলেই জরুরী ভিত্তিতে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন। ফুসফুসের ক্যান্সার থেকে সেরে ওঠার সবচে সফল উপায় হলো প্রাথমিক অবþহাতেই রোগটিকে চিহ্নিত করা।


ফুসফুসের ক্যান্সার হলে  কি ভাবে প্রতিরোধ করবেন
১. ধুমপান থেকে বিরত থাকুন। এমনকি যারা বহুদিন যাবৎ ধুমপান করে আসছেন, তারাও যদি ধুমপান ছেড়ে দেন সেক্ষেত্রে তারা ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি থেকে রেহাই পেতে পারেন। ধুমপান ছেড়ে দেয়া যে শুধু ধুমপায়ীকেই ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি থেকে রেহাই দেবে তাই নয় বরং এটা তাদের ঘনিষ্টজনদেরকেও এই ঝুঁকি থেকে রেহাই দেবে। ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি ধুমপায়ীর স্বামী বা স্ত্রীর থেকে একজন অধুমপায়ীর স্বামী বা স্ত্রীর প্রায় ত্রিশভাগ কম। ধুমপায়ীর ধোঁয়া নাকে যাওয়া থেকেই এই ঝুঁকির পরিমাণ বেড়ে যাওয়া।
২. প্রচুর পরিমাণে সজীব ফল-মূল এবং শাক-শব্জি আহার করুন।
৩. আপনার কাজের চাপ থেকে আরাম পেতে, বিশ্রাম গ্রহণ করুন, কিংবা মেডিটেশন বা ধ্যান কিংবা যোগ ব্যায়ামও করতে পারেন 

Flu ফ্লু বা ইনফ্লুয়েঞ্জা


Signs and Symptoms of Flu

1. Chills and a fever over 103 degrees.
2. Weakness and fatigue.
3. Headache and eye pain.
4. Sore throat.
5. Dry cough.
6. Muscle aches.

What to do now
1. The more rest you get, the sooner you’ll get well. And staying home lessens the risks of infecting people at school or work; Flu continues to be contagious for three or four days after symptoms appear.
To recover quickly:
1. Drink as much fluids - juice, water and hotter - as you can. Have chicken soup; the heat may relieve the feeling of congestion.
2. Take an aspirin substitute for aches and fever to a child under 12 who has flu, chicken pox, or any other illness you suspect of being caused by a virus. Avoid cold medicines designed to treat more than one symptom.

When to call a doctor
1. Flus are particularly dangerous for people with chronic illness, including respiratory, heart, cancer; diabetes; or kidney disease; cystic fibrosis; or recurring anemia. If you have one of these conditions- or if you are HIV positive- call your doctor at the first appearance of flu symptoms. Drugs can treat certain flu viruses and may help the elderly or chronically ill.
2. If you have a recurring fever or chest pain, or if you cough up thick, discolored, or bloody mucus; you may be developing pneumonia or bronchitis.
3. If you have an earache, facial swelling, drainage from your ear, or severe pain in your face or forehead. These may indicate another illness, such as sinusitis or an ear infection.
4. If your fever lasts more than three to four days or is higher than 102 degrees.

How to prevent it
1. Because flu viruses mutate from year to year, it’s impossible to develop immunity. To avoid infection or lessen the severity, get a flu shot each fall - particularly if you’re over 65 or you have a chronic health problem.
2. If you are pregnant, you should consult a doctor before getting flu shot.
3. If you are allergic to eggs, or think you are, consult a doctor about whether or not to be vaccinated.
4. The flu virus is spread in the spray from coughs and sneezes, so keeping a distance from people who have the flu may lessen your chances of infection.
Wash your hands frequently to reduce your risk of catching a cold or the flu.
5. Avoid secondhand cigarette smoke, and if you smoke, quit.
6. Keep your immune system healthy by following a good diet, getting adequate sleep, keeping stress levels low, and drinking lots of water.
 ফ্লু বা ইনফ্লুয়েঞ্জার লক্ষণ ও উপসর্গ
১. ঠাণ্ডায় কাঁপুনি এবং ১০৩ ডিগ্রির উপর জ্বর|
২. দুর্বলতা এবং ক্লান্তি বা অবসাদ|
৩. মাথা ব্যথা এবং চোখে ব্যথা|
৪. গলা ফুলে ওঠা|
৫. শুষ্ক কাশি|
৬. পেশিতে ব্যথা|
 ফ্লু বা ইনফ্লুয়েঞ্জা হলে কি করা উচিত
১. যতো বেশি বিশ্রাম গ্রহণ করবেন ততো দ্রুত এই রোগ থেকে মুক্তি পাবেন। স্কুলে বা কাজে না গিয়ে বাসায় বিশ্রাম গ্রহণ করলে অন্তত সেটা অন্যান্যদেরকে আক্রান্ত হওয়া থেকে রক্ষা করবে। এই রোগের লক্ষণগুলো প্রকাশ হবার তিন থেকে চারদিন পর্যন্ত ইনফ্লুয়েঞ্জা বা ফ্লু সংক্রামক অবস্থায় থাকে।
 ফ্লু বা ইনফ্লুয়েঞ্জা থেকে দ্রুত সেরে ওঠার জন্যে:
১. যতো বেশি সম্ভব তরল পান করুন: সেটা জ্যুসই হোক, কিংবা পানি বা গরম এক কাপ চা। পারলে চিকেন স্যুপ খান; গরম হলে ভালো হয়, কেননা সেটা আপনার বুকের ভেতর জমাট বা চাপটাকে কিছুটা হালকা করে দেবে।
২. তবে ১২ বছর বয়সের নিচে কোন শিশুর যদি চিকেন পক্স, ইনফ্লুয়েঞ্জা, কিংবা অন্যান্য কোন রোগ রয়েছে, এবং সেটা ভাইরাস বাহিত বলে আপনি মনে করেন সেক্ষেত্রে তাকে এ্যাসপিরিন না দিয়ে বরং এ্যাসপিরিনের বিকল্প কোন ওষুধ দিন। ঠাণ্ডা প্রতিকারক যে ওষুধগুলো অনেকগুলো লক্ষণের জন্যে সেবন করা হয় সেগুলো প্রতিকার করে, আপনার নির্দিষ্ট লক্ষণের প্রতিকারে উপযোগী ওষুধ সেবন করুন।
 ফ্লু বা ইনফ্লুয়েঞ্জা হলে কখন ডাক্তার দেখাবেন
১. যেসব মানুষের দীর্ঘস্থায়ী রোগ রয়েছে যেমন হৃদযন্ত্রের রোগ, শ্বাস-প্রশ্বাসের বা কণ্ঠনালীর রোগ, ক্যান্সার, ডায়াবেটিকস, কিংবা কিডনির রোগ; সিস্টিক ফিব্রোসিস, কিংবা রক্তাসল্পতা ইত্যাদি তাদের ক্ষেত্রে ইনফ্লুয়েঞ্জা বিশেষভাবে ক্ষতিকারক বা বিপদজনক। আপনার যদি উপরোক্ত রোগগুলোর কোন একটা থাকে, কিংবা আপনি যদি এইচআইভি পজিটিভ হন সেক্ষেত্রে ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রথম লক্ষণটি শণাক্ত করা মাত্র ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন। কিছু কিছু ওষুধ বিশেষ ধরনের কিছু ভাইরাসে বাহিত ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রতিকারে ভালো অবদান রাখে যেটা বৃদ্ধ এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের উপকারে আসবে।
২. যদি আপনার জ্বর আসে এবং বুকে ব্যথা থাকে, কিংবা আপনার কাশির সাথে ঘন বেরঙ্গের কিংবা রক্ত মিশ্রিত শ্লেষ্মা বের হয় সেক্ষেত্রে হয়তো আপনি হয়তো নিউমোনিয়া কিংবা ব্রঙ্কাইটিস রোগে আক্রান্ত হতে চলেছেন|
৩. আপনার যদি কানে ব্যথা থাকে, মুখ ফুলে উঠে, আপনার কান থেকে কোন তরল নির্গত হয়, কিংবা মুখে বা কপালে প্রচণ্ড ব্যথা থাকে। এগুলো অন্য কোন রোগের লক্ষণ হতে পারে, যেমন সাইনোসাইটিস কিংবা কানের ক্ষত বা রোগ।
৪. আপনার জ্বর যদি তিন কিংবা চারদিনেরও বেশি স্থায়ী হয়, কিংবা জ্বর যদি ১০২ ডিগ্রিরও বেশি উঠে যায়।

 ফ্লু বা ইনফ্লুয়েঞ্জা হলে কি ভাবে প্রতিরোধ করবেন
১. যেহেতু ইনফ্লুয়েঞ্জার ভাইরাস বছর বছরে বদলে যায় অর্থাৎ পরিবর্তিত হয়, তাই এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলা অসম্ভব। কিন্তু এই সংক্রান্ত রোগ বা সংক্রামণকে এবং এর তীব্রতাকে কমাবার জন্যে প্রতি বছর শরৎ কালে ইনফ্লুয়েঞ্জার ইনজেকশান নেয়া যেতে পারে - বিশেষত যদি আপনার বয়স ৬৫ বা তদুর্ধ্ব হয় কিংবা আপনার যদি কোন দীর্ঘস্থায়ী রোগ থাকে।
২. তবে আপনি যদি গর্ভবতী হয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে এই ইনজেকশান নেবার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত।
৩. যদি ডিম থেকে আপনার এ্যালার্জি হয়, কিংবা আপনার মনে যদি এ ব্যাপারে সংশয় থাকে তবে টিকা নেবার আগে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন।
৪. যেহেতু ইনফ্লুয়েঞ্জার ভাইরাসটা কাশি বা হাঁচি থেকে ছড়িয়ে থাকে, অতএব যারা ইতিমধ্যে আক্রান্ত বা যারা হাঁচি এবং কাশি দেয় তাদের থেকে দূরে থাকলেও এই রোগে আক্রান্ত হবার আশঙ্কা আপনার কমে যাবে।
৫. অন্যের ব্যবহৃত সিগারেট ধুমপান করবেন না, এবং আপনি যদি ধুমপানে অভ্যস্ত হন তাহলে এই বদ অভ্যাস পরিত্যগ করুন।
৬. ভালো আহারের অভ্যাস করে আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী এবং উন্নত করে তুলুন। পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমাবেন, কর্ম চাপ নিয়ন্ত্রনের মধ্যে রাখবেন এবং প্রচুর পরিমাণে পানি খাবেন।