About

.

Tonsillitis টনসিল


Signs and Symptoms

Mild cases:
1. Sore or dry throat.
2. An increasingly hoarse or “throaty” voice.

Severe cases:
1. Tonsils so swollen that they fill the back of the throat.
2. Tonsils that are red or have white or yellow spots.
3. Tender or swollen lymph glands in the neck.
4. Fever of 100 degrees or higher, headache, or vomiting.
5. Ear or stomach pain.

In children:
Refusal to eat because swallowing is painful.

In Adults:
Foul-smelling white debris and a burning sensation in the back of the throat.

What to Do Now
1. If your child’s tonsils are simply red (there’s no swelling or white or yellow coating) and he or she does not have a fever or any problems swallowing, you can usually get good results with home treatment.
2. Use a saltwater gargle to help dull the pain and cleanse infected tonsils.
3. Keep your child warm and rested.
4. Give lots of liquids, along with ice cream or frozen yogurt, to soother the throat.
5. Give acetaminophen for fever and pain. (Never give aspirin to a child under 12 who has chicken pox, flu, or any other illness you suspect of being caused by a virus).
6. Sponge the face with cool water to reduce fever.

When to Call a Doctor
1. If your child has a fever above 100 degrees or goes 24 hours without eating.
2. If the tonsils have a white or yellow coating or spots on them. (Use a flashlight to look at them).
3. If the tonsils are so swollen that they are touching; this may mean a serious infection such as strep.
4. If a sore throat is severe and lasts more than two days.
5. If your child has greenish, yellowish, or rusty-colored mucus or experiences nausea, skin rashes, chest pain, convulsions, inflamed or painful joints, or a fever that returns after being absent for a day or two. These may signal an infection in the tonsils or elsewhere.

In adults:
If you have difficulty swallowing or opening your mouth, and excruciating pain in your throat or jaw.

How to Prevent It
1. Encourage children to avoid bacteria
and Viruses by:
2. Washing their hands frequently.
3. Keeping their hands away from their mouths.
4. Moving away from people who are coughing and sneezing.
5. Not sharing cups or silverware.
 লক্ষণ ও উপসর্গ
সাধারণ অবস্থায়:
১. গলা ফুলে ওঠা কিংবা শুষ্ক ও খড় খড়ে হয়ে ওঠা।
২. দিন দিন গলার স্বর রুক্ষ্ম হয়ে ওঠা বা ভেঙ্গে যাওয়া

তীব্র অবস্থায়:
১. টনসিল এতোই ফুলে ওঠে যে সেটা গলার পেছনের দিকটা প্রায় ভরাট করে দেয়।
২. টনসিল লাল হয়ে যায় কিংবা সেগুলোতে সাদা বা হলুদ দাগ ফুটে ওঠে।
৩. খাদ্যনালী স্পর্শকাতর হয়ে ওঠে কিংবা ফুলে ওঠে।
৪. একশ ডিগ্রী বা তারও বেশি জ্বর, মাথা ব্যথা, কিংবা বমি হওয়া
৫. কানে বা পাকস্থলিতে ব্যথা|

বাচ্চাদের ক্ষেত্রে:
খাবার খেতে অনীহা প্রকাশ করা কেননা, গলা ফুলে ওঠার বিষয়টি বেদনাদায়ক।

প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে:
ক্ষয় থেকে বাজে গন্ধ নির্গমন এবং গলার পেছনের দিকে জ্বালাপোড়া হওয়া।

কী করা উচিত
১. যদি আপনার বাচ্চার টনসিল সাধারণভাবেই লাল থাকে (এবং ভেতরে কোন ফোলা না থাকে, বা সাদা বা হলুদ দাগ না থাকে) এবং তার যদি জ্বর না থাকে, কিংবা গলা ফুলে ওঠা সংক্রান্ত কোন অন্যান্য সমস্যা না থাকে সেক্ষেত্রে ঘরোয়া চিকিৎসাতেও আপনি ভালো ফল পেতে সক্ষম।
২. লবণ মেশানো পানি দিয়ে কুলি করলে ব্যথাটা কমে আসে এবং আক্রান্ত টনসিলটিও পরিস্কার হয়।
৩. আপনার শিশুকে উষä স্থানে রাখুন এবং বিশ্রাম নিতে দিন।
৪. তার গলায় আরাম পাবার জন্যে তাকে প্রচুর পরিমাণে তরল পান করান, প্রয়োজনে আইসক্রিম কিংবা ফেন্সাজেন দই বা দধিও দিতে পারেন।
৫. জ্বর বা ব্যথা থাকলে এসিটামিনোফেন দিতে পারেন (তবে ১২ বছর বয়সের নিচে কোন শিশুর যদি চিকেন পক্স, ইনফ্লুয়েঞ্জা, কিংবা অন্যান্য কোন রোগ রয়েছে, এবং সেটা ভাইরাস বাহিত বলে আপনি মনে করেন সেক্ষেত্রে তাকে কোনভাবেই এ্যাসপিরিন দেবেন না।)
৬. জ্বর কমাবার জন্যে স্পঞ্জ হালকা ঠাণ্ডা পানিতে ভিজিয়ে তার মুখ মুছে মুছে দিতে পারেন।

কখন ডাক্তার দেখাবেন

১. যদি আপনার শিশুটির জ্বর একশ ডিগ্রীর উপরে উঠে যায় কিংবা ২৪ ঘন্টা যাবৎ কিছু খেতে না চায়।
২. যদি টনসিলের উপর সাদা বা হলুদ দাগ দেখা যায় (সেটা দেখতে ফ্লাশ লাইটের সাহায্য নিন)
৩. যদি টনসিল অত্যন্ত ফুলে ওঠে যে সেগুলো একটা অন্যটার সাথে লেগে যায়, সেক্ষেত্রে এটা হয়তো স্ট্রেপ থ্রোট এর মতো মারাত্মক রোগেরই লক্ষণ।
৪. যদি গলার এই ফুলে ওঠাটা মারাত্মক পর্যায়ে চলে যায় আর দুই দিনের বেশি স্থায়ী থাকে।
৫. যদি আপনার শিশুর কাশি থেকে সবুজ, হলুদ কিংবা মরিচার রঙ্গের শ্লেষ্মা বের হয় কিংবা সে বিতৃষন্নায় ভোগে, তার ত্বকে যদি র‌্যাশ বা গোটা ওঠে, বুকে ব্যথা করে, পেশিতে কোথাও তীব্র সংকোচন বা টান পড়ে, যদি অস্থী সংযোগে তীব্র ব্যথা বা প্রদাহ থাকে, কিংবা দুই দিন না থেকে পুনরায় আবার জ্বর আসে। এগুলো হয়তো টনসিলে বা অন্য কোথাও ক্ষত হবারই লক্ষণ।

প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে:
১. গলাধকরণে কষ্ট কিংবা মুখ খুলতে ব্যথা লাগা, কিংবা গলায় বা চোয়ালে তীব্র চর চরে ব্যথা হওয়া।

কীভাবে প্রতিরোধ করবেন
১. শিশুদেরকে ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাস থেকে দূরে থাকতে উৎসাহিতক করুন: তাদেরকে:
২. পুন:পুন: হাত ধুতে বলুন|
৩. মুখ থেকে হাত দূরে রাখতে বলুন|
৪. যেসব মানুষ কাশে বা নাক ঝাড়ে তাদের থেকে দূরে রাখুন|
৫. সিলভারের তৈরি বাসন কিংবা কাপ যেন একে অন্যেরটা ব্যবহার না করে সেদিকে দৃষ্টি দিন।

Swallowing Difficulty গলাধকরণের সমস্যা


Signs and Symptoms

1. Pain or serious discomfort while swallowing.
2. Trouble getting food to go down.
 
What to Do Now
1. For the sensation of a lump in the throat, drink lots of water with meals and practice relaxation techniques to reduce stress.
2. For burning pain in the throat or a feeling of heartburn, take antacids.

When to Call a Doctor
1. If something is caught in your throat.
If you suspect you have tonsillitis.
2. If you have swallowing difficulties that last for more than a few days, or if they are combined with weight loss and vomiting.
3. If you can swallow food or drink yet still feel as if you have a lump in your throat, even after trying relaxation techniques.

How to Prevent It
1. Avoid spicy foods and alcohol, which can worsen heartburn.
2. Do not smoke; if you do, quit. Smoking can cause oral cancer and problems of the esophagus.
3. Take antacids to neutralizes stomach acid or acid blockers to prevent stomach acid production.
4. If you are overweight, losing weight may reduce the swallowing difficulties and heartburn.
 লক্ষণ ও উপসর্গ
১. কোন কিছু গিলবার সময় গলায় প্রচণ্ড ব্যাথা বা অস্বস্তি বোধ হওয়া।
২. কোন খাবার গলা দিয়ে নামাতে সমস্যা হওয়া।

কী করা উচিত
১. গলায় ফোলা বা ফোঁড়া হয়েছে এমন অনুভব এবং এ সংক্রান্ত অস্বস্তিবোধ হলে খাবার সময় আহার্যের সাথে প্রচুর পানি পান করুন। এবং আপনার কষ্টকে কমাবার কোন আরামপ্রদ উপায় খুঁজে নিন।
২. গলা জ্বললে কিংবা বুক জ্বললে এন্টাসিড সেবন করতে পারেন।

কখন ডাক্তার দেখাবেন
১. যদি কোনকিছু আপনার গলায় আটকে যায়|
২. যদি আপনার মনে হয় যে আপনার টনসিলিটিস হয়েছে|
৩. যদি অল্প কয়েকদিনের বেশি সময় ধরে আপনার গলাধকরণের সমস্যা রয়ে যায়, কিংবা সেই সাথে যদি আপনার ওজন কমতে থাকে এবং বমি হয়|
৪. যদি আপনি খাবার গিলতে পারেন এবং পানিও পান করতে পারেন, কিন্তু তারপরও আপনার মনে হয় যে গলায় ফোড়া মতো কিছু একটা হয়েছে, এবং এ সংক্রান্ত সমাধানের চেষ্টাতেও যদি কোন উপকার না পেয়ে থাকেন।

কীভাবে প্রতিরোধ করবেন
১. মসলার আধিক্য সম্পন্ন খাবার, মদ ইত্যাদি পরিত্যাগ করুন, কেননা এগুলো থেকে বুকজ্বলার সমস্যাটির উৎপত্তি হয়।
২. ধুমপান করবেন না, যদি করেন তো সে অভ্যাস ত্যাগ করুন। ধুমপান থেকে মুখমণ্ডলের ক্যান্সার হতে পারে এবং খাদ্যনালীর সমস্যা হতে পারে।
৩. এন্টাসিড খেয়ে পাকþহলিতে উৎপন্ন এসিডকে নিûিক্রয় করতে পারেন কিংবা এসিড নিরোধোক কোন ওষুধ খেয়েও পাকস্থলিতে এসিডের উৎপাদন রহিত করতে পারেন।
৪. আপনি যদি ওভারওয়েইট (উচ্চতার তুলনায় অনেক বেশি ভারী) হন সেক্ষেত্রে ওজন কমাবার চেষ্টা করেও আপনি গলাধকরণের সমস্যা থেকে এবং বুক জ্বালাপোড়া হবার সমস্যা থেকে কিছুটা স্বস্তি পেতে পারেন।

Sore Throat গলা ফুলে ওঠা


Signs and Symptoms

1. Pain when talking or swallowing.
2. Throat that looks red all over or in streaks when you open wide and say “Aahhh”.
3. Swollen, tender glands in the upper neck.

Sometimes:
1. Fever.
2. Headache.
3. Earache.

Strep throat:
Sore throat that comes on suddenly, accompanied by fever, swollen neck glands, headache, or bright red tonsils.

Mononucleosis:
Same symptoms as strep throat, plus debilitating fatigue and loss of appetite.
 
What to Do Now
1. Drink lots of liquids, preferably warm ones such as soup or herbal tea.
2. Gargle with warm salt water.
3. Don’t smoke, and keep away from people when they’re smoking.
4. Take a non aspirin pain reliever to ease pain and inflammation. (Never give aspirin to a child under 12 who has chicken pox, flu, or any other illness you suspect of being caused by a virus).
5. Use a vaporizer or humidifier to moisten bedroom air.
6. Suck on throat lozenges or cough drops to keep your throat moist.
7. Don’t ask your doctor for an antibiotic unless you have strep or another bacterial infection- it won’t against a virus.

When to Call A Doctor
Go to an emergency facility immediately:
1. If you have fever over 101 degrees.
2. If the glands in your neck are swollen. If you cannot swallow liquids or you have trouble breathing.
3. If your tonsils are bright red or have spots of white pus on them.
4. If your sore throat lasts longer than the five-to-seven-day span typical cold.
 
How to Prevent It
Avoid cigarette smoke and other irritants. Stay away from people who have strep throat or a sore throat.
 লক্ষণ ও উপসর্গ
১. কথা বলার সময় কিংবা কোন কিছু গেলার সময় ব্যথা অনুভব করা।
২. মুখ খুলে “আহ” করে শব্দ করতে গেলে গলায় লাল লাল রেখা বা বিন্দু ফুটে ওঠা।
৩. গলার উপরের দিকে কণ্ঠ নালীর গ্রন্থিগুলোর ফুলে ওঠা এবং স্পর্শকাতর হয়ে ওঠা|

কখনও কখনও:
১. জ্বর আসা|
২. মাথা ব্যথা|
৩. কান ব্যথা|

স্ট্রেপ থোট:
হঠাৎ করে গলা ফুলে উঠলে, এবং সেই সাথে জ্বর, কণ্ঠ নালীর স্ফিতি, মাথা ব্যথা, কিংবা টনসিলের লাল রঙ ধারণ।

 মনোনিউক্লিওসিস:
স্ট্রেপ থ্রোট-এর মতো একই রকম লক্ষণ, এবং দৌর্বল্যকর অবসাদ এবং খাবারের প্রতি অনীহা জন্মানো।

কী করা উচিত
১. প্রচুর তরল পান করুন, ভালো হয় যদি হালকা উষä তরল পান করেন, যেমন স্যুপ কিংবা হারবাল টি বা ভেষজ চা।
২. মুখে লবনাক্ত হালকা উষä পানি দিয়ে কুলি বা গারগল করুন।
৩. ধুমপান করবেন না, যখন কেউ ধুমপান করে তার থেকে দূরে অবস্থান করুন।
৪. কষ্ট, ব্যথা এবং প্রদাহ থেকে রেহাই পেতে এ্যাসপিরিন নয় এমন ওষুধ সেবন করুন (তবে ১২ বছর বয়সের নিচে কোন শিশুর যদি চিকেন পক্স, ইনফ্লুয়েঞ্জা, কিংবা অন্যান্য কোন রোগ রয়েছে, এবং সেটা ভাইরাস বাহিত বলে আপনি মনে করেন সেক্ষেত্রে তাকে কোনভাবেই এ্যাসপিরিন দেবেন না।)
৫. একটা ভ্যাপোরাইজার কিংবা আদ্রতা তৈরি করে এরকম হিউমিডিফাইয়ার ব্যবহার করে আপনার বেডরুমের বাতাসকে আদ্র রাখুন।
৬. কণ্ঠ নালীকে সিক্ত রাখতে কাশির ড্রপ নিতে কিংবা লজেন্স চুষতে পারেন।
৭. আপনার যদি স্ট্রেপ (স্ট্রেপ থ্রোট) বা অন্যান্য ব্যাকটেরিয়া বাহিত রোগ না হয় সেক্ষেত্রে ডাক্তারকে এন্টিবায়োটিক দিতে অনুরোধ করবেন না কেননা সেগুলো ভাইরাসকে দমন করতে পারবে না।

কখন ডাক্তার দেখাবেন
দ্রুত জরুরী চিকিৎসা গ্রহণে তৎপর হন:
১. যদি ১০১ ডিগ্রীর উপরে জ্বর থাকে আপনার|
২. যদি আপনার কণ্ঠনালীর গ্রন্থিগুলো ফুলে উঠে থাকে। যদি তরল গলাধকরণ করতে আপনার সমস্যা হয় বা শ্বাস নিতে সমস্যা হয়|
৩. যদি টনসিলগুলো উজ্জ্বল লাল রঙ ধারণ করে কিংবা সেগুলোতে সাদা পূজের দাগ দেখা যায়।
৪. যদি আপনার গলা সাধারণ ঠাণ্ডা লাগার শর্ত স্বরূপ ৫ থেকে সাতদিনের স্থায়ীত্ব শেষেও আরও বেশি দিন ধরে থেকে যায়।

কীভাবে প্রতিরোধ করবেন
সিগারেটের ধোয়া এবং এরকম অন্যান্য দূষনগুলো থেকে দূরে থাকুন। যাদের স্ট্রেপ থ্রোট আছে বা গলা ফোলার সমস্যা আছে তাদের থেকে দূরে থাকুন|

ওভার ইউজ ইনজুরিজ

লক্ষণ ও উপসর্গ
অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের দরুন সমস্যার সূপ্ত বা অজ্ঞাত অসুবিধাটি হলো এটা কাজের সাথে সাথে আরও বেশি সমস্যার সৃষ্টি করে। প্রায়ই নিম্নোক্ত লক্ষণগুলো দেখা যায়:
১. প্রথমত, আক্রান্ত স্থানে একটা একঘেয়ে ক্রমাগত ব্যথা কিংবা অস্বস্তি থাকে এবং সাধারণ অবসাদ লক্ষ্য করা যায় (অতি ব্যবহারের সাধারণ প্রভাব)|
২. ব্যথা আরও তীব্র হয়ে ওটে এবং একটি নির্দিষ্ট স্থানেই থমকে থাকে (অধিকাংশ সময়ে একটি নির্দিষ্ট অংশেই ব্যথা অনুভূত হয়, যেমন হাটুতে, নিতম্বে কিংবা বাহুতে।)